ইস্তাম্বুল । শুধু নাম না, জীবন্ত ইতিহাস । অবস্থানগত কারণে সবার লোভাতুর নজর একবার করে হলেও পড়েছে । নানা ধর্মের, গোত্রের, সংস্কৃতির, পেশার মানুষের চলাচল এখানে ছিল । আর এখনো আছে । দু এক লাইনে ইস্তাম্বুলের বিবরণ, উঁহু । অসম্ভব । বুলবুল সারোয়ারের লেখনীতে কিঞ্চিত পরিচয় উঠে এসেছে বারাঙ্গনা ইস্তাম্বুলের ।
লেখক ইতিহাসের প্রতিপদে বিচরণ করতে চেয়েছেন । করেছেনও বটে । চোখ ভরে দেখেছেন । আবেগের সাথে স্মরণ করেছেন ইতিহাসকে । ভ্রমণকাহিনী লেখা আর অন্য কাহিনী লেখার বিস্তর তফাত । মনের চোখে দেখে, রসের কালিতে মাখিয়ে, আবেগের কাগজে ফুটিয়ে তুলতে হয় । লেখক কার্পণ্য করেননি ।
সব মিলিয়ে দারুণ একটা উপাখ্যান ।