Nurmurat Sarykhanov ( 1904 - May 4, 1944 ) - Turkmen Soviet writer. Nurmurad Sarykhanov is one of the most prominent representatives of Turkmen prose, primarily known for his long-standing textbook story "Shukur Bakhshi", based on which the director Bulat Mansurov shot a wonderful film, and the story "Book".
He was born in 1904 in the village of Yzgant, Geoktepe etrap. He studied in Tashkent , then served in the army. In 1929-1937 he was a military journalist. One of the main themes of his work was the Soviet reality of the Turkmen village and the struggle against inert traditions (the stories "Son-in-law", "White House", "The Last Kibitka", "Dream", "Love", etc.). One of the most famous works is the romantic story "Shukur-bakhshi", which is given the form of a dastan . Based on "Shukur-bakhshi", the film " Competition " was shot.
In 1942 he went to the front. Died on May 4, 1944 near the village of Delakeu, Novoanensky region of Moldova.
এটা রিভিউ নয়, প্রতিক্রিয়া মাত্র। তবে এই বইটা নিয়ে রিভিউ লেখার ইচ্ছে আছে।
২০১৬ সালে পড়ে শেষ করা বইয়ের মধ্যে এটা সর্বশেষ। এই বছরে গুডরিডসে তালিকাভূক্ত যে ৫১টি বই পড়েছি তার মধ্যে এটা সবচে' সেরা না হলেও তার খুব কাছাকাছি। এবারে পড়া গল্প সংকলনগুলোর মধ্যে এর ধারেকাছে কেউ নেই। বহু বহু বছর পরে এমন একটা গল্প সংকলন পাওয়া গেলো যার সবগুলো গল্প অসাধারণ।
এই বইটা পড়ার বড় লাভ হলো চিঙ্গিজ আইৎমাতভ ছাড়া বাকি লেখকদের পরিচয় পাওয়া। ভূমিকা আর গল্পের ভেতর দিয়ে আরও কয়েকজন লেখকের সন্ধান পাওয়া। ককেশাসের এপাড় ওপাড় অথবা কাস্পিয়ানের এপাড় ওপাড় জায়গাগুলোতে বিশ্বসাহিত্যের যে অমূল্য রতন ছড়িয়ে সে সম্পর্কে আমার অতি সামান্য ধারণা আছে, তাও আবার অনুবাদের এক হাত দুই হাত ঘুরে। ভাষার বাধার জন্য তার পূর্ণ স্বাদ নেয়ার সৌভাগ্য আর হয় না। খোঁজখবর করে এর যতটুকু সন্ধান পেয়েছি, ভাষার দেয়াল না থাকলে কয়েক জনম লেগে যেতো তা শেষ করতে।
এখানে মরিস সিমাশ্কো'র গল্প পড়তে পড়তে জানতে পারি মহান কবি মাখতুম কুলী ফ্রাগির কথা। আর গল্পটা মনে করিয়ে দেয় চিঙ্গিজ আইৎমাতভের 'জামিলা'র কথা। বিশেষ মিল না থাকলেও গল্পটা নিকোলাই হেইতভের 'ইব্রাহিম আলী' গল্পটার কথাও মনে করিয়ে দেয়। আবার এই সংকলনে আইৎমাতভের গল্প মনে করিয়ে দেয় মিখাইল শলোখভের কথা। এগুলোকে আমার ভাবনার ঐক্য'র মতো ক্লিশে জিনিস বলে মনে হয় না। বরং মনে হয় এক বিশাল বৃত্তাকার অ্যাম্ফিথিয়েটারের চারদিকে সব মহান শিল্পীরা লিখনী নিয়ে বসে আছেন। তাঁরা একই দৃশ্য দেখছেন, সেটা নিজের মতো করে ইন্টারপ্রেট করছেন, তারপর সেটা নিজের ভাষায় এঁকে ফেলছেন। সে চিত্র যে কেবল সামষ্টিক তা নয়, সেখানে বারোক শিল্পকর্মের মতো অতি সূক্ষ্ম ব্যষ্টিক চিত্রও আছে।
আসলে ভালোবাসা থাকতে হয়, শ্রদ্ধা থাকতে হয় - এমনকি নিজের সৃষ্ট চরিত্রগুলো জন্যও তাহলে মহৎ সাহিত্য সৃষ্টি হয়।