Various is the correct author for any book with multiple unknown authors, and is acceptable for books with multiple known authors, especially if not all are known or the list is very long (over 50).
If an editor is known, however, Various is not necessary. List the name of the editor as the primary author (with role "editor"). Contributing authors' names follow it.
Note: WorldCat is an excellent resource for finding author information and contents of anthologies.
জাপান ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুল অ্যালমনাই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে জাপান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ শিশু কর্তৃক প্রকাশিত এই বইটাতে ছয়টা গল্প আছে। যাদের এই গল্পগুলোর কোনটাও আগে অন্যত্র পড়া নেই তাদের পক্ষে এই রূপান্তরটা পড়ে জাপানী রূপকথার স্বাদ পাওয়া একটু দুষ্কর। রূপকথার গল্পে বর্ণনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারণ সেটাই চিত্রকল্পটা তৈরি করে। এখানে সেই বর্ণনারই ব্যাপক অভাব আছে।
পাত্রবহনকারী রাজকুমারীঃ এটা কি রাজকুমারী হাসে-হিমে’র গল্প? না। তবে হাসে-হিমে’র গল্পের সাথে ব্যাপক মিল আছে।
শব্দের পাহাড়ঃ এটা কাচি-কাচি ইয়ামা’র বাংলা রূপান্তর। তানুকি ড়্যাকুন জাতীয় কুকুর, মোটেও বিড়াল নয়; যেমন মোচি পিঠা বা কাকুমোচি মোটেও গম দিয়ে বানানো নয়। গল্পটার প্রথম অংশে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সম্ভবত শিশুদের কথা বিবেচনা করে বীভৎসতা পরিহার করা হয়েছে। তবে এসব পরিবর্তনে তানুকিকে শায়েস্তা করার যে মজাটা মূল গল্পে ছিল সেটা এখানে ফুটে ওঠেনি।
ফুল ফোটানো বুড়োঃ এটা হানাসাকা জীঈসান-এর বাংলা রূপান্তর। বাংলা করার সময় যে পরিবর্তনগুলো করা হয়েছে সেগুলো দরকার ছিল না। মৃত পোচি’র তার প্রভুর স্বপ্নে উপস্থিত হয়ে নির্দেশ দেবার ব্যাপারটি বাদ দেয়ার কোন দরকার ছিল না। জাপানী রূপকথায় স্বপ্নের ব্যাপক ভূমিকা আছে। সেটিকে উপেক্ষা না করলে ঠিক হতো।
বানর ও কাঁকড়ার ঝগড়াঃ এটা সারু কানি গাসেন-এর বাংলা রূপান্তর। এখানে কাকি ফল না বলে এর বাংলা নাম গাব বলা যেতো। যেমন গোবরকে শৈবাল বানানোর দরকার ছিল না। পান্তা বুড়ির গল্পের সাথে অনেক মিলযুক্ত এই গল্পে গোবর বললে পাঠক আরো একাত্মতা অনুভব করতো। এই গল্পে বানর কর্তৃক মা-কাঁকড়াকে হত্যার ঘটনা এড়ানোর জন্য তাকে বাবা কাঁকড়া বানানো হয়েছে, মৃত্যুকালে বাচ্চার জন্ম দেবার ব্যাপারটি এড়ানো হয়েছে, বাচ্চা কাঁকড়া কর্তৃক বানরকে হত্যার ব্যাপারটিও এড়ানো হয়েছে। এসবের কোন দরকার ছিল না। আমাদের দেশের রূপকথায়ও প্রচুর ভায়োলেন্স আছে।
উরাসি মাতারোঃ 浦島 太郎 = উরাসিমা তারো হয়, উরাসি মাতারো নয়। যে জীবনে একটা জাপানী রূপকথা শুনেছে সে-ই সম্ভবত উরাসিমার গল্পটা শুনেছে। তো সেই গল্পের নাম ভুল হয় কী করে! তাছাড়া এমন বহুল প্রচলিত, বহুল পঠিত গল্পটিকে কাটছাঁট করে, পরিবর্তন করে এর সৌন্দর্যটি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।
মানজুকুমারীঃ এটা কামাকুরার প্রথম শোগান ইয়োরিতোমো’র স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কিসো ইয়োশিনাকা’র প্রতিরোধ পর্যায়ের গল্প যেখানে এক সেনাপতি কন্যা কারাইতো গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে শোগানকে হত্যার মিশনে যায়। এখানে দেয়া গল্পটি অন্য আরেকটি ভার্সান যেখানে কারাইতো’র কন্যা তাকে ইয়োরিতোমো’র কারাগার থেকে উদ্ধারের মিশনে যায়। এই গল্পটি এমনভাবে বলা হয়েছে যে এর ক্লাইম্যাক্স নষ্ট হয়ে গেছে।
সাত জন অনুবাদকের নাম একসাথে দেয়া, অথচ গল্পের সংখ্যা ছয়। তাহলে একাধিকজন মিলে কোন অনুবাদটা করা হয়েছে? জানার উপায় নেই। প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণে ফরিদা জামান। প্রচ্ছদ নিম্নমানের হলেও অলঙ্করণ ভালো হয়েছে। তবে ছবিতে জাপানী রীতি আরও সতর্কতার সাথে প্রয়োগ করা দরকার ছিল।