Jump to ratings and reviews
Rate this book

সন্ধিক্ষণ

Rate this book

Hardcover

3 people want to read

About the author

Prafulla Roy

225 books45 followers
Prafulla Roy was a Bengali author, lived in West Bengal, India. He received Bankim Puraskar and Sahitya Akademi Award for his literary contribution in Bengali.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (16%)
3 stars
5 (83%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Chandrangshu Saha.
14 reviews1 follower
January 22, 2025
অনেক ইতিহাসের সাক্ষী নিয়ে দাঁড়িয়ে উত্তর কলকাতার এক প্রাচীন বাড়ি 'দত্ত ম্যানসন'। সময়ের নিয়মে বর্তমানে তা ক্ষয়িষ্ণু প্রায়। কিন্তু তাও বাড়ির পূর্ব পুরুষেরা আর যাই হোক বেহিসেবি টাকা ওড়াননি। তাই এখনও দত্ত ম্যানসনের বিষয়-সম্পত্তির প্রাচুর্য রয়েছে। এই বাড়িরই পুত্রবধূ ঊনত্রিশ বছর বয়সী সুজাতা, যে কাহিনীর মূল চরিত্র। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে সুজাতার বিয়ে হয় অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অঞ্জনের সাথে এবং ভাগ্যের পরিহাসে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই অঞ্জন ট্রেকিং করতে গিয়ে মারা যায়।

সুজাতার পরিবার বলতে তার একমাত্র দাদা কর্মজীবনে প্রচুর সফল এবং সস্ত্রীক আমেরিকাবাসী। দাদার মত সুজাতাও তার ক্যারিয়ারে সফল। সে ব্যাঙ্কের এক উচ্চপদস্থ কর্মচারী। সুজাতা অল্প বয়সে বিধবা হওয়ায় তার দাদা তাকে আমেরিকায় নিয়ে আসতে চায় এবং বাকি জীবনটা অন্য কারোর সাথে শুরু করার পরামর্শ দেয় কিন্তু সুজাতা দত্ত ম্যানসন থেকে কিছুতেই মায়া ত্যাগ করতে পারেনা। দত্ত ম্যানসনে মানুষ বলতে সুজাতার শ্বশুর নিশানাথ, শাশুড়ি স্বর্ণলতা, খুড়শাশুড়ি বিনোদিনী, ছোট ননদ দেবযানী আর দেওর অমিত। সুজাতার আরেকটি ননদ আছে - জয়ন্তী, যে বাড়ির অমতে প্রেম করে বিয়ে করেছে তাই সে সবকিছু থেকে ব্রাত্য।

আর পাঁচটা বাড়ির থেকে আলাদা দত্ত ম্যানসনে সুজাতা সকলেরই খুব প্রিয়, অসময়ের বন্ধু এবং এক বিরাট অবলম্বন। সুজাতাকে তার শশুর-শাশুড়িও জেষ্ঠকন্যা হিসেবেই মনে করে। তাই বছর চারেক অঞ্জন-হীন কেটে গেলেও সুজাতা জীবনের দ্বিতীয় পর্বে অন্য কারো সাথে বিয়ে করার কথা ভাবেনি।

এমন সময় সুজাতার জীবনে জার্মান ফেরত রজতাভ আসে। রজতাভর মোটা মাইনের চাকরি ফুৎকারে ছেড়ে চলে আসা এবং নিজের রাজ্যে বেকারত্ব দেখে সেখানে স্টার্ট-আপ খোলার স্বপ্ন, দুরদর্শীতা এসব দেখে সুজাতার জন্মায় একরাশ মুগ্ধতা। ক্রমে সুজাতাও বুঝতে পারে জীবনটা অনেক বড় এবং কোথাও একজন মনের মানুষের সাহচর্যও দরকার।

এভাবেই সুজাতার জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ দিন আসে যেদিন রজতাভ সুজাতাকে প্রেম নিবেদন করে, শাশুড়ি স্বর্ণলতা নিজেদের সমস্ত জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে সুজাতাকে অংশীদার করার জন্য মনস্থির করে, আবার সুজাতার দেওর দেবযানী তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সুজাতার সহায়তা চায়।

একদিকে আছে দত্ত ম্যানসনের সমস্ত মানুষের সাথে মায়াবী এক অদৃশ্য সুতোর টান, তাদের ভালোবাসা, জেষ্ঠকন্যার ন্যায় দায়িত্ব অপরদিকে দুরদর্শী ও সপ্রতিভ রজতাভর অমোঘ আকর্ষণ। সুজাতা কি করবে এবার?

জীবন একটাই। আমাদের স্বল্প জীবনের রঙ্গমঞ্চে এত বৈচিত্র্য আছে বলেই মনে হয় আমরা বেঁচে আছি। হয়তোবা সেজন্যই পৃথিবী ঘুরছে।

প্রফুল্ল রায়ের লেখা আগে কখনও পড়া হয়নি। একশো দশ পাতার মসৃণ উপন্যাস দুই ঘন্টাতেই শেষ হয়ে গেল। মন ভালো করা লেখা। সমাপ্তিটা একটু তাড়াতাড়ি না হলে আরোও ভালো লাগতো।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.