What do you think?


চাঁদের উপত্যকা
Collection of two adventure novellas
১০৫ বছর পর আবার ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্কর ফিরছে দ্বৈত অভিযানে। নিয়তির অমোঘ চাল। কেচুয়া উপকথায় ঝিঁকিয়ে ওঠে রাজা আতাহুয়াল্প-র গুপ্তধন। শঙ্কর কি পারবে সেই সম্পদ উদ্ধার করতে?
দ্বিতীয় অভিযানে তুষারমন্দ্র সাইবেরিয়ায় জীবনের কঠিনতম প্রতিপক্ষ রোসোমাখ-এর মুখোমুখি শঙ্কর। চেপে বসছে শ্বাসরোধকারী রহস্যের ফাঁস। তারপর ...?
সূচি -
চাঁদের উপত্যকা
রাজহংসীর সরোবর
১০৫ বছর পর আবার ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্কর ফিরছে দ্বৈত অভিযানে। নিয়তির অমোঘ চাল। কেচুয়া উপকথায় ঝিঁকিয়ে ওঠে রাজা আতাহুয়াল্প-র গুপ্তধন। শঙ্কর কি পারবে সেই সম্পদ উদ্ধার করতে?
দ্বিতীয় অভিযানে তুষারমন্দ্র সাইবেরিয়ায় জীবনের কঠিনতম প্রতিপক্ষ রোসোমাখ-এর মুখোমুখি শঙ্কর। চেপে বসছে শ্বাসরোধকারী রহস্যের ফাঁস। তারপর ...?
সূচি -
চাঁদের উপত্যকা
রাজহংসীর সরোবর
160 pages, Hardcover
First published January 26, 2017
About the author
Partha De
16 books2 followersপার্থ দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োকেমিস্ট্রিতে স্নাতকোত্তর। পেশাগতভাবে রাজ্য সরকারি আধিকারিক। বই পড়ার নেশা বাল্যকাল থেকে। সব ধরণের বইয়ে রুচি থাকলেও থ্রিলার ও কল্পবিজ্ঞানের বিশেষ ভক্ত। নিজের লেখালিখির শুরু ২০০৭-০৮ সাল থেকে। বিভিন্ন নামী-অনামী পত্রপত্রিকায় লিখেছেন। মৌলিক লেখার পাশাপাশি ইংরেজি ন্যাশনাল বেস্টসেলার তিনটি বইয়ের অনুবাদও করেছেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
February 1, 2017
বাংলায় অ্যাডভেঞ্চার সাহিত্যের সূত্রপাত কোন লেখার মাধ্যমে?
গবেষক ও সাহিত্যসেবী শ্রী সৌরভ দত্তের থেকে আহৃত তথ্যের ভিত্তিতে বলা চলে যে “মৌচাক” পত্রিকায় ১৩৩০-১৩৩১ জুড়ে প্রকাশিত হেমেন্দ্রকুমার রায়ের লেখা “যখের ধন”-এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে রোমাঞ্চকর অভিযানের পথচলা শুরু হয়। এরপর “মৌচাক”-এই ১৩৩৮-৩৯-এ প্রকাশিত হয় “আবার যখের ধন”, এবং বাংলার শ্যামলিমা থেকে পাঠক উৎক্ষিপ্ত হন আফ্রিকার গহনতম অরণ্যের মাঝে!
বিমল ও কুমার জুটির সঙ্গে দেশে-বিদেশে, মায় অন্য গ্রহেও এরপর পাড়ি দিয়েছেন বাঙালি পাঠক। কিন্তু “মৌচাক” পত্রিকার পাতাতেই ১৩৪২-৪৩-এ প্রকাশিত যে উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে রোমাঞ্চ আর রোমান্সের এক অনন্য মেলবন্ধন উপহার দেয়, তা হল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর “চাঁদের পাহাড়”! শুধু কাহিনির টানেই নয়, বইটি আপামর পাঠকের কাছে জনপ্রিয় তার মুখ্য চরিত্র শঙ্করের জন্যও, যার মতো সরল, সাহসী, সৎ, সহানুভূতিশীল, অথচ ঘরোয়া চরিত্র নক্ষত্রখচিত সাহিত্যাকাশেও নিতান্ত বিরল।
সত্যি করে বলুন তো, “চাঁদের পাহাড়” পড়ার পর একটি বারের জন্যেও কি আপনার এই ভেবে আক্ষেপ হয়নি যে, শঙ্করের মতো এক অদ্বিতীয় চরিত্রকে নিয়ে বিভূতিভূষণ আর কোনো কাহিনি লেখেননি কেন?
২০১৫-র মে মাসে ‘তথ্যকেন্দ্র’ পত্রিকা তাদের পূজাবার্ষিকী ‘শারদাঞ্জলি ১৪২২’-এর জন্য “চাঁদের পাহাড়”-এর সিকুয়েল অণু উপন্যাস আহ্বান করে। সুলেখক পার্থ দে-র লেখা “চাঁদের উপত্যকা” লেখা ও উক্ত শারদীয়ায় প্রকাশিত হয় সেই ডাকে সাড়া দিয়েই। শঙ্করের মতো চরিত্রকে নিয়ে নতুন লেখার সাহস বা দুঃসাহস দেখানো কতটা যৌক্তিক এই নিয়ে বিবাদ চলবেই, তবে আমাদের সৌভাগ্য যে সেই দশচক্রে লেখাটি ভূতায়িত হয়নি। বরং লেখাটি বই হিসেবে দু’মলাটের মধ্যে আসার সময় লেখক আরো একটি অণু উপন্যাস সংযোজন করেন, তাই আলোচ্য বইয়ে আমরা পড়তে পাই ইতিপূর্বে অপ্রকাশিত “রাজহংসীর সরোবর”-টিও।
কেমন লাগল বইটা?
মূল উপন্যাসে রামেশ্বর মুখুজ্জের জামাই প্রসাদদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি এবং পরিচয় শঙ্করের জীবনের গতিপথ আমূল বদলে দিয়েছিল। সুদীপ্ত দত্ত-র প্রচ্ছদ, এবং প্রতিভাস-এর সযত্ন মুদ্রণে শোভিত এই বইয়ে থাকা দুটি কাহিনিতেই নিয়ামকের ভূমিকা নিয়েছেন প্রসাদদাস।
“চাঁদের উপত্যকা” উপন্যাসে শঙ্কর ব্রাজিলে রবার চাষের ব্যবসায় তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগ দিতে রওনা দেয়। পথে বেশ কিছু বিপদের সম্মুখীন হয়ে, এবং রহস্যময় কিছু চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত হয়ে সে শেষ অবধি মানাউস শহরে নিজের কাজে যোগ দেয়। কিন্তু খুব শিগগিরি শঙ্কর বুঝতে পারে যে তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে অন্য একটি কারণে।
তারপর কী হল?
রাজা আতাহুয়ালপাকে ফ্রান্সিসকো পিৎজারোর হাত থেকে মুক্ত করার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে ইনকাদের জমানো বিপুল সম্পদ যে চাঁদের উপত্যকায় লুকোনো আছে, সেখানে কি পৌঁছতে পারল শঙ্কর?
এই নাতিদীর্ঘ এবং দ্রুতগতি উপন্যাসটি পড়তে ভালোই লাগে, তবে মূল উপন্যাসে শঙ্কর চরিত্রটি যত সরল অথচ সজীব হয়ে ফুটে উঠেছিল, এখানে তা হয়নি। তাছাড়া পর্তুগিজ শব্দ ও তার বাংলা অর্থের ঘন-ঘন অনুপ্রবেশ গল্পটিতে স্থানীয় স্বাদ ও গন্ধ আনার বদলে গতিরোধক হিসেবেই কাজ করেছে। সর্বোপরি, গল্পের মূল প্রস্তাব, অর্থাৎ রহস্যময় ম্যাপের পাঠোদ্ধারে শঙ্করের দক্ষতার জন্য তার ওপর নির্ভর করার ব্যাপারটা পুরো আজগুবি, কারণ “চাঁদের পাহাড়”-এই স্পষ্ট যে রেইন ফরেস্টে ঘোরার জন্য অত্যাবশ্যক বুশ-ক্র্যাফট কিছুটা জানলেও কার্টোগ্রাফি বা দুর্বোধ্য সঙ্কেতবাহী ম্যাপের বিশ্লেষণ কোনোকালেই তার করায়ত্ত ছিলনা। তবে এটুকু ‘চোনা’ বাদ দিলে লেখাটা ভালো হয়েছে।
এরপর এল “রাজহংসীর সরোবর”।
এতে ব্যাপার আরো সাংঘাতিক, কারণ শঙ্কর নামের একটি সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ, যে আবার প্রায় জেমস বন্ডের বাঙালি সংস্করণ, -কে দিয়ে এখানে জারের রাশিয়ায় দস্তুরমতো অভিযান চালানো হয়েছে, যাতে মিশেছে পলিটিক্যাল থ্রিলার, বিজ্ঞান, ইতিহাস, এবং (সম্ভবত) রোমান্স। সম্পূর্ণ গাঁজাখুরি, “চাঁদের পাহাড়”-এর শঙ্করের শ্রাদ্ধ করা, অথচ হাল-ফ্যাশনের থ্রিলারের ব্যাকরণ মেনে বিনোদনের ভরপুর প্যাকেজ হিসেবে নির্মিত এই লেখাটি পড়লে বিভূতিভূষণ অপার বিস্ময়ে কোথায় হারিয়ে যেতেন তা জানিনা, তবে লেখাটা পড়তে বেশ লেগেছে। হ্যাঁ, সরস্বতী পুজোর ভোগের খিচুড়ি আশা করেছিলাম বলে মাথা গরম হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ঝালনুন দেওয়া জলপাই হিসেবে লেখাটা খাসা হয়েছে।
তাই সুধী পাঠকবৃন্দ, এই বইটি হাতে নিয়ে দয়া করে আরেকটি “চাঁদের পাহাড়” আশা করবেন না। বরং খোলা মনে বইটা পড়ুন দুটি দ্রুতগতি অ্যাডভেঞ্চার তথা অ্যাকশন থ্রিলার (অণু) পড়ার জন্য। কথা দিচ্ছি, হতাশ হবেন না।
শঙ্কর বা প্রসাদদাস-কে বাদ দিয়ে লেখক তাঁর মতো করে এরপর যে গতিময় থ্রিলারটি পেশ করবেন, এখন থেকেই তার জন্যে সাগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম।
গবেষক ও সাহিত্যসেবী শ্রী সৌরভ দত্তের থেকে আহৃত তথ্যের ভিত্তিতে বলা চলে যে “মৌচাক” পত্রিকায় ১৩৩০-১৩৩১ জুড়ে প্রকাশিত হেমেন্দ্রকুমার রায়ের লেখা “যখের ধন”-এর মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে রোমাঞ্চকর অভিযানের পথচলা শুরু হয়। এরপর “মৌচাক”-এই ১৩৩৮-৩৯-এ প্রকাশিত হয় “আবার যখের ধন”, এবং বাংলার শ্যামলিমা থেকে পাঠক উৎক্ষিপ্ত হন আফ্রিকার গহনতম অরণ্যের মাঝে!
বিমল ও কুমার জুটির সঙ্গে দেশে-বিদেশে, মায় অন্য গ্রহেও এরপর পাড়ি দিয়েছেন বাঙালি পাঠক। কিন্তু “মৌচাক” পত্রিকার পাতাতেই ১৩৪২-৪৩-এ প্রকাশিত যে উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে রোমাঞ্চ আর রোমান্সের এক অনন্য মেলবন্ধন উপহার দেয়, তা হল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর “চাঁদের পাহাড়”! শুধু কাহিনির টানেই নয়, বইটি আপামর পাঠকের কাছে জনপ্রিয় তার মুখ্য চরিত্র শঙ্করের জন্যও, যার মতো সরল, সাহসী, সৎ, সহানুভূতিশীল, অথচ ঘরোয়া চরিত্র নক্ষত্রখচিত সাহিত্যাকাশেও নিতান্ত বিরল।
সত্যি করে বলুন তো, “চাঁদের পাহাড়” পড়ার পর একটি বারের জন্যেও কি আপনার এই ভেবে আক্ষেপ হয়নি যে, শঙ্করের মতো এক অদ্বিতীয় চরিত্রকে নিয়ে বিভূতিভূষণ আর কোনো কাহিনি লেখেননি কেন?
২০১৫-র মে মাসে ‘তথ্যকেন্দ্র’ পত্রিকা তাদের পূজাবার্ষিকী ‘শারদাঞ্জলি ১৪২২’-এর জন্য “চাঁদের পাহাড়”-এর সিকুয়েল অণু উপন্যাস আহ্বান করে। সুলেখক পার্থ দে-র লেখা “চাঁদের উপত্যকা” লেখা ও উক্ত শারদীয়ায় প্রকাশিত হয় সেই ডাকে সাড়া দিয়েই। শঙ্করের মতো চরিত্রকে নিয়ে নতুন লেখার সাহস বা দুঃসাহস দেখানো কতটা যৌক্তিক এই নিয়ে বিবাদ চলবেই, তবে আমাদের সৌভাগ্য যে সেই দশচক্রে লেখাটি ভূতায়িত হয়নি। বরং লেখাটি বই হিসেবে দু’মলাটের মধ্যে আসার সময় লেখক আরো একটি অণু উপন্যাস সংযোজন করেন, তাই আলোচ্য বইয়ে আমরা পড়তে পাই ইতিপূর্বে অপ্রকাশিত “রাজহংসীর সরোবর”-টিও।
কেমন লাগল বইটা?
মূল উপন্যাসে রামেশ্বর মুখুজ্জের জামাই প্রসাদদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি এবং পরিচয় শঙ্করের জীবনের গতিপথ আমূল বদলে দিয়েছিল। সুদীপ্ত দত্ত-র প্রচ্ছদ, এবং প্রতিভাস-এর সযত্ন মুদ্রণে শোভিত এই বইয়ে থাকা দুটি কাহিনিতেই নিয়ামকের ভূমিকা নিয়েছেন প্রসাদদাস।
“চাঁদের উপত্যকা” উপন্যাসে শঙ্কর ব্রাজিলে রবার চাষের ব্যবসায় তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে যোগ দিতে রওনা দেয়। পথে বেশ কিছু বিপদের সম্মুখীন হয়ে, এবং রহস্যময় কিছু চরিত্রের সঙ্গে পরিচিত হয়ে সে শেষ অবধি মানাউস শহরে নিজের কাজে যোগ দেয়। কিন্তু খুব শিগগিরি শঙ্কর বুঝতে পারে যে তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে অন্য একটি কারণে।
তারপর কী হল?
রাজা আতাহুয়ালপাকে ফ্রান্সিসকো পিৎজারোর হাত থেকে মুক্ত করার জন্য মুক্তিপণ হিসেবে ইনকাদের জমানো বিপুল সম্পদ যে চাঁদের উপত্যকায় লুকোনো আছে, সেখানে কি পৌঁছতে পারল শঙ্কর?
এই নাতিদীর্ঘ এবং দ্রুতগতি উপন্যাসটি পড়তে ভালোই লাগে, তবে মূল উপন্যাসে শঙ্কর চরিত্রটি যত সরল অথচ সজীব হয়ে ফুটে উঠেছিল, এখানে তা হয়নি। তাছাড়া পর্তুগিজ শব্দ ও তার বাংলা অর্থের ঘন-ঘন অনুপ্রবেশ গল্পটিতে স্থানীয় স্বাদ ও গন্ধ আনার বদলে গতিরোধক হিসেবেই কাজ করেছে। সর্বোপরি, গল্পের মূল প্রস্তাব, অর্থাৎ রহস্যময় ম্যাপের পাঠোদ্ধারে শঙ্করের দক্ষতার জন্য তার ওপর নির্ভর করার ব্যাপারটা পুরো আজগুবি, কারণ “চাঁদের পাহাড়”-এই স্পষ্ট যে রেইন ফরেস্টে ঘোরার জন্য অত্যাবশ্যক বুশ-ক্র্যাফট কিছুটা জানলেও কার্টোগ্রাফি বা দুর্বোধ্য সঙ্কেতবাহী ম্যাপের বিশ্লেষণ কোনোকালেই তার করায়ত্ত ছিলনা। তবে এটুকু ‘চোনা’ বাদ দিলে লেখাটা ভালো হয়েছে।
এরপর এল “রাজহংসীর সরোবর”।
এতে ব্যাপার আরো সাংঘাতিক, কারণ শঙ্কর নামের একটি সম্পূর্ণ অচেনা মানুষ, যে আবার প্রায় জেমস বন্ডের বাঙালি সংস্করণ, -কে দিয়ে এখানে জারের রাশিয়ায় দস্তুরমতো অভিযান চালানো হয়েছে, যাতে মিশেছে পলিটিক্যাল থ্রিলার, বিজ্ঞান, ইতিহাস, এবং (সম্ভবত) রোমান্স। সম্পূর্ণ গাঁজাখুরি, “চাঁদের পাহাড়”-এর শঙ্করের শ্রাদ্ধ করা, অথচ হাল-ফ্যাশনের থ্রিলারের ব্যাকরণ মেনে বিনোদনের ভরপুর প্যাকেজ হিসেবে নির্মিত এই লেখাটি পড়লে বিভূতিভূষণ অপার বিস্ময়ে কোথায় হারিয়ে যেতেন তা জানিনা, তবে লেখাটা পড়তে বেশ লেগেছে। হ্যাঁ, সরস্বতী পুজোর ভোগের খিচুড়ি আশা করেছিলাম বলে মাথা গরম হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ঝালনুন দেওয়া জলপাই হিসেবে লেখাটা খাসা হয়েছে।
তাই সুধী পাঠকবৃন্দ, এই বইটি হাতে নিয়ে দয়া করে আরেকটি “চাঁদের পাহাড়” আশা করবেন না। বরং খোলা মনে বইটা পড়ুন দুটি দ্রুতগতি অ্যাডভেঞ্চার তথা অ্যাকশন থ্রিলার (অণু) পড়ার জন্য। কথা দিচ্ছি, হতাশ হবেন না।
শঙ্কর বা প্রসাদদাস-কে বাদ দিয়ে লেখক তাঁর মতো করে এরপর যে গতিময় থ্রিলারটি পেশ করবেন, এখন থেকেই তার জন্যে সাগ্রহে অপেক্ষায় রইলাম।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



