২৫ শে মার্চ রাত ১০টা পড়েই বুঝেছিলাম এই লেখক একটা চিস । দুর্দান্ত তার লেখনী । তারপর তান্ত্রিকের মূর্তি পড়ার পর সেই ধারনা আরো বদ্ধমূল হল । তাই এইবার আরামসেই "ড্রাকুলার বংশধর" পড়া শুধু করলাম । আগেরবারের মত এইবারও আআমকে হতাশ হতে হয় নি । গোয়েন্দা গল্পকে হাস্যরসাত্মক উপায়ে বর্ণনা করে খব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন । তিনটা গল্প ছিল । তিনটায় বেশ ভালো লেগেছে । গল্পে কোন টুইস্ট নেই । কিন্তু তারপরও ভালো লেগেছে ।
প্রায় একযুগ আগে পড়া এই বইটি অত্যন্ত সুখপাঠ্য। বইয়ের মূল চরিত্র গুলদা এবং পার্শ্বচরিত্র গোন্ডাকে নিয়ে যদি আরো বই থেকে থাকে তাহলে এখানে add করার অনুরোধ করছি।