কলকাতা থেকে কুমিল্লায় বেড়াতে এসেছেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর উপস্থিতিতে শান্ত মফস্বলের আবহাওয়া উত্তাল হয়ে উঠল। তার ঢেউ এসে লাগল মুন্সিবাড়ির মেয়ে নার্গিসের মনেও। বিয়ে হলো নজরুল-নার্গিসের। কিন্তু রাত ভোর হওয়ার আগেই কবি চলে গেলেন নার্গিসকে ফেলে। শুধু বলে গেলেন, শ্রাবণে এসে নিয়ে যাবেন তাঁকে। এরপর কেবলই অপেক্ষা।
নজরুলের প্রথম প্রেম নার্গিস। সেই প্রেম মিলনের পূর্ণতা পায়নি। বিয়ের রাত ফুরবার আগেই দয়িতাকে ছেড়ে গিয়েছিলেন কবি। কেন? পাঠককে সেই রহস্যের সামনে দাঁড় করাবে এই উপন্যাস। গবেষকের নিষ্ঠা ও ঐতিহাসিকের সততা নিয়ে লেখক এই উপন্যাসে একটি মানবিক সম্পর্ককে উন্মোচন করেছেন। পাশাপাশি তুলে ধরেছেন নার্গিস নামের একটি গ্রাম্য মেয়ের রূপান্তরের কাহিনি, ভালোবাসা যাকে আগুনে পোড়া খাঁটি সোনা করে তুলেছিল।
বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশা সাংবাদিকতা, কর্মক্ষেত্র চট্টগ্রাম। শিশুসাহিত্য দিয়ে লেখালেখি শুরু। উপন্যাস, ছোটগল্প, কবিতাসহ সৃজনশীল সাহিত্যে তাঁর অবাধ বিচরণ। নিয়মিত কলাম লেখেন সংবাদপত্রে। তাঁর লেখা বেশ কয়েকটি নাটক প্রচারিত হয়েছে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে। এ পর্যন্ত বই বেরিয়েছে কুড়িটির বেশি। ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে তাঁর লেখা উপন্যাস "নার্গিস"।
নজরুল আর নার্গিস সম্পর্কে কম বেশি সবাই জানি। 'কোন এক অচেনা কারণে' বিয়ের দিন রাতেই নবপরিণীতা বধূকে ত্যাগ করেন নজরুল। কিন্তু পরবর্তীতে কবির নানান কাব্যে-গানে জড়িয়ে ছিলেন এই নারী (নাকি কিশোরী বলা উচিত?) কবির তখন উঠতি যৌবন.. আধপাগলা, ক্ষ্যাপা এই মানুষটা মাতিয়ে রাখতেন চারপাশ। যেখানেই যাক কবিই তার কেন্দ্রে। এ হেন চরিত্রের মানুষের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকাটাও ভার। কিশোরী দুবি আধপাগলা এই মানুষটার কাছ থেকে পেলো নতুন একটা নাম। কবিতায়, গানে, বাঁশির সুরে হলো মাতোয়ারা। ওরা দুজনই ভেসে গেল প্রেমের প্রবল স্রোতে। কবি নিজেই পাড়লেন বিয়ের কথা.. ঢাক ঢোল, সানাই উঠল বেজে। কিন্তু যেই রহস্যজনক কারণে এই প্রেমের পূর্ণতা পেলো না সেটি এই উপন্যাসেও রয়ে গেল রহস্যময়। অবশ্য বইয়ের লেখকেরই বা কী দোষ? তথ্য-উপাত্ত নেই পর্যাপ্ত, যা আছে স্বল্প কল্পনায় ভর দিয়ে আর চলে কতোটুক? প্রাপ্তি কেবল গতিময় লেখনী.. নার্গিসের একাকীত্বে পাঠকের ব্যথাতুর হৃদয়টুকু.. কিংবা দীর্ঘশ্বাস।
"জগৎ সংসারটা বড় অদ্ভুত। কারও কাছে পাওনাটুকু চেয়ে পাথরে মাথা কুটে রক্তাক্ত হয়ে ফিরে আসতে হয়, আর কারও নিবেদন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো ছুটে এসে ভিজিয়ে দিয়ে যায় পায়ের গোড়ালি। (নার্গিস, বিশ্বজিৎ চৌধুরী)" so true :)
নজরুল আর নার্গিসের সম্পর্কের কথা কে না জানে? বিয়ের রাতেই নববধূ নার্গিসকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন কবি – এটুকু তো সবারই জানা। কিন্তু কেন? কোন পরিস্থিতি বিয়ে হয় দুজনার? কেন কবি বিয়ের রাতেই দূরে চলে যান? কি হয় তারপর? কি করলেন নার্গিস তারপর? আর কি দেখা হয়েছিল দুজনার? প্রথম দুই বাক্য জানা থাকলে পরের প্রশ্ন মাথায় আসা স্বাভাবিক। সেই জানার তাগিদেই হাতে তুলে নিয়েছিলাম এই বইটা।
তো বইটা শেষ করে কি প্রশ্নগুলোর উত্তর পেলাম? এখানেই বইটার খামতি। যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বইটা লেখক শুরু করেছিলেন তা ঠিকমতো পূরণ করতে পারেন নি লেখক। বিয়ের প্রেক্ষাপট, বিচ্ছেদ পরবর্তী নার্গিসের জীবন বা প্রমীলার সাথে কবির বিয়ে এসব নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর পেলেও মূল যে প্রশ্নটা অর্থাৎ বিয়ের রাতে কবির অন্তর্ধান নিয়ে লেখক তেমন স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি। অবশ্য লেখকের এখানে সীমাবদ্ধতাও ছিল কেননা এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য যে পাওয়া যায় না। কিন্তু লেখক কল্পনার আশ্রয় নিয়েও বিষয়টা স্পষ্ট করতে পারেননি।
ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে যেমনটা হওয়ার কথা ছিল তথা তথ্য ও কল্পনার মিশ্রণ সেখানে বেশ ফাঁক থেকে গিয়েছে। মাঝে মাঝে চিঠি ও কবিতার বহর থেকে নিবন্ধ মনে হয়েছে আবার মাঝে মাঝে কল্পনার ডালপালা অনেক বেশি বিস্তৃত হয়ে গিয়েছে। লেখনীও তেমন আকর্ষণীয় নয়, কেমন যেন শুধু গল্প বলে যাওয়ার তাগিদ থেকেই লিখেছেন লেখক। একটা তাড়াহুড়ো ভাবও লক্ষ্যণীয় ; সহজেই বইটাকে আরেকটু বড় করা যেত।
মোটের উপর বলতে গেলে কিছু তথ্য জানতে পেরেছি ঠিকই কিন্তু উপন্যাস হিসেবে যে আরেকটু চাহিদা ছিল তা যেন পূরণ হলো না!
#পাঠপ্রতিক্রিয়া ডকু ফিকশন: নার্গিস লেখক: বিশ্বজিৎ চৌধুরী প্রকাশক: প্রথমা প্রথম প্রকাশ :২০১৪ পৃষ্ঠা সংখ্যা:১১০ গায়ের মূল্য: ২৪০ টাকা ________________________________________ "এই নামটা তোমাকে মানায় না। এমন ফুলের মত সৌন্দর্য যার, তার নাম তো হবে ফুলের নামে। কোন বেরসিক তোমার নাম রেখেছেন?...তোমাকে আমি ডাকবো #নার্গিস নামে। নার্গিস পারস্য দেশের লতা গাছের ফুল।সে দেশে আমার এক প্রিয় কবি আছেন, হাফিজ। তাঁর কবিতায় এই ফুলের নাম আছে।" [কাজী নজরুল ইসলাম]
কলকাতা থেকে কুমিল্লায় বেড়াতে এসেছেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম।সময়টা ১৯২১ এর আশপাশে। তাঁর উপস্থিতিতে তখন কুমিল্লার দৌলতপুরের (তৎকালীন ত্রিপুরা) পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে গেছে।মানুষ আনন্দে মশগুল হয়ে উঠেছে নজরুলের কবিতা, গান, বাঁশি, তাঁর সাথে গল্প ও আড্ডা নিয়ে।তারই এক ঝলক ঢেউ এসে লাগে মুন্সিবাড়ির মেয়ে সৈয়দা আসার খানম (ওরফে 'নার্গিসের') গায়ে।নার্গিসের ছোট মামা, আকবর আলী খানের ইচ্ছায় ও জোর প্রচেষ্টায় নজরুলের সাথে বিয়ে ঠিক হয় নার্গিসের।সেই বিশেষ দিনটি ছিল ১৭ জুন, ১৯২১। কিন্তু বিধিবাম! বাসর রাত সম্পূর্ণ না করেই কবি নজরুল চলে যান নার্গিসকে ফেলে! যাওয়ার সময় বলে যান 'আসছে শ্রাবণে' এসে তাকে নিয়ে যাবেন।
-কি কারণ ছিল নজরুলের এমন প্রস্থানের?
তাঁর উত্তর দিতে পারবে, 'নার্গিস'।
-নজরুল কি ফিরে এসেছিলেন সেই শ্রাবণে?
নাহ! 'সেই শ্রাবণ' থেকে শুরু করে নজরুলের ফিরে আসার জন্য ১৭ টি দীর্ঘ বছর অপেক্ষা করেছেন নার্গিস!
নজরুল ফিরে আসেননি!
-কেন আসেন নি, নার্গিসের প্রিয় 'Gentleman' ?
-কেন এমন নিষ্ঠুর হলেন নজরুল যার কারণে বিরোহী হলেন নার্গিস?
-এ কি কেবলই নজরুলের খামখেয়ালী?চঞ্চলতা? অভিমান নাকি পরিস্থিতির শিকার ছিলেন নজরুল?
এসব কিছুর উত্তর গবেষকের নিষ্ঠা নিয়ে এবং ঐতিহাসিক সততা অন্বেষণ করে ডকু ফিকশন (আত্মজৈবনিক উপন্যাস) আকারে চমৎকার সহজ-সরল,প্রাঞ্জল অথচ হৃদয়গ্রাহী করে তুলে ধরেছেন বিশ্বজিৎ চৌধুরী।
'নার্গিস' শুধু উপন্যাস নয় বরং-
-যৌবনে উত্তাল এক কবি'র প্রেমে পুড়ে এক মফস্বল কিশোরীর খাঁটি সোনা হবার বাস্তব গল্প
-হৃদয়ে প্রেম নিয়ে এক কবি'র নিজ স্ত্রীর প্রতি চরম অবহেলার গল্প
- 'অধিকার ছাড়িয়া দিয়াও অধিকার রাখিতে যাওয়ার মতো' এক মহাবিড়ম্বনার গল্প।
-'দুঃখ নিয়ে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই সেই দুঃখের অবসান হয় না' -এক বিরহী নারীর জীবনে নজরুলের এ কথাটি প্রতিফলনের গল্প।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অথচ রহস্যে ঘেরা অংশ হলো নার্গিস।
বিশ্বজিৎ চৌধুরীর উপন্যাস ‘নার্গিস’ নজরুলের সাথে নার্গিসের সম্পর্ক নিয়ে রচিত হয়নি, বরং এটি নার্গিসের জীবনের একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ। এবং যৌক্তিকভাবে উঠে এসেছে নজরুলের প্রসঙ্গও। কুমিল্লার সৈয়দা অসার খানম থেকে নার্গিস হয়ে ওঠা, নজরুলের সাথে প্রেম, বিবাহ(!), বিচ্ছেদ এবং সবশেষে নিজেকে একজন শিক্ষিত আত্মপ্রত্যয়ী নারী হিসেবে গড়ে তোলা- নার্গিসের জীবনের বিভিন্ন সময়ের পালাবদলের এক সামষ্টিক রূপ এই উপন্যাস।
আচ্ছা- মনে করুন 'হঠাৎ' বলা নেই কওয়া নেই, প্রেমে পড়লেন। প্রেমে স্বভাবতই 'হঠাৎ' করেই পড়ে মানুষ। এখন মনে করুন, আপনি ব্যাটা মানুষ৷ আপনি বিশ শতকের সমাজে থেকে, এই 'হঠাৎ' করিয়া প্রেমে পড়িলেন। আবার আপনে কবি মানুষ, গায়ক হিসেবেই পরিচিতি ই আপনার বেশি। আপনার 'হঠাৎ' উদয় হওয়া সব পাগলামি আপনার পরিচিতির জন্য সক্কলেই মেনে নেয়। কিছুদিনের জন্য একটা অজপাড়া গাঁয়ে এসে আপনার প্রেমের ফাঁদে ('ফাঁদ' শব্দটি দৃষ্টিকটু তবুও আমার মনে হয়েছে নজরুল মায়া নামক একটা ফাঁদ ফেলেছিলেন। আমি কতটুকু সত্য আর কতটুকু মিথ্যা বইটি পড়লে জানবেন। আবার প্রেমের ফাঁদ বলতেও কিছু আছে বলে মনে হয় না। কেউ কাউকে কী ফাঁদে ফেলতে পারে! মনে তো হয় না তবুও আমার মনে হচ্ছে, ন্যাচারাল একটা ব্যাপার অতি অবশ্যই আছে। তিনি কবি, যেনতেন কবি না, স্বয়ং কাজী নজরুল ইসলাম নিজে। তিনি পারেন সবই।হিহিহি) ফেললেন এক ষোল বছর বয়সী তরুণীকে 'হঠাৎ' করিয়া। আপনি তাকে তার সমাজে প্রতিষ্ঠিত নাম প্রত্যাখান করিয়া আবার নতুন একখান নামও রাখিলেন এবং 'হঠাৎ' করি হেই নাম ই প্রতিষ্ঠিত পরিচিত হলো অধিক। নামটি ফুলের, নামও রাখিলেন 'হঠাৎ' করিয়া বঙ্গদেশের ফুলের নাম না,ইরানের একটি ফুলের। এই 'হঠাৎ' করিয়া একদিন বিবাহ করিয়া রাতে আবার তাহাকে চিরজনেম লাগি ত্যাগও করিয়া গেলেন নিতান্তই একটা ভুল ধারণাকে মেনে নিয়ে এবং সত্য জেনে। অথচ ইতিহাস তাকে বরং খুব কম জানে, মনে রেখেছে।
'হঠাৎ' করিয়া আমার জীবনানন্দ দাশকে পড়তে গিয়ে কবি নজরুলের কথা মনে পড়ল। তার সব উপন্যাস, ছোটগল্প এবং প্রায় সব কবিতা আমার পড়া সেই ছ'কোটি বছর আগে। পড়তে গিয়ে দারুণ একটা জিনিষ আবিষ্কার করি আমি। নজরুল দুখী হইলেও বেশ একদিক দিয়ে বড্ড সাহসী ছিলেন। তিনি বেশ ভালোবাসা প্রত্যাখান করতে পারতেন। আমার তো একসময় মনে হয়েছে প্রথম জীবনে এই নিষ্পাপ ভালোবাসা প্রত্যাখান করার জন্যে শেষ বয়সে এসে খুব কম মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন কবি। যাক প্রসঙ্গ থেকে দূরে চলে যাচ্ছি।
ইতিহাসকে আশ্রয় করে বিশ্বজিৎ চৌধুরী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম জীবনের প্রেম নিয়ে লিখেছেন দুটি বই ' নার্গিস' এবং ' কবি ও রহস্যময়ী নারী'।
'নার্গিস' যখন বই আকারে বাজারে আসে বিশ্বজিৎ ভাইয়ের কাছ থেকে জানতে পারি।তখন থেকে বইটি পড়ার ইচ্ছে আমার।কিন্তু পরে কেনো জানি ভুলেই যায়। পড়া হয়ে ওঠে নি। তার জন্য আমি বইটি পড়ে দুঃখই পেলাম। তিনি বেশ খাটাখাটুনি করেছেন। এবং আমি হলফ করে বলতে পারি নজরুলের নারী প্রসঙ্গে তিনি যেমন যত্ন করে তথ্যগুলো গল্পাকারে লিখেছেন এর আগে কেউ লিখে নি। এটি আদ্যোপান্ত একটি সত্য ঘটনা নিয়ে উপন্যাস। বইটির কাহিনি স্পয়ল করছি না। তবে যারা নজরুলকে ভালোবাসেন,তার কবিতা পড়েছেন, উপন্যাস পড়েছেন, ছোটগল্প পড়েছেন এবং তাকে নিয়ে জানার প্রবল ইচ্ছে আছে তারা বই দুটি পড়বেন।
আর একটি কথা, নজরুলকে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিতি পাইলেও কিন্তু তিনি আজীবন লিখেছেন প্রেমের কবিতা। তিনি প্রেমের কবি। তিনি ভালোবাসতে যেমন জানতেন তেমন ভালোবাসাকে পাস কাটিয়ে প্রত্যাখান করতেও এবং দুঃখ পেতে ভালোবাসতেন।
বইটি ২২ সালে পড়া শেষ উপন্যাস ছিল।
যাদেরকে ভালোবাসুন তাদেরকে ফেলে যাবেন না। সবাই নজরুল না যে দুঃখ সইতে পারবে আবার সবাই নার্গিন না যে আপনাকে পাবে না জেনেও সারাজীবন ভালোবেসে যাবে।
যতটা দমন্ধ করা আগ্রহ ও প্রত্যাশা নিয়ে বসেছিলাম ততটা মিটল না। জানার আগ্রহ অনেকাংশে মিটলেও প্রত্যাশা মিটাতে ব্যর্থ। ভাষার গভীরতা নেই, শব্দের ব্যঞ্জনা নেই লেখনীতে। শুধু গল্পটা বলেই গেছেন, বলেই গেছেন। তাই গল্পও, চরিত্রগুলোর সাথে একাত্ম হতে চেয়েও পারিনি। নজরুলের জীবনের বেশ কিছু অজানা ঘটনা জানতে পারলেও শেষমেশ বইটাকে কেন যেন স্রেফ একটা ইতিহাসের প্রবন্ধ বই মনে হয়েছে। যতটুকু ভালো লেগেছে তা বইটা নজরুলের জীবন নিয়ে বলেই।