এই পর্বের তিনটি প্রধান ঘটনা প্রথম বিশ্বমহাযুদ্ধ, রবীন্দ্রনাথের তিরোভাব ও দ্বিতীয় বিশ্বমহাযুদ্ধ। লেখক দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সমসময়ে রচিত সাহিত্যের আনুপূর্ব ও অনুপুঙ্খ আলোচনার শেষে ইতি টেনেছেন। এই খণ্ডেও—আনন্দ সংস্করণের পূর্ববর্তী খণ্ডগুলির মতোই-নতুনভাবে বিন্যস্ত হয়েছে পুরনো কয়েকটি পরিচ্ছেদ, নতুনতর তথ্যের সংযোজন ঘটেছে, নতুনভাবে লেখা হয়েছে, কিছু কিছু অংশ ও পরিচ্ছেদ, বিচার বিশ্লেষণে অন্যতর দৃষ্টিভঙ্গি প্রযুক্ত হয়েছে। এখানে সবিশেষ উল্লেখ্য, জীবনাবসানের স্বল্পকাল আগে আনন্দ-সংস্করণের প্রেসকপি প্রস্তুত করার সময়, গ্রন্থকার এই খণ্ডে আলোচিত কালসীমার বিস্তার ঘটাবেন ভেবেছিলেন। ব্যক্ত করেছিলেন সেই অভিপ্রায়ও। কিন্তু কর্মব্যস্ততার জন্য পরিকল্পিত সংযোজনটি লেখার অবসর তিনি পাননি। শতাব্দীর সমান বয়সী এই শ্রদ্ধেয় লেখকের সতর্ক ও সন্ধানী মন আমৃত্যু যে কত জঙ্গম ছিল, তারই বিরল উদাহরণ হয়ে রইল ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’-এর এই আনন্দ সংস্করণ।
সুকুমার সেন (১৬ জানুয়ারি ১৯০১ - ৩ মার্চ ১৯৯২) ছিলেন একজন ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্য বিশারদ। বৈদিক ও ধ্রুপদি সংস্কৃত, পালি, প্রাকৃত, বাংলা, আবেস্তা ও প্রাচীন পারসিক ভাষায় তাঁর বিশেষ বুৎপত্তি ছিল। তুলনামূলক ভাষাতত্ত্ব ও পুরাণতত্ত্ব আলোচনাতেও তিনি তাঁর বৈদগ্ধের পরিচয় রেখেছিলেন।
ভাষার ইতিবৃত্ত (বাংলা ভাষাতত্ত্বের একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা) Women's Dialect in Bengali (বাংলা মেয়েলি ভাষা নিয়ে গবেষণামূলক রচনা) বাংলা স্থাননাম (বাংলা স্থাননাম নিয়ে ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ) রামকথার প্রাক-ইতিহাস (রামায়ণ-সংক্রান্ত তুলনামূলক পুরাণতাত্ত্বিক আলোচনা) ভারত-কথার গ্রন্থিমোচন (মহাভারত-সংক্রান্ত তুলনামূলক পুরাণতাত্ত্বিক আলোচনা) ব্রজবুলি সাহিত্যের ইতিহাস বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (৫ট খণ্ডে, সুকুমার সেনের সবচেয়ে বিখ্যাত বই, বাংলা সাহিত্যের একটি পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক ইতিহাস) বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা বাঙ্গালা সাহিত্যে গদ্য বঙ্গভূমিকা (বাংলার আদি-ইতিহাস সংক্রান্ত গ্রন্থ) বাংলা ইসলামি সাহিত্য দিনের পরে দিন যে গেল ( আত্মজীবনীমূলক রচনা )