রিটায়ার্ড আর্মি অফিসার যশব্রত আর দেবযানীর মেয়ে যাজ্ঞসেনী। সংবাদপত্রের অফিসে তার সঙ্গে কাজ করে আরও পাঁচটি ছেলে। তার সহকর্মী, প্রিয়বন্ধুও। যাজ্ঞসেনীর জন্মবৃত্তান্তের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজস্থানের এক দলিত গ্রাম। বন্ধুদের সঙ্গে জীবনের সেই গোপন কথা ভাগ করে নিতে গিয়েই সামনে খাদ টের পায় সে। তারপরই চলে তার সমনামী মহাভারতীয় চরিত্রটির মতো লড়াই। মানসিক বস্ত্রহরণে পর্যদস্ত হয় সে দিনের পর দিন।
নন্দিতা বাগচী-এর জন্ম জলপাইগুড়ি শহরে। বিবাহোত্তর জীবনে কলকাতা ও দিল্লিতে কিছুকাল কাটিয়ে বিদেশে পাড়ি দেন। উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় বসবাস এবং শিক্ষকতা করলেও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে ঘুরেছেন ডাক্তার স্বামীর কর্মসূত্রে এবং সমাজসেবার কাজে। নাইজেরিয়ার ‘ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস্ ক্লাব’-এর সদস্য হিসেবে সেখানকার নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ঘুরেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। দেশে ফিরে বর্তমানে লেখালেখির পাশাপাশি আত্মনিয়োগ করেছেন সমাজসেবায়। গাছপালার সঙ্গে নিবিড় সখ্য তাঁর। নিয়মিত লেখেন বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজি পত্র-পত্রিকায়।