মহাকাব্যিক আখ্যান 'পদ্মা মেঘনা যমুনা' উপন্যাস প্রকাশের পর পরই বাংলার সামাজিক ইতিহাসের শিল্পরূপ ধারণের অনন্য প্রয়াস হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে। উপন্যাসে সমাজের বিশাল বিস্তার ধারণের পাশাপাশি সামাজিক-রাজনৈতিক পরিবর্তনময়তার নিরিখে মানবিক হাসি-কান্না-আনন্দ-বেদনার রূপ মেলে ধরার চেষ্টা এখানে অর্জন করেছে সার্থকতা।
বিশ শতকের বড় অংশ জুড়ে যে জীবন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি শেষাবধি তার জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করলো অনাগত সেই মহান সংগ্রামের পদধ্বনি যেন শুনতে পাওয়া যায় এই কাহিনিতে। বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এ-এক চিরায়ত সংযোজন, সবসময়ের সকল পাঠকের জন্য অবিস্মরণীয় পাঠ-অভিজ্ঞতা।
Abu Jafar began his career as sub-editor of the daily soltan. He also worked at the azad, ittefaq, Purbadesh and sangbad, for which he wrote a weekly column, 'Baihasiker Parshvachinta', under the pseudonym 'Alpadarshi'. From 1961 to 1972, he worked as assistant translator at the Bangla Academy.
চলুন চোখ বুঝি,কল্পলোকে সময়ের ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে দেখে আসি পদ্মা মেঘনা যমুনার নিরন্তর প্রবাহ,যেখানে জোয়ার ভাটা থাকলেও স্রোত কখনো বন্ধ হয় না..... আবু জাফর শামসুদ্দিন ' ভাওয়াল গড়ের উপখ্যান' এর চাতক পাখির মতন চেয়ে থাকা তৃষ্ণার্ত পাঠকদের তৃষ্ণা নিবারণ করতে সন্ধান দিয়েছেন এমনই এক মেঘের দেশের, যেখানে পাঠক নিপীড়ন, শোষণ, অত্যাচার, গোলামি, ধর্ম, রাজনীতি, প্রেম-ভালবাসা, দ্রোহ, হাহাকারে অবগাহন করে সময়ের আয়নায় দেখতে পারবে শত বছরের বিবর্তন।ক্ষুদ্র কয়টা কথায় হয়তো এই ৯০৩ পৃষ্ঠার বিশাল উপন্যাসের রিভিউ আমি লিখতে পারবো না, তবে অপরিপক্ক হাতে কিছু অনুভুতি ব্যক্ত করে যেতে পারবো। দীর্ঘ পাঠ পরিক্রমায় উপন্যাসের সাথে লেগে আছে ব্যাক্তিগত সুখ দুঃখের দোলাচল, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব নিকেশ আর হারানোর ভয়। আর তাই হয়তো অন্যরকম অনুভূতি হয়ে স্মৃতি হয়ে থাকবে এই 'পদ্মা মেঘনা যমুনা' 💙
বইটির পটভূমি ১৯০০-১৯৪৭ এর ঘটনাপ্রবাহ। নায়ক অবধারিতভাবেই সময় নিজেই। এই টাইমফ্রেমে নিজেকে নিরপেক্ষ রেখে গ্রন্থ রচনা করা খুবই দুরূহ কাজ। লেখক সেটা পেরেছেন এতেই তার সাফল্য৷ ৯৬০ পেজের বই অথচ কী আশ্চর্য নির্লিপ্ততা! এমন বই অতি বিরল
সহজ কথায় ভাল লাগেনি হয়তো আগেই প্রথম আলো,পূর্ব পশ্চিম পড়ে নিয়েছিলাম এই কারনে। শুনেছি এই উপন্যাসের পান্ডুলিপি মুক্তিযুদ্ধের সময় মাটির নিচে চাপা ছিল! তা পরে আবার উঠালেন কেন বুঝলাম না। এসব অপন্যাস মাটি চাপা দেয়াই শ্রেয়। আপনারা পড়ুন।