‘গ্রীক মিথোলজি-আদি থেকে অন্ত’
পুরাণকাহিনীর অতল মহাসমুদ্রে ডুবুরির সন্তরণ।
“নিহত জনক আগামেমনন কবরে শায়িত আজ...”
শামসুর রাহমানের এই অনবদ্য কথা মালা যখন পাঠ করি, এই প্রশ্নটা কি মনে গুঞ্জন তোলে না-কে আগামেমনন? কী ঘটেছিলো তার সাথে, যে কবি বঙ্গবন্ধুর সাথে তাকে তুলনীয় মনে করেছেন?
অথবা যখন পড়ি ইলেকট্রার গান- কিংবা মনে ঝঙ্কার তোলে চিরবিদ্রোহী নজরুলের ছন্দ-
“আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী, মহা-সিন্ধু উতলা ঘুম্ঘুম্
ঘুম চুমু দিয়ে করে নিখিল বিশ্বে নিঝ্ঝুম...”
ঠিক তেমনি কৌতুহলটুকু মনে দানা বাঁধে, কে ইলেকট্রা? কে অর্ফিয়াস? বুঝি খুব মাদকতাময় সুরে বাঁশি বাজাতে পারতো অর্ফিয়াস?
জানতাম সব প্রশ্নের উত্তর আছে গ্রীক মিথোলজিতে। কিন্তু এ কি আর সহজ বিষয়! সহজ ভাষায় সহজ কথায় কে আর লিখে রেখেছে এতো সব কৌতুহলের জবাব আমাদের জন্য? একেকটা বিষয়ে একেকটা লেখা পড়ি। তাতে তো মন ভরে না। তাই ‘গ্রীক মিথোলজি- আদি থেকে অন্ত’ বইটির নাম যেদিন দেখলাম, মনে হলো এবার হয়তো পেয়েছি সেই পুরাণ কথার দারুণ দারুণ সব মণি মুক্তার সন্ধান এক মলাটের ভিতরে!
লেখক কে?- এস এম নিয়াজ মাওলা। ফেসবুক ভিত্তিক সাহিত্য সংস্কৃতি বিষয়ক গ্রুপ পেন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা এডমিন। ইতোমধ্যে যাঁর লেখার আকর্ষণী শক্তির সাথে পরিচয়ের সুবাদে নির্দ্বিধায় সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম- এই বইটি পড়তে হবে। তাহলেই সেই ছোট থেকে শুনে আসা দূর দেশী কথাকাহি��ীর নামগুলোর সাথে এবার চাক্ষুস পরিচয়ের সুযোগ হবে।
কিনে নিলাম বইটি, রকমারি ডট কম থেকে। প্রচ্ছদের পৌরাণিক চরিত্রগুলোর দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকতে হয়। ব্যাক কভারের দিকেও। পুরোটা মিলে একটাই চিত্র। এক নজরে দেখে ফেলার মতো নয়। প্রচ্ছদচিত্রই যদি এতো খুঁটিয়ে দেখতে হয়, সমস্ত বইটিতে না জানি কালির অক্ষরে কতো আগ্রহোদ্দীপক কাহিনীর ঠাসবুনোট! বইয়ের আকার আর পৃষ্ঠা সংখ্যাই সে কথা অনেকটা বলে দেয়। গ্রন্থসহায়িকা বাদে মোট ৬২৯ পৃষ্ঠার বই! এ যেন এক স্বর্ণখনি!
বলে রাখি, পুরো বইটিতেই এমন অসংখ্য চিত্তাকর্ষক ছবি আছে। সারা পৃথিবীর বিখ্যাত চিত্রশিল্পীরা গ্রীক মিথোলজির যে সব কাহিনী ফুটিয়ে তুলেছেন রংতুলির আঁচড়ে, সেই সব চিত্রকর্মের ছবি রয়েছে বইটির পাতায় পাতায়। আছে ভাস্কর্যের ছবিও। কয় শত ছবি আছে গুণে দেখার চেষ্টাও করি নি। সাদাকালো না হয়ে ছবিগুলো রঙিন হলে একটা দুর্দান্ত ব্যাপার হতো, কিন্তু তখন বইয়ের দামটিও আমার মতো সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যেতো। তাই এ নিয়ে তেমন দুঃখ করছি না।
বইটির প্রকাশক এ সময়ের সাহসী প্রকাশনী জাগৃতি, যে জাগৃতি জঙ্গিবাদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে চলমান রেখেছে তার অগ্রযাত্রা; পাশে দাঁড়াচ্ছে নবীন লেখকদের। আর সোনায় সোহাগা হয়ে চমৎকার শব্দগুচ্ছে বইটির সুখপাঠ্য মুখবন্ধ লিখেছেন বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় কথাশিল্পী মাহরীন ফেরদৌস।
আগ্রহের সাথে পড়া শুরু করেছি তাড়াতাড়ি। কী কী আছে এই এক মলাটের ভিতরে? কী নেই সে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে হয়তো লেখা সহজ হতো। কিন্তু যেহেতু আমি এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নই, তাই বলতে পারছি না কিছু বাদ গিয়েছে কি না এতো বিশাল গ্রন্থ লেখার পরেও। তাই কী আছে সেদিকেই একটু চোখ বুলাই।
প্রথমেই এক সুবিন্যস্ত ভূমিকা। মিথের সংজ্ঞা, রকমফের, মিথের উৎস বর্ণনা। দেখছি, অনেক উৎস রয়েছে। জানতে পারলাম গ্রীক মিথের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসাবে মহাকবি হোমার, হেসিয়ড, গীতি কবি পিন্ডার, ঐতিহাসিক হেরোডটাস, রোমান কবি ভার্জিল, ওভিদ প্রমুখের নাম।
মূল বইটিতে কোন্ কোন্ বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে, একটু গুছিয়েই নজর দেওয়া যাক।
সৃষ্টিতত্ত্বঃ
বইটি শুরু হয়েছে গ্রীক পূরাণে বর্ণিত সৃষ্টিতত্ত্ব দিয়ে। পৃথিবী সৃষ্টির আদিকথা নিয়ে নানা মুনির নানা মত এবং সেসব কাহিনী পাওয়া যাওয়ার উৎসও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। গায়া, টাইটান যুগের সূচনা, সাইক্লোপ, সেন্টরের জন্ম, জিউস, প্রমিথিউস প্রভৃতি দেবতাদের পর ক্রমান্বয়ে মানুষের সৃষ্টি, মানুষের জন্য প্রমিথিউসের স্বর্গ থেকে আগুন চুরি, পৃথিবীর প্রথম মানবী প্যান্ডোরার কাহিনী, ডিওক্যালিয়নের প্লাবন ... শুরু থেকেই এমন সব চমকপ্রদ বর্ণনা।
বই থেকেঃ
“...প্রমিথিউস অনেক চিন্তা ভাবনা করে, অসম্ভব যত্নে, প্রচন্ড আবেগ দিয়ে এক দলা মাটি নিয়ে মানুষ তৈরী করতে লাগলেন। প্রমিথিউস মানুষকে দেবতাদের মতো আকৃতি দিলেন, মানুষকে সোজা হয়ে দাঁড়াবার ক্ষমতা দিলেন আর দিলেন আকাশের দিকে তাকানোর সামর্থ্য। ...
... মানুষ তৈরী করার পর প্রমিথিউস দেখলেন, তাঁর ভাই এপিমেথিয়াস জিউসের দেওয়া সব উপহার অন্যান্য পশু পাখিকে দিয়ে শেষ করে ফেলেছেন, এবং মানুষকে দেবার জন্য অবশিষ্ট আর কিছু নেই। যেখানে, অন্যান্য পশু পাখি শক্তিমত্তা, দ্রুততা, শক্ত খোলস, গরম পালকসহ অনেক কিছুই পেয়েছে, সেখানে মানুষ ছিলো নগ্ন, ছিলো দুর্বল, ছিলো অনিরাপদ।” (পৃষ্ঠা ৫৩)
এরপর প্রমিথিউস প্রিয় মানুষের জন্য আগুন চুরি করেছিলেন স্বর্গ থেকে। সে এক চমকপ্রদ কাহিনী।
দেবতাদের গল্পঃ
দ্বিতীয় অধ্যায়ে গ্রীক মিথোলজিতে যত ছোট বড় দেবতার সন্ধান পাওয়া যায় সবাইকেই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় আমাদের সাথে। আছেন জিউস, এথেনা, হেরা, আর্টেমিস, এপোলো, হার্মিস, আফ্রোদিতি, পসাইডেন , দেবতা প্যান, ডায়োনিসাস এবং আরো অনেক অনেক দেব-দেবী। তাদের বংশধারা, জীবনের সুখদুঃখ, যুদ্ধ -ষড়যন্ত্র, প্রেম ভালবাসা, হিংসা-বিবাদ, বিয়ে এমনকি পরকীয়া - যেন দেবকূলের মানবিক উপাখ্যান সাজানো ২৩৩ পৃষ্ঠার বিশাল কলেবর জুড়ে। আর লেখকের ভাষা সব প্রসঙ্গেই সমান প্রাঞ্জল, কোথাও হোঁচট খেতে হয় না।
বই থেকেঃ
“ইকো ছিলেন বনের একজন নিম্ফ। তার বসবাস ছিলো বোয়েশিয়ার সিথায়েরোন পাহাড়ে। দেবতা জিউস এইসব বনের অনেক নিম্ফের সাথে মিলিত হতে আসতেন। কিন্তু দেবী হেরা যাতে ব্যাপারটি বুঝতে না পারে অথবা বুঝতে পারলেও নিম্ফটি যাতে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, সেজন্য জিউস নিম্ফ ইকোর সাহায্য নিতেন। ...... হেরা পাহাড়ের কাছে এলেই ইকো তার সাথে অবিরাম বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতেন। এই সুযোগে জিউসের সাথে মিলনরত নিম্ফটি বা জিউস নিজেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেতেন। একদিন হেরা ইকোর অবিরাম কথা বলার রহস্য বুঝে ফেললেন। ক্ষুব্ধ হয়ে তখন অভিশাপ দিলেন, অন্যের কথার প্রতিধ্বনি করা ছাড়া ইকো নিজের জিহবা ব্যবহার করতে পারবেন না।” (পৃষ্ঠা ২৭৪)
আমরা জানি ইকো মানে প্রতিধ্বনি, কথাটা তাহলে এসেছে এই পুরাণ কাহিনী থেকেই!
স্থানীয় মিথঃ
সম্ভবত গ্রীসের স্থানীয় বিভিন্ন চারণ কবিদের রচিত স্তবগাঁথায় পাওয়া মিথগুলো এখানে বর্ণনা করা হয়েছে। আছে হেলেনের বংশধরদের কথা, এলিস ও ক্যালিডোনের পুরাণ, আটলান্টা, আর্গসের কিংবদন্তী, গ্রীক বীর পার্সিউসের কথা, মেডুসা বধ, মিনোসের গল্পগাঁথা, ক্যাট্রেয়াসের গল্প; এখানেই পাই আগামেমননকে। আছে আর্গো জাহাজে অভিযানের কাহিনী, ইউরোপা অপহরণ, ঈডিপাসের করুণ কাহিনী...আরো অনেক অনেক আকর্ষণীয় পুরাণ গাঁথা এই অধ্যায়ের ২০৪টি পৃষ্ঠা ভরে রয়েছে আমাদের কৌতুহল মেটানোর জন্য। একবার পড়ে মনেও রাখা সম্ভব নয় এতো কাহিনী।
ট্রোজান যুদ্ধঃ
বিখ্যাত বা কুখ্যাত ট্রয় যুদ্ধের কথা কে না জানে। ছোটবেলায় বইয়ে দেখেছিলাম বিশাল কাঠের ঘোড়ার ছবি,যার পেটের মধ্যে লুকিয়ে ছিলো গ্রীক সৈন্যরা। কী রোমাঞ্চকর মনে হতো সেই সব বীরদের সাহসিকতার গল্প।এই অধ্যায়ে আছে সেই ট্রয় যুদ্ধের জানা-অজানা কাহিনী। পদস্খলনের গল্প, এক সমৃদ্ধ নগরের পতনের বেদনাগাঁথা। মানুষের বিরুদ্ধে দেবতাদের ষড়যন্ত্রের নিষ্ঠুর ইতিহাস। ট্রয় নগরী,হেলেন,প্যারিস,আপেল অব ডিসকর্ড,জাজমেন্ট অব প্যারিস, ট্রয় যুদ্ধের কারণ,গ্রীস বাহিনীর যাত্রা শুরুর কাহিনী,মেনেলাউসের সাথে প্যারিসের দ্বন্দ্ব যুদ্ধ, বীর হেক্টর, জিউসের হস্তক্ষেপ,ট্রয়ের পতন,প্যারিসের মৃত্যু… সেই পৌরাণিক ইতিবৃত্তের আরো অনেক খুঁটিনাটি সুলতিত ভাষায় বর্ণনা করেছেন লেখক বইয়ের এই শেষ অধ্যায়ে।
বই থেকেঃ
“... প্যারিস তখন ইডা পাহাড়ের সবচেয়ে উঁচু চূড়া গারগারাসে গরুর পাল চড়াচ্ছিলেন। এমন সময়ে হার্মিস দেবী হেরা, এথেনা এবং আফ্রোদিতিকে নিয়ে তাঁর সামনে আসেন। হার্মিস প্যারিসকে সোনালী আপেলটি দিয়ে জিউসের বার্তা শোনালেন, ‘প্যারিস, তুমি যেহেতু সুদর্শন একজন পুরুষ এবং হৃদয়ের ব্যাপারে তুমি খুবই বুদ্ধিমান, তাই মহান জিউস আদেশ দিয়েছেন-এই তিনজন দেবীর মধ্যে যিনি সবচেয়ে সুন্দরী, তাঁকেই এই আপেলটি দাও!’
ইতস্ততভাবে আপেলটি নিয়ে প্যারিস বললেন, ‘কীভাবে একজন সাধারণ রাখাল এই স্বর্গীয় দেবীদের সৌন্দর্য্য নিরুপণ করবে?’ উত্তেজিত ভঙ্গিতে প্যারিস বলে চললেন, ‘আমি বরঞ্চ আপেলটিকে কেটে তিন ভাগ করে দেই!’ (পৃষ্ঠা ৫২৮)
এর পর প্যারিস কাকে বেছে নিয়েছিলেন আর এই সুন্দরী নির্বাচন কিভাবে পরবর্তীতে ট্রোজান যুদ্ধে ভূমিকা রেখেছিলো, সে সবই বইতেই পাবেন।
আগেই বলেছি, এ বই এক মহাসমুদ্রের মতো মণি মুক্তার আকর। অল্প কথায় সব বিষয়ের উল্লেখ করাও সম্ভব না। বইটির শুধু সূচীপত্রই আছে সোয়া সতেরো পৃষ���ঠা জুড়ে। গ্রীক মিথোলজির সমস্ত অলিগলি ঘুরে লেখক তুলে এনেছেন কখনো রোমাঞ্চকর, কখনো হাস্যরসাত্মক, কোথাও বিষাদে ভরপুর কোথাও বা দেবতার পশুপ্রবৃত্তিতে অ-সমীহ উদ্রেক করা সব কাহিনী।
একটি ব্যাপার বেশ কৌতুককর মনে হলো। মানুষের চেয়ে মিথের দেব দেবীরা দেখছি কোনো অংশেই উন্নত ছিলো না। তারা অনেকেই প্রতিহিংসাপরায়ণ, ইন্দ্রিয়পরায়ণ। তাদের কিছু শক্তি বা ক্ষমতা ছিলো, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যা ব্যবহার করা হয়েছে স্থান বা ক্ষমতা দখলে, স্বার্থ উদ্ধারে বা সংকীর্ণ মনোবাসনা পূরণে, অপরকে হেয় করে নিজের গৌরব বাড়াতে। আর পরের বৌ বা বরকে প্রলুব্ধ করে নিজের কোলে টানা অথবা জোর করে কাউকে শয্যাসঙ্গী করার দৌড়ে তো দেবতারা একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। দয়া দাক্ষিণ্য বা মহত্বের কাহিনীও যে নেই তা নয়, তবে সব মিলিয়ে দেবতাদের যে চেহারা ভেসে উঠেছে নয়নপটে তা দোষে গুণে মেশা চিরচেনা মানুষেরই অবয়ব। বরং মনে হয়েছে, মানুষই সেরা! আর তখনই মনে হয় , বইয়ের নামের নিচে লেখক বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে হেসিয়ডের যে উদ্ধৃতি দিয়েছেন সেটাই বাস্তব, সেটাই সারসত্য- ‘দেবতারা বিশ্ব-ব্রক্ষ্মান্ড সৃষ্টি করেন নি, বরং বিশ্ব-ব্রক্ষ্মান্ডই দেবতাদের সৃষ্টি করেছে।’
অল্প কিছু মুদ্রণ বিভ্রাট আছে। নিশ্চয়ই পরবর্তীতে তা সংশোধন করে নেওয়া হবে। তবে একটা ব্যাপার আমার কাছে বেখাপ্পা লেগেছে। বইটির সব কিছুই বাংলায়, শুধু সূচীপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যাগুলো কেন রোমান হরফে! চোখে লাগলো যেন। লেখকের কাছে অনুরোধ রইলো পরবর্তী সংস্করণের সময় এই বেমানান বিষয়টা নিয়ে আরেকবার ভেবে দেখার।
আচ্ছা ভালো কথা, বইটির মুদ্রিত মূল্য ৮০০/- টাকা। আমি রকমারি থেকে কিনেছি ৬৮০/- টাকায়।
সবশেষে আবারো বলি, ‘গ্রীক মিথোলজি-আদি থেকে অন্ত’ বইটি আমার খুব ভালো লেগেছে। যাদের পুরাণ কাহিনী বা মিথোলজিতে আগ্রহ আছে, নির্দ্বিধায় বইটি কিনে পড়তে পারেন। শুধু পড়ার নয়, সংগ্রহে রাখার মতও একটি বই এটি। লেখক এস এম নিয়াজ মাওলা-কে ধন্যবাদ এই বিশাল পরিশ্রমটি করবার জন্য। প্রকাশককেও ধন্যবাদ, তিনি নিজেই এই বিপুল কলেবরের বইটি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। লেখক-প্রকাশকের এই যুগলবন্দি ছাড়া এতো চমৎকার ভাবে তো মনের তৃষ্ণা মিটতো না পাঠকের।
এক নজরেঃ
বইয়ের নামঃ গ্রীক মিথোলজি -আদি থেকে অন্ত
লেখকঃ এস এম নিয়াজ মাওলা
প্রকাশকঃ জাগৃতি প্রকাশনী
প্রচ্ছদঃ সব্যসাচী হাজরা
প্রথম প্রকাশঃ অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭
ধরনঃ হার্ড বাইন্ডিং
কাগজঃ অফসেট
পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ৬৩১
মূল্যঃ ৬৮০/-(রকমারি)