পলাশির যুদ্ধ ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণ, যে সন্ধিক্ষণে বাঙলায় মধ্যযুগের অবসান হয় এবং আধুনিক যুগের সূত্রপাত ঘটে। ভারতবর্ষের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ইতিহাস সহজ ভাষায় এবং গল্পের ঢঙয়ে তুলে ধরেছেন তপনমোহন চট্টোপাধ্যায়।
প্রখ্যাত আইনজীবী ও গবেষক। বাল্যশিক্ষা শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্যাশ্রমে। এখান থেকে প্রবেশিকা, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বি.এ. এবং কেমব্রিজ থেকে এম.এ সম্পন্ন করেন। বিলেত থেকে ব্যারিস্টার হয়ে এসে দেশে ফিরে কিছুদিন শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৪০ সাল পর্যন্ত কলিকাতা হাইকোর্টে ব্যারিস্টারি করেন। পরে পিতার সলিসিটর ফার্মে যোগ দেন। দেশ স্বাধীন হবার পর অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ জেনারেল এবং অফিসিয়াল ট্রাস্টি অব্ বেঙ্গল-এর কর্মভার (১৯৪৮-৫০) গ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালে বিশ্বভারতীর উপাচার্য হন। এ-ছাড়াও বিশ্বভারতীর সঙ্গে নানাভাবে যুক্ত ছিলেন। তপনমোহন চট্টোপাধ্যায় ইতিহাস নিয়েই লিখেছেন বেশি। ভারতের ইতিহাসের প্রতি তাঁর প্রগাঢ় অনুরাগ ছিল। মৌলিক গ্রন্থ রচনার পাশাপাশি অনুবাদের কাজও করেছেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে তাঁর মাতামহ।
ক্লাস সিক্সের জন্মদিনে বইটা উপহার পেয়েছিলাম। বিগত দুই দশকে বইটা অজস্রবার পড়েছি। ইতিহাস বিষয়টির প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়েছে যে কয়েকটি কারণের জন্য তার মধ্যে একদম উপরের দিকে ইতিহাসের মাস্টারমশাই সৌম্যেন্দুবাবুর পাশাপাশি তপনমোহনের এই বইটাও (পুরো সিরিজটাই বস্তুত) থাকবে।