বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই এক নতুন বিপর্যয়ের আঘাতে কেঁপে ওঠে অসহায় সাদিয়া। ঠিক এমন সময় সম্পূর্ণ অজানা, অচেনা এক পুরুষ এগিয়ে এল, বাড়িয়ে দিল সাহায্যের হাত। কে ওই লোক? কেন এত ঝুঁকি নিচ্ছে সে? সাদিয়া বুঝতে পারে, জীবনের সব চাওয়া-পাওয়ার পেছনে আছে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা। রূপাও তো সামান্যই চেয়েছিল। ভেবেছিল, চাচার স্নেহছায়ায় কাটিয়ে দেবে অনুঢ়া জীবনের দিনগুলো। কিন্তু ওই চাওয়াটুকুর জন্যে আর কত মুল্য দেয়া যায়? জটিলতা আর প্রেমের সঙ্গে এ-কাহিনীতে আছে অনেক চাওয়া-পাওয়ার বুনন- সে শুধু আপনার।
খন্দকার মজহারুল করিম ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বর মাসে রোমান্টিক সিরিজের শুরুটা করেন এবং এই সিরিজের সবচেয়ে বেশি বই তার লেখা। রোমান্টিক সিরিজ ছাড়াও তিনি উপন্যাস সিরিজের একটি বইও লিখেছিলেন।
পর পর তিনটা রোমান্টিক পড়লাম। প্রথম দুইটায় মুগ্ধ হয়েছিলাম। এটায় এসে হতাশ হলাম। কাহিনী বাস্তবতা বর্জিত লেগেছে। প্লটটাও ভালো ছিলো না। সাদামাটা কাহিনী লেগেছে। তাছাড়া রোমান্টিক বইয়ে শুধু রোমান্সই ভাল্লাগে। ষড়যন্ত্র, খুন এসব চাইলে তো থ্রিলারই পড়া যায়। অবশ্য রোমান্টিক বই-য়ে যে এগুলো থাকে না, তা নয়। আমি আসলে পিওর রোমান্টিক বই খুজছিলাম। তাই আশাহত হয়েছি।