Jump to ratings and reviews
Rate this book

রাণী ভবানী

Rate this book
রানী ভবাণীর (বইয়ের মূল বানান হল রাণী ভবানী) ইতিহাস।

স্বামী রামকান্ত ইহলোক ত্যাগ করার পর অধিকার বলে রাণী ভবাণী স্বামীর জমিদারী প্রাপ্ত হন । তখনকার দিনে জমিদার হিসাবে একজন মহিলা অত্যন্ত বিরল ছিলেন।

তার রাজত্বকালে জমিদারী বর্তমান রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, কুস্টিয়া, যশোর , রংপুর এবং ভারতের পশ্চিমবংগের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম , মালদহ পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। এজন্য তাকে অর্ধবংগেশ্বরী বলা হতো।

140 pages, Hardcover

First published January 1, 1898

1 person is currently reading
14 people want to read

About the author

Akshay Kumar Maitreya

4 books3 followers
Akshay Kumar Maitreya (Bengali: অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়) was a noted Indian historian and social worker from Bengal. He was born in Nadia (now in West Bengal) to Mathuranath Maitreya. Much of his education was in Kolkata and Rajshahi (in Bangladesh). He passed his B.L. examination from Rajshahi College. He was a friend of Rabindranath Tagore, but famously engaged with him in an argument about whether history based fiction should necessarily represent historical facts correctly. Maitreya, being a historian, called for historical correctitude, while Tagore declared that an artist has freedom to bend historical facts.

Maitreya was instrumental in creating the Varendra Research Museum, Rajshahi. He was also credited for disproving the Black Hole of Calcutta theory used by the colonial British to discredit Siraj Ud Daulah in a seminar organized by the Calcutta Historical Society on 24 March 1916. His most significant work is Gaudalekhamala. It consists the Sanskrit texts (along with their translations in Bengali) of a number of stone and copper-plate inscriptions issued by the Pala emperors.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (33%)
3 stars
1 (33%)
2 stars
1 (33%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 of 1 review
Profile Image for Sohan.
274 reviews74 followers
January 26, 2021
যে দেশে ইতিহাসের সমাদর নেই, সে দেশে জনশ্রুতিই একমাত্র সম্বল - (লেখক)
এই উক্তি দিয়ে কেন শুরু করলাম তা ক্রমশ প্রকাশ্য।


অনেকদিন আগে একদল 'মানুষের' সাথে নাটোর ভ্রমণে গিয়েছিলাম। বর্তমানে যা উত্তরা গণভবন নামে পরিচিত সেটাকে রানী ভবানীর প্রাসাদ বা রাজমহল ধরে নিয়ে চলে এসেছিলাম। কিছুদিন আগে নাটোরের ইতিহাস পড়তে গিয়ে মনে হল অতীতের ঘোরাঘুরি পুরোটাই বৃথা। নাটোরের ইতিহাস থেকে জানা যায়, উত্তরা গনভবণ ছিল রানী ভবানীর মন্ত্রী দয়ারাম রায় মহাশয়ের প্রাসাদ ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত দিঘাপতিয়া রাজমহল। নাটোর রাজবাড়ি বলতে আমরা যেটাকে চিনি সেখানেও রানী ভবানীর কীর্তি এখন সেরকম নেই বললেই চলে। যে প্রাসাদগুলো আছে তা সবই আধুনিক অর্থাৎ রানীর পরবর্তী বংশধরদের নির্মাণ। ১৮৯৭ সালের ১২ই জুন তারিখে এক ভয়ঙ্কর ভুমিকম্পের ফলে তাঁর নির্মিত মন্দির ও অন্যান্য স্থাপত্য ধ্বংস হয়ে যায়।
এখনো সেখানে একটি মন্দিরের ধ্বংসস্তূপ দেখতে পাওয়া যায়। তবে কীর্তি নেই একথা বললে ভুল হবে, তাঁর নির্মিত জনহিতকর বহু সরোবর, দীঘি, মন্দির, আশ্রম ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় আজও আছে।

নাটোরের ইতিহাস পড়তে গিয়ে অনেক রকম তথ্য বেরিয়ে আসে। সেরকম একটি তথ্য হল রানী ভবানীর সাথে নবাব সিরাজদ্দৌলার সংঘাত। সেই সংঘাতের প্রকৃত তথ্য বের করার জন্যই আমার অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় মহাশয়ের রচনা খুঁজে ফেরা। দিব্য প্রকাশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, এরকম বই মুদ্রন করার জন্য।

জনশ্রুতি অনুযায়ী, রানী ভবানীর অলৌকিক সুন্দরী কন্যা তারাসুন্দরি ঠাকুরঝি'র দিকে কু'নজর দেন নবাব মহাশয়, সেই নবাবের কু'নজর থেকে বাঁচতে বড় নগর (মুর্শিদাবাদ) থেকে পালিয়ে আসেন। এই হল জনশ্রুতি।

এই জনশ্রুতি কতটুকু ইতিহাস সমাদৃত সেইটা খুঁজে বের করার জন্যই এই বইখানা পড়া!
Displaying 1 of 1 review