শক্তিশালী র্যাঞ্জার হিগিন স্পেন্সারের কুমতলব বানচাল করে দিয়ে এখন মহাবিপদে আছে সিডনি ব্যারন। ওর পিছনে সেরা কয়েকজন পিস্তলবাজ লাগিয়েছে স্পেন্সার – তারমধ্যে রয়েছে কুখ্যাত গুপ্তঘাতক সু মাতিন, যাকে কেউ কোনদিন দেখেনি। বিগত পাঁচ বছরে কোন কাজ হাতে নিয়ে একটি বারও বিফল হয়নি এ-লোক। চারিদিকে শত্রু। সিডনি কি পারবে টিকে থাকতে?
কাজি মাহবুব হোসেনের লেখা দিয়ে ওয়েস্টার্ন সিরিজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। কাজি মাহবুব হোসেন ওয়েস্টার্ন সিরিজ ছাড়াও পিশাচ কাহিনী ও অনুবাদের বেশ কিছু বই লিখেছিলেন যা অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। এবং তাঁর প্রথম বই অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৮২ সালে।
নায়ক হচ্ছে সেই লেবেলের আর নায়কের পিছু ধাওয়াকারী খুনিও কোন অংশে কম যায় না। সে খুনের কথা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জানায়। কী সাহস! এই খুনিকে খোঁজা করা আর ভূত খোঁজা একই কথা। কেননা খুনি গত পাঁচবছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে তার কাজ চালিয়ে গেলেও কেউ কখনো তার চেহারা দেখেনি, কেউ আন্দাজও করতে পারে না সে কে। সে যে কখন কোথায় আছে আর কোথায় নাই এটা কেউ জানে না। এমন গুণী ব্যাক্তির পেশাদারী জীবনের সব থেকে বড় ভুল হচ্ছে নায়ককে টার্গেট করা। ঘুঘু দেখেছ ফাঁদ দেখ নাই....এইবার বুঝবা নায়ক কী বস্তু।