নারী ‘শক্তি’র আরেক নাম। শক্তিরূপিণী যে দেবীকে পুজো করা হয়ে থাকে, তিনিও একজন নারী। তা সত্ত্বেও নারীকে বারবার ‘অবলা’, ‘অসহায়’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয় সমাজে। ‘শক্তিরূপিণী’ সেইসব নারীদের কথা বলে যাঁরা পুরুষশাসিত সমাজের সমস্ত অত্যাচারের উর্ধ্বে উঠে, সমস্ত শৃঙ্খলকে ছিন্ন করে নিজের গৌরবে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠেন। কখনও মা হিসাবে, কখনও বন্ধুত্বে, কখনও অর্ধাঙ্গিনীরূপে, আবার কখনও-বা স্বতন্ত্র সত্তায় তাঁরা বারবার প্রমাণ করেছেন যে নারী নেহাতই ‘অবলা’ নয়—সে ‘শক্তি’র আরেক পরিচয়! নারী যখন নিজের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াইয়ে নামে, তখন স্বয়ং ঈশ্বরও তার সামনে নতজানু হন।
এই গল্পগ্রন্থ সেইসব নারীদের কথা বলে যাঁরা পুরুষশাসিত সমাজে অত্যাচারের উর্ধ্বে উঠে সমস্ত শৃঙ্খলকে ছিন্ন করে স্বগৌরবে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠেন।
সায়ন্তনীর গড়িয়ায় বাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির শখ। কবিতা ও গদ্য দুইই চর্চার বস্তু।ক্লাস সেভেনে প্রথম প্রকাশ সংবাদ প্রতিদিনের শনিবাসরীয় পাতায়'চশমা' ছোট গল্প। তারপর প্রতিদিন, বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, আর ছোটদের পত্রিকা সাহানা আর বাংলা দেশের পত্রিকা ভোরের কাগজে লাগাতার লিখে যাওয়া।