Sadat Hossain (born 29 June 1984) is a Bangladeshi author, screenwriter, film-maker, and novelist. Sadat Hossain was born In Madaripur, Dhaka, Bangladesh. He studied anthropology at Jahangirnagar University. He was a photojournalist in a newspaper. Then the editor told him that he should write the story of those photos. Eventually, with these, he published his first book in 2013 named Golpochobi. Then, he started to write short stories. In 2014 Janalar Opashe published. In 2015 Aarshinagor is the first book when people recognize him in 2015.[4] Besides writing he has interest in filmmaking as well. He has a production house named ‘ASH’ Production house, released a number of visual contents like short films, dramas, music videos, documentaries, etc.
ন্যাকাষষ্ঠী প্রেম, হুমায়ূন আহমেদের লেখনীর প্রবল প্রভাব, আট থেকে আশি সবার মুখ থেকে অন্তত একটা দার্শনিক বাক্য আর লেখকের ২০% মুন্সীয়ানা এই সব একসাথে ঘুঁটা দিলে যা হয়, তারই রেজাল্ট এই বই।
ফেসবুক সেলেব্রিটি হওয়া আর লেখক হওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। ছোট পরিসরে লম্বা স্টাটাসে গল্প বা নীতিবাক্য বলে যতটা সহজে বাহবা পাওয়া সম্ভব বড় কলেরবে ছাপার কাগজে গল্প বলে পাঠককে স্পর্শ করা তার বিপরীতে ততটাই কঠিন। কঠিন কাজটাই বেশ সহজ বানিয়ে ফেলেছেন সাদাত হোসাইন। এমনিতে নবীন লেখকদের মৌলিক লেখা পড়তে তেমন আগ্রহ পাই না। পাঠক সমাজে তাকে নিয়ে আগ্রহ আর তার অসাধারণ সব স্টাটাস দেখে বইটা সামনে পেয়ে পড়েই ফেললাম। তবে পড়ার আগে কখনো বইটার নাম শুনি নি।
.
সময় স্বৈরশাসক এরশাদের আমল, স্থান বৃহত্তর ফরিদপুরের কয়েকটি মফস্বল শহর আর গ্রাম। কেন্দ্রিয় চরিত্র আজহার উদ্দিন দূর থেকে রাজনীতির কলকাঠি নাড়তে থাকা এক সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী। আগাগোড়া এক নেগেটিভ চরিত্র। গল্পের শুরু আজহার উদ্দীনের মেয়ে লাবণীর বিয়ে নিজে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়ার মধ্য দিয়ে। অন্যান্য চরিত্র লাবণীর লজিং মাস্টার বাদল, লাবণীর অসুস্থ মা নাসিমা, আজহার উদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী লাবণীর বয়সী জোহরা।
.
থ্রিলার আর অনুবাদের জোয়ারের সময়ে গতানুগতিক জীবনের ঠান্ডা মেজাজের গল্প। লেখকের লেখা ভালো, বেশ ভালো। চরিত্রগুলোর ভিতর কোথায় যেন হুমায়ুন আহমেদের প্রভাব। বিশেষ করে দৃঢ়চেতা লাবণী আর বিশেষত্বহীন বাদলের কেমিস্ট্রি। এটা আমার পড়া লেখকের প্রথম বই। অন্য বইগুলোও পড়ার আশা রাখি।
মোটেও ভালো লাগেনি, এর আগের লেখকের 'নিঃসঙ্গ নক্ষত্র' পড়েছিলাম, সেটাও তেমন একটা ভালো লাগেনি। উনার লেখার মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের ছায়া প্রকট, সেটা উনি মানতে চান বা না চান। মনে হচ্ছিল হুমায়ূন আহমেদের অনেকগুলো বইয়ের কথা এখানে তুলে দিয়েছেন। সংলাপগুলোও উনার মতনই। তাও ভালো যে অন্যান্য উপন্যাসের মতন এটাকে টেনে লম্বা করেননি। প্লটটাও খুবই কমন।
বইটা অনেকদিন ছিল টেবিলে, আজ শেষ করলাম। এত্ত দেরি করা উচিৎ না কোন বইপড়া নিয়ে। Sadat Hossain এর আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই শেষ করলাম মাত্রই। শেষে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়ে গেলো। রাবেয়া আসলে কার সাথে বহুদিন পর দেখা করলো, তার বহুল প্রতীক্ষিত স্বামীর সাথে দেখা হয়েছে ? লাবণীর হুটহাট করে বিয়ে করে ফেলাটা অদ্ভুত ছিল, বাদল হয়তো পৃথিবীর না পাওয়া মানুষদের দলভুক্ত। রতন বাচ্চা হলেও তার মনে গভীরতা ছিল, গভীর জীবন বোধ ছিল...জীবনে অনেক পোড় খেয়ে সে অনেক বেশিই শক্ত হয়ে গিয়েছে।
আমি এখন এমন হয়ে গেছি যে একটা বই পড়ে খারাপ লাগলেও আগের মতো রুঢ় হতে পারিনা। কিন্তু কিছু কিছু বই পড়ে হতেও চাই। কারণ মৌলিকতা খুব জরুরী একটা জিনিস। সেটা না থাকলে, বিশেষ করে একজন লেখকের চেনা লেখার ধরন, চরিত্র গঠন, মুখের বাক্য থেকে বেড়তে না পারলে খুব রাগ লাগে। তারপরো এই বইটা অহেতুক লেখক তার অন্যান্য বইয়ের মতো টেনে টেনে লম্বা করেন নি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র দুইটি জায়গায় দুইটি চরিত্র যখন শোক প্রকাশ করে সেই অংশটুকু প্রচণ্ড রকম লেখকের নিজের মনে হয়েছে। সেইজন্য দুই তারা।
আমার পড়া সাদাত হোসাইনের প্রথ বই। শুরুটা মানবজনম দিয়ে করবো ভেবেছিলাম। কিন্তু এত বিশাল বই আর লেখকের লেখার এত দূর্নামের জন্য সাহস হয় নাই। আবার এত সুনাম যে না পড়েও উপায় নেই🥴 তাই এই পিচ্চি বইটাই সই। বইয়ের নাম থেকে শুরু করে চরিত্রের নাম, চরিত্রের কাজকারবার, লেখার স্টাইল, এমনকি একেকটা বাক্যও হুমায়ুন আহমেদেরই 🥴🥴 হুমায়ুন আহমেদ যেন মরিয়াও মরেন নাই। খালি সেই জাদুটা হালকা গায়েব। এই আরকি….
গল্পের শুরু হয় লাবনীকে দিয়ে, যেখানে এক সামান্য কারনেই সে তার বিয়েটা ভেঙে দেয়। কারন তার হৃদয়ের আকাশে যে শুধু বাদল ছেয়ে আছে, আর তা তার বাবারও জানা আছে কিন্তু মেয়েদের ভালোবাসার কি আদৌ কোন দাম আছে!
পাঁচ ভাইয়ের এর বোন নাসিমা বেগম, মা-বাবার আদরের মেয়ে, ভাইদের প্রিয় বোন কিন্তু সব ভালোবাসাকে পিছনে ফেলে একজনের হাত ধরে চলে এসেছিলেন তিনি। সাতাশ বছরেও দেখা করেননি পরিবারের সাথে যার জন্য, সেই কিনা বিয়ে করে বসে আছে তার মেয়ের বয়সী কাউকে। এই লজ্জা নিতে পারেননি তিনি। চলে গিয়েছিলেন- না ফেরার দেশে, হয়তো ভেবেছিলেন বেঁচে যাবেন। কিন্তু এখন চাইলেও তিনি বাঁচতে পারবেন না। দুনিয়ার সামান্য ব্যাথা থেকে বাঁচতে গিয়ে অনন্তকালের কষ্টে ঝাপ দিয়েছেন তিনি, যেখান থেকে বাঁচার আর কোনো উপায় নেই। হয়তো আর একটু ধৈর্য ধরলে সত্যিকার অর্থেই বেঁচে যেতেন তিনি।
বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল জোহরার কিন্তু বিয়ের দিন তিনেক আগেই হঠাৎ বিয়ের জন্য অসম্মতি জানায় পাত্র। এদিকে ঋণে জর্জরিত জোহরার বাবা, বাপদাদার ব্যবসা ধরে রাখতে প্রত্যেক বছর কড়া সুদে ঋণ নিয়েছেন অনেকের কাছে। আলতাফ ঘট��� প্রস্তাব নিয়ে আসে টাকা শোধ হয়ে যাবে কিন্তু শর্ত একটাই আজহার উদ্দিনের সাথে জোহরার বিয়ে। কিন্তু কোন বাবা মা কি চাইবে তাদের বয়সী কারো সাথে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে! রাজি হননি জোহরার বাবা। এরইমধ্যে চারদিক থেকে চাপ আসছে ঋণশোধ করার, আত্নহত্যা ছাড়া আর কোন পথ দেখছিলেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত বাবার দিকে চেয়ে বিয়েতে রাজি হয়ে যায় জোহরা। কোরবানি করে দেয় সে নিজেকে, নিজের খুশিকে।
স্বামী, শাশুড়ী, ছেলেকে নিয়ে ভালোই চলছিল রাবেয়ার সংসার। কিন্তু হঠাৎ করেই তার স্বামী ফরিদ নিখোঁজ। কি হলো, কোথায় গেলো ভেবে পায় না রাবেয়া। শেষ পর্যন্ত রাবেয়া কি ফিরে পেয়েছিল তার স্বামী ফরিদকে!
আরো অনেকগুলো ক্যারেক্টার নিয়ে এই বইটি। আর হ্যাঁ গল্পের শেষে একটা টুইস্ট আছে, অনেকটা যেমন কর্ম তেমন ফল টাইপের।
This entire review has been hidden because of spoilers.
সাদাত হোসেনের পড়া দ্বিতীয় বই। শুরু থেকেই হুমায়ূন আহমেদকে প্রচন্ডভাবে অনুভব করেছি। বইয়ের কিছু কিছু উক্তি হুমায়ূন আহমেদের থেকেই শব্দ এদিক ওদিক করে দেয়া মনে হয়েছে। গল্পের কাহিনী মোটামুটি। সেখানেও হুমায়ূন আহমেদের ছাপ ছিল।
আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই-বুক মিভিউ একজনের হাতে ব্যাগ দেখলাম। বইমেলায় আর কিছু হোক একটা বই ই সে কিনবে। মানব জনম। বাপরে বাপ-একজন লেখকের জন্য স্পেশাল ব্যাগ। যিনি কিনলেন তিনিও যেন তেন মানুষ নন। ২০ টাকার দুরন্ত বেলুনে মুখভরা হাসি দেবার ক্ষমতা আছে তার। তাই শুরু করলাম। সাদাত হোসাইনের বই পড়া। দেখি কি আছে তার লেখায়। তুলনা করতে গেলে বলতে হয়-তরুণ লেখকদের বেশি বই পড়া হয় নি-তাই তুলনা চলে না। হুমায়ুন আহমেদ এর বই নিয়ে যদি গবেষণা হত-ঠিকমত ভাবা হোত-যে কি কারণে হুমায়ুন আহমেদ এর বই এত পাঠককে টানত। হয়তো সামনে হবে। তবে বইটি পড়ে মনে হয়েছে-প্রথম থেকেই সেই দারিদ্র্য এর একটা কুয়াশা বই জুড়ে ছিল-ছিল লাবণীর পাগলামী,আর যথারীতি ক্ষমতাশালী পিতার প্রভাব। আর খন্ড শেষে কিছু উক্তি ছুড়ে দেবার চেষ্টা। অনেক কিছু মনে করিয়ে দেয় বৈকি। প্রথমটি পড়লাম। পরের বইটি সামনে আছে-পড়তে হবে।
আমি বইটা যখন পড়া শুরু করি, আমার এক মুহুর্তের জন্য মনে হয়নি বইটা সাদাত হোসেইন এর লেখা।হুমায়ুন স্যারের গন্ধ ছিলো পুরো লেখা জুরে। লেখার মধ্যে সাচ্ছন্দ্য ছিলো।ওভারোল ভালো লেগেছে।বাট লেখকরে স্বকীয়তা খুজে পাইনি 🙂
কাহিনী মোটামুটি ছিল। বাদলের এই যে নির্লিপ্ত ভাবভঙ্গি, আর লাবণীর এই রূপ চরম লেভেলের সিদ্ধান্তের নমুনা - পাঠক হিসেবে বলবো কোথাও যেন এই বইটাতে অবিকল হুমায়ূন আহমেদের ছায়া চলে এসেছে ;) সব মিলিয়ে এই কাহিনী তেমন ভালো লাগে নি।
আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই - সামাজিক উপন্যাস লেখক - সাদাত হোসাইন এই প্রথম আমি লেখকের কোন উপন্যাস পড়লাম এবং আমার বলতেই হবে, মন ছুঁয়ে গেছে। লেখনী শক্তি অনেকদিন পর আমাকে মুগ্ধ করল। এত সহজভাবে গল্পটা এগিয়ে নেওয়া হয়েছে যে আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। প্লট খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে এবং শেষে এমনভাবে অকস্মাৎ সমাপ্তি আসে যা আমায় স্তম্ভিত করেছে। এখানে শুরুতে এক বড় নেতার ঘরের কাহিনী বলা হয়েছে। নেতার মেয়ে তার জায়গির মাস্টারের প্রেমে পড়েছে ওদিকে নেতা আবার দ্বিতীয় বিয়ে করায় মেয়ের সাথে বাবার সম্পর্ক খারাপ। মাস্টারের আবার বোনের জামাই গ্রামে ফেরে না এবং কোন টাকাও পাঠায় না। গ্রামীণ জীবন, মানুষের কষ্ট, ছোট বাচ্চার আবেগ, প্রেমের ব্যাপকতা, ত্যাগ, প্রতিশোধ, সামাজিক কলুষতা, মানুষের বহুবিধ চিন্তা, অপরাধবোধ এবং জেদ কি নেই এই উপন্যাসে। উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র গুরুত্বপূর্ণ এবং খুব যত্ন করে গড়ে তোলা হয়েছে। অনেকদিন পর একটা ভাল উপন্যাস পড়লাম এজন্য ধন্যবাদ লেখককে। গল্পটা নিয়ে শুধু এটাই বলা যায়, "সাধারনের মধ্যে অসাধারণ"। আমি সবাইকে একবার হলেও পড়ে দেখতে বলব এই ছোট্ট কিন্তু মনে দাগ ফেলার মত উপন্যাসটি। রেটিং - 7.5/10
সাদাত হোসাইনের বই পড়তে গেলে মনে পড়ে জীবন পড়ার কথা। কী চমৎকার চমৎকার কথা বলেন! সাদাত হোসাইনের লেখা ভাষাগুণে অন্যদের থেকে আলেদা হলেও তার লেখায় হুমায়ূন আহমেদকে আঁচ করা যায়। হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস পড়তে গেলে চরিত্রগুলোকে এত জীবন্ত মনে যেন চারপাশের চেনা মানুষের মতো। এই উপন্যাসটা প্রেমের উপন্যাস মনে হলেও সমাজের দুই পরিবারের দুই রকম গ্রামীণ জীবনের দ্বন্দ্ব, বাস্তবতা, দুঃখ, ঝামেলার এক দারুণ মিশেল। উপন্যাসটা শুরু হয় লাবনী বিয়ে ভাঙ্গা দিয়ে। খুব তুচ্ছ অজুহাত দিয়ে বিয়ে ভাঙ্গে পাত্রী নিজেই। বিয়ে ভাঙ্গার একমাত্র কারণ সে তার লজিং মাস্টার 'বাদল' কে ভালোবাসে। বাদলও লাবনীকে ভালোবাসে। 'আজহার উদ্দিন'( লাবনীর বাবা) খুব চালাক প্রভৃতির লোক। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা। মেঘ দেখে বলে দিতে পারে আকাশের মন খারাপ, বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তিনি লাবনী আর বাদলের বিষয়টা সন্দেহ করে কৌশলে বাদলকে একটি স্কুলে চাকরি দিয়ে লাবনীর থেকে দূরে সরিয়ে দেন। আজহার উদ্দিনের প্রথম স্ত্রী নাসিমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। এ সুযোগে আজহার উদ্দিন দ্বিতীয় বিয়ে করেন তার মেয়ের থেকে ৪ বছরের বড় জোহরাকে। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে নাসিমা বেগমকে। সমবয়সীকে মা ডাকতে দ্বিধাবোধ করে লাবনীও। আজহার উদ্দিন নিজের ক্ষমতা, প্রভাব বিস্তার ঘটাতে লাবনীকে মন্ত্রীর ছেলের সাথে বিয়ে চান, যদিও শুরুর দিকে লাবনী রাজি হয়েছিলো কিন্তু, বিয়ের দিন এমন ঘটনা ঘটায় যাতে থমকে যেতে হয় সকলকে। অন্যদিকে ফরিদ ৪ মাস থেকে নিখোঁজ। ফরিদ গল্পের নায়ক বাদলের বোন রাবেয়ার স্বামী। শাশুড়ি ও ছোট ছেলে রতনকে নিয়ে তার সংসার। বড় অভাবে কাটে তাদের দিনগুলো। রাবেয়া টের পায় গভীর রাতে লোভী পুরুষের আনাগোনা তার বাড়িতে। একদিন রাতে রাবেয়াকে জোর করে বাইরে নিয়ে গিয়েছিল কে! সারা জীবন পাশাপাশি থেকেও এক সময় একজন অন্যজনকে চিনতে পারে না। আবার এমনও হয়, এক পলকের দেখায় একে অন্যকে চিনে ফেলে। খুব ভোরে আবছা আলোয় রাবেয়া দেখতে পায় তার প্রিয় মানুষের প্রতিকৃতি। লেখকের নিঃসঙ্গ নক্ষত্র, ছদ্মবেশ উপন্যাসের মত বইটি পড়তে গিয়ে প্রথম দিকে অনেক বিরক্ত হলেও শেষটা ভালো ছিলো। লেখকের নতুন উপন্যাস "শেষ অধ্যায় নেই" এর জন্য শুভ কামনা।
খুব সুন্দর ঝরঝরে একটা ছোট্ট উপন্যাস। লেখার ধরন বেশ ভালো। ছোট ছোট লেখকের বক্তব্য , জীবনদর্শন লেখার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ভাবে উঠে আসে যা পড়তে আলাদা মাত্রা যোগ করে। লেখক পরিণতিতে বিশ্বাসী মানুষ বোঝাই যায়, কিন্তু জীবন সর্বদা পরিনতিপ্রাপ্ত হয় কি? যদিও লেখক পরিণতির দিকে গল্প কে নিয়ে যেতে কখনো খেই হারান না এটাই যথেষ্ট পাওয়ার। সবমিলিয়ে বেশ ভালোই।
সাদাত হোসেনের পড়া প্রথম বই এটি।গল্পের কাহিনী খারাপ ছিলনা।ভালোই লেগেছে। অ্যান্থনি হরোউইটজ এর লেখা 'ম্যাগপাই মার্ডাস ' বই থেকে সাদাত হোসেনের 'শেষ অধ্যায় নেই' বই কপি করার সমালোচনা শুনেছিলাম।এই বইটি পড়ে হুমায়ুন আহমেদের লেখার ধরনের সাথে অনেকটাই মিল খুজে পেলাম। বই পড়লাম সাদাত হোসেনের,, স্বাদ পেলাম হুমায়ুন আহমেদের এই আরকি!!
"আজ আমি কথাও যাব না" করতে করতে যখন আর কথাও আসলেই যাওয়ার থাকেনা তখন মানুষ বলে "আজ আমার কোথাও যাওয়ার নেই"। ঠিক তেমনি হুমায়ুন আহমেদ এর লেখার ধাচ আসতে আসতে শেষে এমন অবস্থা হয়েছে। যাই হোক গল্প খারাপ লাগেনি। ভালই। এখন যাই হুমায়ুন স্যারের কিছু আগের বই পরে আসি।
Sadat Hossain knows how to write, but I felt he should be more careful with his storytelling. Despite his fame, the quality of his work didn’t quite meet my expectations.
Unfortunately I didn’t enjoy this book and wouldn’t recommend it.