"Between my finger and my thumb The squat pen rests; snug as a gun.
Under my window, a clean rasping sound When the spade sinks into gravelly ground: My father, digging...."
('Digging', Seamus Heany)
আইরিশ কবি শেইমাস হিনির মতোই তিনি রাজনীতির ইতিহাস আর ইতিহাসের রাজনীতি লিখে যান। বিশ্ব তাঁকে ডাকে। পূর্বপুরুষের রক্তও। এ-ই বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর - বাংলাদেশের হাতেগোণা "সক্রিয়" সাহিত্যিকদের একজন।
১৯৩৬ এ জন্মানো সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক বহু দেশে অধ্যাপনা করেছেন। ষাটের বেশি গ্রন্থপ্রণেতা জাহাঙ্গীরের কলম গদ্যে-পদ্যে-শিল্প-সমালোচনায় সমান চমকপ্রদ, চিন্তাজাগানিয়া। 'বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার" পেয়েছেন ১৯৬৯ সালে। মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে নিরন্তর লড়াইয়ের একটি স্বীকৃতি: 'জাহানারা ইমাম স্মৃতি পুরস্কার'।
মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার এক বিশ্বস্ত চিত্র পাওয়া যায় জার্নালটিতে। গেরিলা তৎপরতা, পাক বাহিনীর গণহত্যা, সাধারণ মানুষের টিকে থাকার চেষ্টার কথা অনবরত লিখে গেছেন গ্রন্থকার। যদিও চাপা ভয় ও দিনযাপনের গ্লানি পুরোপুরি ফুটে ওঠে না। তখন লেখক যেসব শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তার অনেককিছুই পরে সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। রাজনৈতিক শিক্ষা ব্যতীত মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং না দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি। একাত্তরের নভেম্বরে আমাদের কেরানীগঞ্জে সংঘটিত এক বর্বর হত্যাকাণ্ডের আনুপূর্বিক বিবরণও পেলাম এতে। এক জায়গায় মৃত্যু নিয়ে বর্ণনা আছে এমন -
"বাঁচা শব্দটি এখন জীবনের অন্তিমতম প্রান্তে অবস্থিত, অলৌকিকে অন্তর্ভুক্ত। আগে বেঁচে থাকা স্বাভাবিকের অঙ্গ ছিল, ছিল অধিগম্য ও ব্যবহার্য, এখন মৃত্যুর মুঠির মধ্যে শব্দটির স্থান।"
জার্নাল রচয়িতার জানা ছিলো না যে এমন একটা সময় আসবে যখন যুদ্ধ ছাড়াই প্রতিনিয়ত মানুষকে মৃত্যুর সাথে বসবাস করতে হবে।