"জীবনের সুখ-দুঃখগুলো বৃষ্টির মত। ক্ষণিকের জন্য আসে, তারপর চলে যায়। শতচেষ্টা করেও এদের আটকে রাখা সম্ভব হয় না। চলে গেলেও এরা চিরতরে হারিয়ে যায় না। বিশেষ বিশেষ সময়ে মনের জানালায় উকি দেয়। উকি দিয়ে জানিয়ে দেয় - আমরা এখনও বেচে আছি। এই লেখাটিতে বার বার বৃষ্টির কথাটি এসেছে। অবেলার সেই বৃষ্টিতে অতি সাধারণ কিছু চরিত্রের সুখ-দুঃখগুলো ভিজেছে।"
বইটা পড়ার সময় আপনি স্পষ্ট হুমায়ুন আহমেদের ছায়া খুজে পাবেন। ইদানিং বেশ কিছু লেখকের মাঝেই এই বিষয়টা দেখা যাচ্ছে। তবে লেখক জন রাসেল কাহিনীটা অনেক ছড়িয়ে ফেলে শেষে এসে মনে হয় হাপিয়ে উঠেছিলেন। মনে হলো শেষটা বেশ তাড়াহুড়ো করেই করেছেন। ছোট পরিসরে উপন্যাস লেখার ক্ষেত্রে এটা মাথায় রাখা উচিৎ ছিল।
ব্লাড ক্যান্সার পেশেন্ট আসিফ এর সাথে একদিন দেখা হয়েছিল মিরার। এরপর আর কখনো দেখা হয়নি। মানছি লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট বলে একটা ব্যাপার আছে কিন্তু তাই বলে এরপরে আর আসিফের সাথে দেখা না হওয়ায় মিরা মানসিক রুগি পড়বে, নিজের বাবাকে চিনতে পারবে না, এটা একটু বাড়াবাড়িই মনে হয়েছে আমার কাছে। মুকিত চরিত্রটা ঠিক কেন এসেছে উপন্যাসে বুঝতে পারিনি। অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। তবে নতুন লেখক হিসেবে একেবারে খারাপ লেখেনি। ভবিষ্যতে ভালো কিছু পাওয়া যাবে আশা করা যায়।