Awarded the Nobel Prize in Literature in 1913 "because of his profoundly sensitive, fresh and beautiful verse, by which, with consummate skill, he has made his poetic thought, expressed in his own English words, a part of the literature of the West."
Tagore modernised Bengali art by spurning rigid classical forms and resisting linguistic strictures. His novels, stories, songs, dance-dramas, and essays spoke to topics political and personal. Gitanjali (Song Offerings), Gora (Fair-Faced), and Ghare-Baire (The Home and the World) are his best-known works, and his verse, short stories, and novels were acclaimed—or panned—for their lyricism, colloquialism, naturalism, and unnatural contemplation. His compositions were chosen by two nations as national anthems: India's Jana Gana Mana and Bangladesh's Amar Shonar Bangla.
প্রিয়জনের কাছে চিঠিতে যত অকপটে মনের ভাবনা বলা যায়, তত সহজ সাবলীল ভাষায় গল্প বা উপন্যাসে বলা যায় না। চিঠিকে গ্লুকোজের সাথে তুলনা করা চলে, হজম করতে যেমন কোন এনজাইমের দরকার পড়ে না। এমনকি প্রবন্ধেও একটা ফর্মাল ভাব থাকে, চিঠির আন্তরিক ভাষা শুধু চিঠিতেই পাওয়া যায়। কিন্তু শর্ত হচ্ছে, পত্রপ্রেরকের সেরাটা বের করে আনতে প্রয়োজন একজন সমঝদার প্রাপক। রবীন্দ্রনাথের কাছে ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবী ছিলেন এমন একজন সমঝদার, যাকে প্রাণখুলে মনের কথাগুলো বলা যায়। রবীন্দ্রনাথের নিজের ভাষা থেকেই উদ্ধৃত করা যাক – “… তোকে আমি যে-সব চিঠি লিখেছি তাতে আমার মনের সমস্ত বিচিত্র ভাব যে রকম ব্যক্ত হয়েছে এমন আমার কোন লেখায় হয় নি…।”
ছিন্নপত্রাবলীতে ২৫২ টি চিঠি সংকলিত হয়েছে এবং এই চিঠিগুলো লেখার সময়কাল সেপ্টেম্বর ১৮৮৭ থেকে ডিসেম্বর ১৮৯৫; রবীন্দ্রনাথ তখন শিলাইদহ, সাজাদপুর, পতিসর ও অন্যান্য অঞ্চলে জমিদারি দেখাশোনার কাজে নিযুক্ত ছিলেন। দীর্ঘ জীবনের এই অংশটিতেই রবীন্দ্রনাথ গ্রামে কাটিয়েছিলেন। গ্রামের মানুষের সরলতা, অকপট ভালোবাসা, অল্পতে তুষ্ট হওয়ার গুণাবলি তাঁকে মায়ার বাঁধনে বেঁধেছিল, এমনকি প্রজারা তাঁকে ‘তুমি’ বা ‘তুই’ পর্যন্ত সম্বোধন করতো যা তিনি খুব উপভোগও করতেন। মানুষ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ কতটা আন্তরিক ও নিরহংকার ছিলেন সেটা এখান থেকে খানিকটা আঁচ করা যায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘প্রথম আলো’তেও এই রবীন্দ্রনাথকে আমরা পেয়েছি। তবে এই দরিদ্র চাষীদের সংগ্রামী জীবন, তাদের দুর্দশা তরুণ রবীন্দ্রনাথের কোমল মনে গভীর বেদনার রেখাপাত করেছিল, সেকথা তাঁর চিঠিতে বারবার বর্ণিত হয়েছে। “কোথায় প্যারিসের আর্টিস্ট- সম্প্রদায়ের উদ্দাম উন্মত্ততা আর কোথায় আমার কালীগ্রামের সরল চাষী প্রজাদের দুঃখদৈন্য-নিবেদন! … এদের অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং এদের অসহ্য কষ্ট দেখলে আমার চোখে জল আসে। … এরা যেন আমার একটি দেশজোড়া বৃহৎ পরিবারের লোক।’’
শুধু দরিদ্র চাষীদের প্রতি দরদ দেখিয়েই থামেননি তিনি, তরুণ রবীন্দ্রনাথ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতি নিজের নৈতিক সমর্থনও প্রকাশ করেছেন। একটা চিঠির আংশিক উদ্ধৃত করছি, চিঠির সময়টা ১৮৯৩ সালের মে মাস, রুশ বিপ্লব হতে তখনও দুই যুগ বাকি – “আমার এই দরিদ্র চাষী প্রজাগুলোকে দেখলে আমার ভারি মায়া করে – এরা যেন বিধাতার শিশু সন্তানের মত – নিরুপায়… সোসিয়ালিস্টরা যে সমস্ত পৃথিবীময় ধন বিভাগ করে দেয় সেটা সম্ভব কি অসম্ভব ঠিক জানি নে – যদি একেবারেই অসম্ভব হয় তা হলে বিধির বিধান বড়ো নিষ্ঠুর, মানুষ ভারী হতভাগ্য!”
রবীন্দ্রনাথ কখনই ব্রিটিশদের গুণমুগ্ধ ছিলেন না। তবে তিনি শাসক গোষ্ঠীর সাথে একরকম ডিপ্লোম্যাসি মেইনটেইন করে চলেছেন। ছিন্নপত্রাবলীতে ব্যক্তিগত চিঠির সংকলন বলেই কিনা, এখানে খাঁটি রবীন্দ্রনাথকে পাওয়া যায়; ইন্দিরার কাছে তিনি ঠিকই অন্তরের গরল উগরে দিয়েছেন। কোন এক ফরাসি সাহিত্যিকের ভ্রমণকাহিনী পড়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন রবীন্দ্রনাথ; তখন বলছেন, ব্রিটিশ লেখক হলে এমন ভালো হয়ত লিখতে পারতেন না। “ইংরাজ ভ্রমণকারীদের যতগুলো বই পড়েছি প্রায় সবগুলোতেই তাদের উদ্ধত পাশব প্রকৃতির এবং আত্মাভিমানের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা অন্য জাতের প্রতি সুবিচার করতে এবং ভালোবাসা দিতে পারে না। অথচ বিধাতা এদের উপরে যত ভিন্ন জাতের ভার সমর্পণ করেছেন এমন আর কারও উপর করেন নি।”
ছিন্নপত্রাবলীর পাতায় পাতায় ঠাঁসা রবীন্দ্রনাথের অবিমিশ্র অনুভূতি। শুধু জীবনদর্শনের কঠিন কথাবার্তাই না, চিঠিগুলোতে গ্রামবাংলার রূপের প্রতি তাঁর মোহাবিষ্টতা এসেছে ঘুরে ফিরেই। সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের রঙ, পদ্মানদীতে বোটে বসে উপভোগ করা জ্যোৎস্নারাতের সৌন্দর্য, বৃষ্টিদিনে কবিতা-গান রচনার অনুভূতি, গদ্যের চেয়ে কবিতার প্রতি তাঁর অধিক ভালোবাসা, প্রকৃতির ভীষণ সুন্দর রূপ ভাষায় প্রকাশ করতে না পারার আক্ষেপ… এমন কত কি অনুভূতি চিঠিগুলোতে জায়গা করে নিয়েছে। আমরা যখন একলা অবসর কাটাই, তখন কত রকম দার্শনিক চিন্তা আমাদের মনের কোণে উদয় হয়, না পাওয়া প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেলে আমাদের ভালো লাগে, নতুন কোন ভাবনা ভাবতে পারলে আমরা আবেগে আপ্লুত হই, আমাদের একলা একলাই যেন ভালো লাগে। এই যে একলা ভালোলাগা, এই ভালোলাগার অনুভূতিটা প্রিয় কারও সাথে শেয়ার করতে না পারলে আবার আমাদের মনটা ছটফট করে। ফরাসি সাহিত্যিক অনরে দ্য বালজাক একটা চমৎকার কথা বলেছিলেন,“Solitude is fine but you need someone to tell that solitude is fine.”এই একলা চলার দিনগুলোতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিন্নপত্রাবলীর বেশিরভাগ চিঠিগুলো লিখেছিলেন। বড় সরল এই চিঠিগুলোর ভাষা, সাধুভাষার টিকিটির দেখা এখানে মিলবে না, আবার ইচ্ছামতো ইংরেজি শব্দের ব্যবহারও করা হয়েছে, অর্থাৎ ছিন্নপত্রাবলীতে রবীন্দ্রনাথ নিজেকে আনন্দের সাথে অকপটে প্রকাশ করেছেন। আরেকটা বিশেষ আকর্ষণীয় ব্যাপার উল্লেখ না করলেই না, রবীন্দ্রনাথের কিছু ছোট গল্পের নেপথ্যের গল্প ছিন্নপত্রাবলী থেকে জানা যাবে।
এই চিঠিগুলো যখন লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ, তখনও ভারতবর্ষজুড়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েনি। তখনও ভক্ত, সমালোচক, পর্যবেক্ষকদের থেকে তিনি বিচ্ছিন্ন। আমার ব্যক্তিগত মতামত, এই সময়ের রবীন্দ্রনাথ, অন্য যেকোনো বয়সের রবীন্দ্রনাথ থেকে সেরা। শারীরিকভাবে তিনি যৌবনে, অথচ মানসিকভাবে তিনি পরিণত। বিশ্বসাহিত্যের সেরা কিছু গল্প এই সময় তিনি লিখেছিলেন। প্রকৃতির সাথে, মানুষের সারল্যের সাথে তাঁর ছিল সহজ যোগাযোগ। সেলেব্রিটিদের মত জীবন তখনও সঙ্কীর্ণ হয়ে পড়েনি। এই রবীন্দ্রনাথের সুন্দর মনের মধ্যে ঘুরে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন যিনি, সেই ইন্দিরা দেবীর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় দর্শন নিয়ে বাঙালি পাঠকসমাজের প্রচণ্ড আগ্রহ আছে। কারণ তিনি রবীন্দ্রনাথ। ১৮৯৪ সালের মার্চ মাসে লেখা একটা চিঠির একাংশ উদ্ধৃত করে, যেখানে ধর্ম সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের ভাবনা প্রকাশিত হয়েছে। জীবনের পরবর্তী সময়ে তাঁর এই ভাবনার কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা জানিনা। “আমার বোধ হয় সকল ধর্মের শ্রেষ্ঠ ধর্ম সর্ব জীবে দয়া। প্রেম হচ্ছে সমস্ত ধর্মের মূল ভিত্তি। জগতে আমা হতে যেন দুঃখের সৃজন না হয়ে সুখের বিস্তার হতে থাকে। আমি যেন সকল প্রাণীর সুখ দুঃখ বেদনা বুঝে নিজের স্বার্থের জন্য কাউকে আঘাত না করি – এই যথার্থ ধর্ম, এই যথার্থ ঈশ্বরচরিত্রের আদর্শে আপনাকে গঠিত করা।”
ব্যক্তিগতভাবে এই চিঠিগুলোর প্রতি আমার বিশেষ দুর্বলতা আছে। আমার বাড়ি কুষ্টিয়াতে। ছিন্নপত্রাবলীর অনেকগুলো চিঠি কুষ্টিয়া, কুমারখালি, শিলাইদহ থেকে লেখা। তাঁর স্মৃতিময় কিছু স্থান আমার স্মৃতিরও অংশ, এই ভাবনা আমাকে আবেগতাড়িত করে। রবীন্দ্রনাথকে কাছের মানুষ মনে হয়, তাঁর প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়।
(ছিন্নপত্রাবলীর এই রিভিউটা লিখেছিলাম ৪/৫ বছর আগে। অন্য একটা প্লাটফর্মে প্রকাশ করেছিলাম। গুডরিডসে সংক্ষিপ্ত আকারের একটা রিভিউ পোস্ট করেছিলাম। আজ (৩১/০১/২২) অরূপ ভাইয়ের রিভিউ দেখে পুরাতন এই লেখাটা খুঁজে বের করে আংশিক এডিট করে প্রকাশ করলাম)
এই অসামান্য কীর্তিটি শুধু বাংলার নয়, বিশ্বসাহিত্যের সম্পদ। লোকে 'ছিন্নপত্র' নিয়ে দুটো কারণে মাতে। প্রথমত, ওটি অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত— ফলে ওই নিয়ে নোটবই থেকে শুরু করে নানা বৈদগ্ধ্যের ছড়াছড়ি আছে চারপাশে। দ্বিতীয়ত, যেহেতু রবীন্দ্রনাথ নিজে কেটেকুটে ওগুলোকেই প্রকাশের উপযুক্ত বলে বিবেচনা করেছিলেন, তাই সবার ধারণা, ওটিই 'গুরুদেব'স চয়েস!' কিন্তু আমি এই বইটি পড়ে বুঝেছিলাম, কালির তলায় চাপা পড়ে ছিন্ন হয়ে যাওয়া চিঠিগুলোর সেই 'নির্বাচিত চয়ন'-এর তুলনায় অনেক বড়ো, অনেক উষ্ণ, অনেক গহীন এই সংকলনটি। নিতান্ত বেরসিক মানুষ; তাই পদ্মায় ভাসতে-ভাসতে পড়ার বদলে সিভিল সার্ভিসের প্রস্তুতি নিতে-নিতেই পড়েছিলাম এটি। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা... আহা! এখনও পড়েননি? করেছেন কী! শিগগির পড়ে ফেলুন। আর হ্যাঁ, বাজারে বহু সংস্করণ থাকলেও চেষ্টা করবেন বিশ্বভারতী সংস্করণটিই পড়তে। ওটি শুধু যে শুদ্ধ ও সটীক, তাই নয়। মলাটের ওই বৈরাগী রঙ দেখেই মনটা কেমন যেন হু-হু করে ওঠে। ওটুকু ছেড়ে দেবেন কেন? জয় গুরু(দেব)!
সেপ্টেম্বর ১৮৮৭ থেকে ডিসেম্বর ১৮৯৫— এই সময়টুকুতে একজন মানুষ নিজের ভাইঝিকে বেশ কিছু চিঠি লিখেছিলেন। যদি আমি-আপনি এইরকম চিঠি লিখতে বসি (অবশ্য যা দিনকাল তাতে ওই ক্ষমতাটা লুপ্ত হয়ে যাওয়ারই কথা) তাহলে সেগুলো এমন কেঠো আর কেজো হবে যে চিঠির প্রাপক উত্তরে লিখতেই পারেন, "ছাড়ান দাও। আর লিখা কাম নাই।" কিন্তু লেখক যদি হন রবীন্দ্রনাথ? প্রাপক যদি হন সেই সীমিতসংখ্যক মানুষদের একজন যিনি তাঁকে বুঝতেন? সর্বোপরি চিঠিগুলো যদি লেখা হয়ে থাকে এমন এক সময় যখন অমিত প্রতিভাধর মানুষটি বাংলা আর তার মানুষকে একেবারে কাছ থেকে দেখছেন এবং সেই অভিজ্ঞতার স্পর্শে তাঁর মনোজগতে ঘটছে নানা পরিবর্তন? তখন এইরকম কিছুর জন্ম হয়। এই চিঠিগুলোর একাংশকে কাটছাঁট করে রবীন্দ্রনাথ 'ছিন্নপত্র' নামে প্রকাশ করেছিলেন। পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অধিকাংশ পাঠক সেটিকেই নিবিড়ভাবে জানেন। কিন্তু সেই বইয়ে স্থান-পাওয়া নানা স্মরণীয় ঘটনা, বর্ণনা, মানুষজন এই বইয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে ধরা দেয়। অনেক লেখার যথার্থ পটভূমিটি চেনা যায়৷ সর্বোপরি, অমন অসামান্য লেখনীর স্বাদ আরও বেশি করে পাওয়া যায়। উদ্ধৃতি দেব না, কারণ তার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং বইটা পড়তে বলব। ওই মহীরুহের বড়ো হওয়ার এই স্তরটিকে ভালোভাবে না জানলে সাহিত্যপ্রেমী হিসেবে অনেক কিছু হারাতে হয়। অলমিতি।
চিঠি গুলো লেখা হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে।তার মধ্যে একটা জায়গার নাম সাজাদপুর/শাহজাদপুর।যা আমার জন্মস্থান।এই জায়গায় থাকাকালে রবি ঠাকুর যে চিঠি গুলো লিখেছেন সে গুলো পড়ার সময় মনে হয়েছে আমার পূর্ব পুরুষদের কথা পরতেছি।মন টা অনেক উৎফুল্ল লাগতেছিল।হয়তো আমার প্রপিতামহ বা প্রপ্রপিতামহ রবি ঠাকুর এর সাথে কথাও বলছেন যখন সে এখানে ছিল।ওয়ও।এছারাও আমার স্কুল অনেক পুরানো।১৮৮২ সালে স্থাপিত।দুইটা চিঠি আছে যেখানে আমার স্কুলের কথাও আছে।এখানে কোন অনুষ্ঠানে এসে রবি ঠাকুর বক্তৃতা দিয়ে গেছেন।এর আগেও জানতাম সে আসছিল আমাদের স্কুলে কিন্তু আজ এইটা তার ই কোন লেখায় পড়ে আরও ভালো লাগতেছে।
আর এই বই পড়ার সময় মনে হইতেছিল যে চিঠির যুগ ই মনে হয় ভালো ছিল। বর্তমানে যে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা হচ্ছে এর অপব্যবহারে মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা মারা জাচ্ছে।প্রিয়জনদের সাথে প্রতিদিন প্রয়োজন ছাড়াও যে পরিমাণ আজাইরা পেচাল পারা হয় এতে কোন আন্তরিকতা আসলেই থাকে না।এর চেয়ে যদি আগের মতো চিঠির জন্য অপেক্ষা করে তাদের কথা জানা যাইত তাহলে কতোটাই না আনন্দ লাগত।
নিঃসন্দেহে আমার সবচেয়ে প্রিয় বই। যখনই সময় পাই, বারবার ফিরে যাই, এক দুই পাতা পড়ি, রাখি, ভাবি এবং অবাক হই। চিন্তাকে খন্ডন করার যে প্রক্রিয়া রবীন্দ্রনাথ আয়ত্তে করেছেন তা ওর এই চিঠিপত্রে একদম স্পষ্ট। রবীন্দ্রনাথকে অন্তত গভীরভাবে বুঝতে হলে এই বই অবশ্য পাঠ্য।