Fourteen year old Kostya feels that spending a month with his Uncle Effim- who is merely a buoy keeper- will be a major bore. That is until he discovers the beauty of the simple lifestyle that Effim and his daughter Nurya, lead, and learns that keeping a river in check is more work than he thought.
Dubov, the son of a worker, lives in the Ukraine. He is the author of the plays At the Threshold (staged in 1948) and Morning is Coming (staged in 1950), the novellas At the Earth’s End (1951), Lights on the River (1952), Overcome by Fear (1963), The Boy at the Seashore (1963), and The Fugitive (1966), and the novel Too Bad to Be Lonely (book 1, “The Orphan,” 1955, book 2, “A Stiff Test,” 1960; State Prize, 1970). Dubov’s works are concerned with acute contemporary problems and the turning points in the lives of young people—most frequently those of adolescents. His novellas Lights on the River and The Boy at the Seashore have been made into motion pictures.
পার্টিজান সাহিত্যের বড় সীমাবদ্ধতাটা হচ্ছে যে সেটা পার্টিজান সাহিত্য। সেই ধারায় পড়ে আন্তন মাকারেঙ্কো, আলেক্সেই তলস্তয়,ভেরা পানোভার মতো অনেক বড় মাপের সাহিত্যিক গায়ে পার্টির ছাপ্পা খেয়ে স্বাধীন সৃজনশীলতা পথ থেকে একটু একটু করে দূরে সরে গেছেন। নামের এই লিস্টটা শুধু সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলোতেই এতো বড় যে ভাবলে খুব কষ্ট হয়। নিকোলাই দুবোভের 'সাগরতীরে' যারা পড়েছেন তাদের জানা আছে দুবোভ কী মাপের সাহিত্যিক। সেই দুবোভের অন্য লেখাগুলো সম্পর্কে আমরা প্রায় জানি না কেন? সেটা কি বাংলায় দুবোভ যথেষ্ট অনুদিত হয়নি বলে? সম্ভবত না। এই বইটা পড়ে বুঝলাম দুবোভ সম্ভবত পার্টিজান সাহিত্যের লাইন ধরায় তাঁর অন্য রচনারা হালে বিশেষ পানি পায়নি। এই বইটাও পার্টিজান সাহিত্য। তবু এটাকে পাঁচ তারা দিলাম শুধু দুবোভের নাম দেখে নয়,বরং দুবোভের সৃষ্টিশীলতার ক্ষমতা দেখে। অনুবাদে এক হাত ফেরতা মাল হয়েও এখানে দুবোভের শক্তি বুঝতে কোন কষ্ট হয় না।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে রচিত সাহিত্যের সংখ্যা অগণিত। সেই তুলনায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধের করাল থাবায় ছিন্নবিচ্ছিন্ন মানুষের জীবন নিয়ে রচিত সাহিত্যের পরিমাণ কম। যুদ্ধে নিহত ক্যাপ্টেন গলভানভের পুত্র কোস্তিয়া আর নৌযোদ্ধা ইয়েফিম কন্দ্রাতিয়েভিচ কিচেয়েভের যুদ্ধে মা’হারা কন্যা ন্যুরাকে নিয়ে গড়ে ওঠা এই গল্পটা অনায়াসে যুদ্ধোত্তর ইউক্রেনের সাধারণ মানুষের প্রতিদিনকার সংগ্রাম, ঘুরে দাঁড়ানো আর পুনর্নির্মাণের গল্প হতে পারতো। সেটা যে একেবারে হয়নি তা নয়, কিন্তু অপ্রাপ্তবয়স্কদের মগজে, আচরণে, কর্মে আর ভাষায় পদে পদে পার্টির শিক্ষাকে গুঁজে দিতে গিয়ে এটি আর মহান সাহিত্য হতে পারেনি। সাশুকের গল্পে (সাগরতীরে) পার্টির বাণী গুঁজে দেবার প্রচেষ্টা ছিল, কিন্তু এতোটা প্রকট আকারে নয়। তাছাড়া সেখানে বিদ্যমান বৈষম্য, বঞ্চনা, সিস্টেমের গলদগুলো বেশ অকপটে দেখানো হয়েছে। ফলে সাশুকের গল্প মহান সাহিত্যের কাতারে চলে যেতে পেরেছে। সমস্ত সম্ভাবনা নিয়েও কোস্তিয়া-ন্যুরার গল্প তা হতে পারেনি – এটা ট্র্যাজিক, সাহিত্যের জন্য, দুবোভের জন্যও।
এই গল্পটাতে একটা বড় উপন্যাসের সব সম্ভাবনা বিদ্যমান ছিল। ক্যাপ্টেন গলভানভের যুদ্ধে যাওয়া, সেই সময় তার সেবিকা স্ত্রীর বিরহ-সংগ্রাম, যুদ্ধে গলভানভের প্রাণ হারানো, তার স্ত্রীর কাজ-পড়াশোনা-সংসার চালানো- কোস্তিয়া আর লিওলকাকে লালন-অনাহার-অর্ধাহার এগুলো বিস্তারিত এলে সারা দুনিয়ার কাছে স্থায়ী ভাবে ঐ সময়ের একটা অথেনটিক চিত্র থেকে যেতো। যুদ্ধে ইয়েফিমের বীরত্ব, স্ত্রী-কন্যাকে হারানো, স্ত্রীর মৃত্যু, কন্যাকে খুঁজে পাওয়া নিয়েই অধ্যায়ের পর অধ্যায় রচনা করা যেতো। তাতে বহু কাল পরের মানুষও বুঝতে পারতো কী বিভীষিকার মধ্য দিয়ে এবং কতো ভিন্ন ভিন্ন মাত্রার ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে মানুষকে যেতে হয়েছে। ন্যুরাকে খুঁজে পাওয়ার অংশটা পড়ার সময় পাঠকের মনে মিখাইল শলোখভের ‘মানুষের ভাগ্য’ গল্পটার কথা মনে পড়বে।
কোস্তিয়ার মা এবং ন্যুরার বাবা ইয়েফিমের চিত্রায়ণ অথেনটিক। কোস্তিয়া আর ন্যুরার চিত্রায়ণ থেকে পার্টি অংশ বিবেচনা না করলে শুধু অথেনটিক না, অসাধারণ। এইখানে দুবোভের শক্তি ও ক্ষমতাটা টের পাওয়া যায়। জিপসী মিশা আর তিম্কা তিমোফেই চরিত্রে আরোপিত ব্যাপারগুলো এতো প্রকট যে তাতে তারা বিকশিত হতে পারেনি। গোর্কা ওরফে ইয়োগোর তিমোফেয়েভিচ চরিত্রটাতে আরোপের মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। শিশুর স্বাভাবিক কৌতুহলকে পার্টি শিক্ষার মোড়কে আবৃত করতে গেলে এমনটাই হবার কথা। কারণে অকারণে কমিউনিজম আসার প্রসঙ্গ এনে শিশুদের ভাবনায় একটা ইউটোপিয়া কী করে গেঁথে দেয়া হয়েছিল সেটা বোঝা যায়। বাস্তবে শুধু ঐ শিশুগুলো নয়, সারা দুনিয়া জোড়া কোটি কোটি প্রাপ্তবয়স্ক একই ইউটোপিয়ার স্বপ্ন দেখতে দেখতে সেটা বাস্তবায়নের অসম্ভব্যতাগুলো আর দেখতে পায়নি।
এই গল্পে মাত্র কয়েকটা বাক্যে কোরিয়াতে চলমান যুদ্ধের কথা এসেছে। এটা আগে কখনো কোন সোভিয়েত সাহিত্যে দেখেছি বলে মনে পড়ে না। এর কারণটা যারা কোরিয়ার যুদ্ধের ইতিহাস জানেন তারা আঁচ করতে পারার কথা। ঈশ্বরের অবতার স্তালিনের কৌশলগত ধীরে চলার নীতির কারণে কোরিয়া কীভাবে ‘নীল ছাই’য়ে পরিণত হয়েছিল সেটা আমরা জানি। অবতারের ভক্ত-দাসকূল কোরীয় যুদ্ধে নিহত ২৮২ জন সোভিয়েত সৈন্যের জীবনদানের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তার পাপস্খালনের চেষ্টা করে। সেই চেষ্টাটা যে কত বড় পরিহাস সেটা অবতারের বাকী কর্মকাণ্ড থেকে স্পষ্ট হয়ে যায়। দুবোভ যখন এই গল্প লিখছেন, প্রকাশ করছেন অবতার তখনো মর্ত্যলোকে তার সিংহাসনে বিদ্যমান। সুতরাং দুবোভ চাইলেও খুব বেশি কিছু বলতে পারতেন না।
সামাজিক সাম্রাজ্যবাদের তকমা পাওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নে নৃতাত্ত্বিক সাম্রাজ্যবাদও যে বিদ্যমান ছিল সেটা এই গল্পে ইউক্রেন আর তার মানুষদেরকে জোরজার করে রুশী বানানোর চেষ্টা থেকে বোঝা যায়। এখানে দুবোভের অভিপ্রায় স্পষ্ট নয়। তিনি কি পার্টির নির্দেশ মেনে গেছেন নাকি ইচ্ছা করে লেখার মধ্যে এই অন্যায়ের চিহ্ন রেখে গেছেন সেটা বুঝতে পারিনি।
কাখোভ্কা অলীক কোন স্থান নয়। বরং পঞ্চাশের দশকে জলবিদ্যুত কেন্দ্র গড়ে তোলা নিয়ে কাখোভ্কা আর নতুন গড়ে ওঠা ন্যুভা কাখোভ্কা আসলেই বিশাল কর্মযজ্ঞের স্থান ছিল। যুদ্ধোত্তর ইউক্রেনের নির্মাণ পর্যায়ে কাখোভ্কা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই গল্পে কাখোভ্কাকে এক স্বপ্নময় কর্মযজ্ঞের স্থান হিসেবে বারে বারে দেখানোর চেষ্টা থাকলেও সেখানে পৌঁছানোর কোন চেষ্টা দেখানো হয়নি। তা নাইবা দেখাক, এই গল্প পড়তে পড়তে পাঠক নিজেও কাখোভ্কার কর্মযজ্ঞ দেখতে আগ্রহী হয়, দিনে-রাতে পালটে যাওয়া চেহারার নীপারের প্রতিটা ঢেউকে দেখতে পায়, পলিয়ানস্কায়া গ্রেবলিয়ার প্রকৃতি, মানুষ আর তাদের কর্মকাণ্ডগুলো দেখতে পায়, দক্ষিণ ইউক্রেনের সূর্যালোকের গন্ধ তাদের নাক দিয়ে ঢোকে, নীপার থেকে বয়ে আসা তাজা বাতাসের রঙ তাদের চোখে লাগে, কোস্তিয়া-লিওলকা-ন্যুরা-মিশা-তিমোফেই-গোর্কার মধ্যে নিজের টুকরো টুকরো শৈশব অনুভব করে। পাঠকের পাওনা এইটুকু আর দুবোভের সার্থকতা এইখানে।
From one of the best children's classics writers, comes an amazing story of life, friendship, trust, adventure, chivalry, honesty...well, I can go on...This story did affect my behavior in a very positive way, and shaped my life into an appreciator of the beauty of life. The characters in the story are etched in my memory for life, and I am sure I will remember them even in my grave.
الأفضل بالطبع أن يختار المرء عمله حسب هوى قلبه. سوى أن الجندي الحقيقي لا ين��قي، وإذا استدعت الضرورة أن يوكل إليه عمل ما فسيقوم به... أما الجرأة والمقدرة فهما ضروريتان لكل عمل، وإلا فإنك ستهلكين نفسك والآخرين.