ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত দেহের এক সওয়ার । পাহাড় থেকে কোনক্রমে নেমে আসলো ।তারপর লুটিয়ে পড়লো, একেবারে অজ্ঞান। নিটোল স্বাস্থ্যের এক রূপবান আরব্য যুবক। কি নিষ্পাপ মুখখানি! আরসালানের বুকটা মোচড় দিয়ে উঠলো, কে এই যুবক? কোন পাষন্ড তাকে এমন করে ক্ষত করলো? বাঁচবে তো?
হারিসের মুখে ‘লুবনা’ নামটা শুনে আরসালানের মনটা বিষন্ন হয়ে উঠলো। কে এই লুবনা? এক লুবনাকে জানতে গিয়ে কত রহস্যময়-আনন্দময় এবং বিষাদমাখা কাহিনীর জট খুলতে লাগলো।
হারিস কি পালাতে পারবে তুর্কি দুশমনদের নরক যন্ত্রণার কয়েদখানা থেকে? মুসলিম খেকো রক্তচোষা লাখো তুর্কির হামলা কি রুখতে পারবে তাগাখার স্বল্প সংখ্যক মুজাহিদ বাহিনী?
কত বড় দায়িত্ব চেপে বসেছে লুবনা ও তুরখানার ওপর। শত্রুর পেটে বসে কি ওরা পারবে শত্রুর বুক ছিন্ন করতে? মজলুম মুসলমানদের বাচাতে পারবে জালিমদের নির্মম-নিষ্ঠুর অত্যাচার থেকে? ওরা কি হয়ে উঠতে পারবে অমর উপাখ্যানের সেই ‘বীরদীপ্ত নারী’।