রূপক সাহা এবং কালকেতুর সাথে পরিচয় আনন্দমেলা থেকে। কোহিনুর উদ্ধার প্রথম পড়ি আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকীতে, খুব সম্ভবত ২০০০ কি ২০০১ সালে। এরপর প্রতিবছর নতুন সংখ্যার সাথে সাথে পেতাম নতুন আরেক গল্প। পরে আনন্দমেলায় রূপক সাহার লেখা না থাকায় কালকেতুর গল্প আর পড়া হয় নি। কালকেতুর গোয়েন্দাগিরি শুরুর কাহিনী নিয়ে ভীষণ কৌতুহল ছিল। অবশেষে এতবছর পর খুজেঁ পেলাম কালকেতুর প্রথম রহস্য।
গোয়েন্দা গল্প হিসেবে তেমন আহামরি কিছু না হলেও রূপক সাহার লেখার গুণে বই শেষ হয়েছে দ্রুতই। এখনকার আমি হলে বলতাম কি সব গাজাঁখুরি গল্প রে বাবা, কিন্তু নস্টালজিয়ার মোহে পড়ে গেলাম একদম। পড়তে পড়তে বার বার ছোটবেলায় ফিরে যাচ্ছিলাম, বিনা পয়সায় ভালোই টাইম ট্র্যাভেল হয়ে গেল।