জন্ম চট্টগ্রামে। শৈশব ঢাকায়, কৈশোর আবুধাবিতে। পরিণত বয়সে ভারতে এবং বিয়ের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসা। দীর্ঘদিন কানাডায় প্রবাসজীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন।
আদর্শিক, উদারপন্থি এবং জ্ঞানানুসন্ধানী পরিবারে রেশমের গুটির মতো নিরাপদ ও পরিশীলিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা।
জীবনের পরবর্তী অংশে বন্ধুবান্ধব, পেশা, বিয়ে ইত্যাদির কারণে ব্যাপক সামাজিক সংস্পর্শে আসা। মূলত মুখচোরা বইপোকা। নানা রঙের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে কিছু তুলে ধরার প্রয়াস এবং সমাজের নানান দিক দিয়ে চিন্তাশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্যই মাঝেমধ্যে টুকটাক লেখালিখি ।
ইংরেজিতে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে শিক্ষকতা করলেও বিশ্বসাহিত্য ও জ্ঞানের যকোনো অঙ্গনে বিচরণে আপত্তি নেই। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব চিটাগাং-এ শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন।
আবুধাবিস্থ ‘ইয়াং টাইমস’ ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসেবে লেখার হাতেখড়ি। মাঝে বহুদিন পড়াশোনায় মগ্ন থাকার পর ছাত্র-ছাত্রীদের চাপাচাপিতে আবার লেখালিখিতে ফিরে আসা।
The stories in this book span from Chittagong to Calgary. The author's narrative is light-hearted, simple, and amusing. The characters are real, the emotions raw, and their effect on the heart is heavy. I particularly liked that she shares her story as a practising Muslimah and her stories show that religion, for a Muslim, is a way of life and not just a couple of rituals to be performed every weekend. Her stories inspire kindness and simple living, shows the importance of friendship and morality.
আমার প্রচণ্ড আফসোস হয় যখন দেখি আমার সিনিয়র, জুনিয়র বা ক্লাসমেটরা অনেকেই পোস্ট দেয় বা বলে, “এখন ভালো মানুষ আর কয়টা আছে? সব্বাই খারাপ!” অথবা খুব খোঁড়াভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে, “সবাই এমন কেন? আমার সাথেই সবাই এমন করে কেন?” আচ্ছা, আসলেই কি তাই? কোনো ভালো মানুষ, পরিবার বা বন্ধুবান্ধবের বাইরে কারো কোনোরকম সাহায্য সহযোগীতা ছাড়াই আমরা এত বড় হয়ে গেলাম? আসলেই কি কেউ আমাদের কোনো সাহায্য করেনি? নাকি আমরাই সেটা সাহায্যের পর্যায়ে নিয়ে গণ্যই করিনি? আমরা কি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি আসলেই উদার করেছি? এই বইটায় এমন কিছুই লিখা নেই। লিখা আছে অনেকগুলো ছোট ছোট গল্প, বিভিন্ন মানুষের গল্প যারা জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে লেখিকাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে বা সামান্য একটু মায়া দেখিয়ে স্থান করে নিয়েছেন কৃতজ্ঞতার।
আমার নিজের কথা বলি, একবার রাস্তায় মিছিল হচ্ছিল জন্য আমি বাসায় না ঢোকা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ছিলেন এক রিকশাওয়ালা মামা। বাসে নিতান্ত অপরিচিত এক সহযাত্রী আন্টি আমাকে অসুস্থ দেখে কোলে মাথা রাখিয়ে সারা রাস্তা চুলে হাত বুলিয়ে দিয়েছেন। খুব ছোটবেলায় একবার বাড়ির এক বিয়েতে বাবুর্চিদের একটা শসা কেটে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলাম, বিনিময়ে অনুষ্ঠানের দিনগুলো আমাকে কোনো চোর পুলিশ খেলায় চোর হয়ে খেলতে দেননি তারা। আমার খেলা সঙ্গীদের বকে দিতেন আচ্ছামত, আমাকে চোর বানানো হলে। এত অমূল্য কাজ হয়ত অনেকে মনেও রাখে না, হয়ত এজন্যই কৃতজ্ঞতা আর সন্তষ্টির এত অভাব চারপাশে। আধুনিক বিশ্বে উন্নত মননশীলতার সাথে অন্তর্দৃষ্টিটা তো একটু বাড়ানোই যায়, তাইনা? রেটিং: ৫/৫.