'বাঘিনী' সমরেশ বসুর বিখ্যাত একটি উপন্যাস। দূর্গা নামে এক নারী চরিত্রকে এই উপন্যাসে বাঘিনী সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। দূর্গার ক্ষিপ্রতা,প্রতিরোধ, প্রতিবাদ, বুদ্ধি, বিচক্ষণতা দূর্গাকে মানুষের কাছে বাঘিনীতে রূপান্তরিত করে। দূর্গাদের গ্রামে ছোলাই মদের ব্যবসা রমরমা অবস্থা। দূর্গার পিতা ছোলাই মদের ব্যবসা করতো। হঠাৎ মাতৃহীন দূর্গাকে একা করে দিয়ে তার পিতার মৃত্যু হয়। এবং যথারীতি যুবতী দূর্গার উপর চোখ পড়ে গ্রামের কু-লোকদের।এগিয়ে আসে চিরঞ্জীব। চিরঞ্জীব এক সময় পলিটিক্স করতো। সে ভদ্র ঘরের সন্তান। কিন্তু এক সময় পরিস্থিতি তাকে গ্রামের সবচেয়ে বড় ছোলাই ব্যবসায়ী হয়ে উঠে। কিন্তু ব্যবসার টাকায় চিরঞ্জীব অসৎ কাজের চেয়ে সৎ কাজ বেশি করে। এক সময় চিরঞ্জীব দূর্গাকে তার ছোলাই বানানোর কাজে লাগায়। দূর্গা আগে থেকে চমৎকার ছোলাই বানাতে পারতো। চিরঞ্জীব আর দূর্গার মধ্যে প্রেম হয়। কিন্তু কেউ কাউকে বলে না। দূর্গা নিজেকে ধর্ষকের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে ধর্ষককে খুন করে এবং চিরঞ্জীবকে পুলিশের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে জেলে যায়। এবং চিরঞ্জীব জেলেই দূর্গাকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করে। এইভাবে নাটকীয় ব্যঞ্জনায় উপন্যাসের কাহিনী বলা হয়েছে। সবমিলিয়ে বলতে গেলে মাঝামাঝি পর্যায়ে পেলা যায়।