অভিজিৎ চৌধুরীর জন্ম ১ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩, মধ্য কলকাতায়। ইংরেজি সাহিত্যে এম এ। পি জি ডি পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট। ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস(এক্সিকিউটিভ)। বর্তমানে তেহট্ট, নদীয়ার বিডিও।প্রকাশিত উপন্যাস ‘মন্থরা’, ‘সমাগত মধুমাস’(১ম ও ২য় খণ্ড), ‘ধর্মান্তর’, ‘ধর্মে আছি জিরাফে নেই’ ইত্যাদি। ছোটগল্পের বই ‘দশটি গল্প’। পেয়েছেন মদনমোহন তর্কালংকার সম্মাননা ২০১৭। ‘মন্থরা’ উপন্যাসটি ওড়িয়া ভাষায় অনূদিত।
আশির দশকে, যখন "আনন্দমেলা", "সন্দেশ" আর "কিশোর ভারতী"-র পাতায় আমরা প্রায় প্রত্যেক সংখ্যাতেই এমন এক-আধটা গল্প পড়তে পেতাম যেগুলো ঘাড়ের কাছে ঠাণ্ডা নিশ্বাসের মত হয়ে একেবারে গায়ের লোম খাড়া করে দিত, তখনই অভিজিৎ চৌধুরীর লেখার সঙ্গে আমার পরিচয়| হলফ করে বলতে পারি, এত কম লিখেও এত বেশি করে প্রভাবিত করার মত লেখা আমি কমই পড়েছি| আলোচ্য বইটি অভিজিৎ চৌধুরীর প্রথম গল্প-সংকলন, এবং এটি "ভূতের গল্প" নাম বহন করলেও এর গল্পগুলোকে কোনমতেই প্রথাগত ভূতের গল্প বলা যাবেনা| বিজ্ঞান আর অলৌকিক মিলিয়ে-মিশিয়ে এতে যে গল্পগুলো আছে তারা হল: -
(১) আমার ছোটদাদামশাই আর ইন্ডিয়ান রোপট্রিক (২) ক্রীপ (৩) রুক'স নেস্ট (৪) জলাতঙ্ক (৫) অন্য সোহিনি (৬) আমি (৭) নিশীথ রঞ্জনের মৃত্যু (৮) মাধবীলতা
স্রেফ তিন আর চার নম্বর গল্পদুটোর জন্যেই মাত্র ৪০ টাকা দামের এই বইটি কেনা আর তাতে পাঁচ কি ছয় তারা বসিয়ে দেওয়া যায়, বাকি গল্পগুলো তো বোনাস| যদি বইটি হস্তগত করার সুযোগ পান, তবে দেরি করবেন না| তবে একটা বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এক রাতে একটার বেশি গল্প পড়বেন না, চাপ হয়ে যেতে পারে|