Jump to ratings and reviews
Rate this book

স্মরণের সরণী বাহি

Rate this book

64 pages, Hardcover

Published January 1, 2020

Loading...
Loading...

About the author

Jasim Uddin

56 books88 followers
Jasimuddin (Bangla: জসীম উদদীন; full name: Jasimuddin Mollah) was a Bengali poet, songwriter, prose writer, folklore collector and radio personality. He is commonly known in Bangladesh as Polli Kobi (The Rural Poet), for his faithful rendition of Bengali folklore in his works.

He obtained his BA degree in Bengali from the University of Calcutta in 1929 and his MA in 1931. From 1931 to 1937, Jasimuddin worked with Dinesh Chandra Sen as a collector of folk literature. Jasimuddin is one of the compilers of Purbo-Bongo Gitika (Ballads of East Bengal). He collected more than 10,000 folk songs, some of which has been included in his song compilations Jari Gaan and Murshida Gaan. He also wrote voluminously on the interpretation and philosophy of Bengali folklore.

Jasimuddin started writing poems at an early age. As a college student, he wrote the celebrated poem Kabar (The Grave), a very simple tone to obtain family-religion and tragedy. The poem was placed in the entrance Bengali textbook while he was still a student of Calcutta University.

Jasimuddin is noted for his depiction of rural life and nature from the viewpoint of rural people. This had earned him fame as Polli Kobi (the rural poet). The structure and content of his poetry bears a strong flavor of Bengal folklore. His Nokshi Kanthar Maath (Field of the Embroidered Quilt) is considered a masterpiece and has been translated into many different languages.

Jasimuddin also composed numerous songs in the tradition of rural Bengal. His collaboration[4] with Abbas Uddin, the most popular folk singer of Bengal, produced some of the gems of Bengali folk music, especially of Bhatiali genre. Jasimuddin also wrote some modern songs for the radio. He was influenced by his neighbor, poet Golam Mostofa, to write Islamic songs too. Later, during the liberation war of Bangladesh, he wrote some patriotic songs.

Jasimuddin died on 13 March 1976 and was buried near his ancestral home at Gobindapur, Faridpur. A fortnightly festival known as Jasim Mela is observed at Gobindapur each year in January commemorating the birthday of Jasimuddin. A residential hall of the University of Dhaka bears his name.

He was honored with President's Award for Pride of Performance, Pakistan (1958), DLitt. by Rabindra Bharati University, India (1969) Ekushey Padak, Bangladesh (1976), Independence Day Award (1978).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
6 (85%)
3 stars
1 (14%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Shadin Pranto.
1,511 reviews567 followers
December 18, 2020
ড. দীনেশচন্দ্র সেনের স্মৃতিচারণ করে ক্ষীণকায়া এই পুস্তক লিখেছিলেন জসীম উদদীন। তাতে অতীত দিনের অনেক ঘটনা বর্ণনা করেছেন। নিজের সাহিত্য জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের পাশাপাশি উন্মোচন করেছেন এদেশের সাহিত্যাঙ্গনের পরিচিত কিছু মুখের অপরিচিত ও অজানা মুখোশ।

তখন দশম শ্রেণিতে পড়েন। হঠাৎ ইচ্ছে হলো কলকাতায় যাবেন। দুইটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই যাত্রা। এক. কাজী নজরুল ইসলামের সাথে দেখা করা এবং দুই. মৈমনসিংহ-গীতিকার সম্পাদক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের সাক্ষাৎ লাভ।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জসীম উদদীন কলকাতা পৌঁছালেন রাতে। থাকার কোনো আশ্রয় নেই। অগত্যা রাস্তায়েই মাথার নিচে ইট দিয়ে ঘুমালেন। সকালে কাজী নজরুলের সাথে দেখা হলেও হতাশ হয়েছিলেন সেবার। কেন এই হতাশা তা কবি স্পষ্ট করেননি। দ্বিতীয় গন্তব্য দীনেশচন্দ্র সেনের বাড়ি। রাস্তায় হঠাৎ পরিচয় ড. শহীদুল্লাহর সাথে। শহীদুল্লাহ সাহেবও দীনেশ সেনের বাড়ি যাচ্ছিলেন।

কিছু পুঁথি সংগ্রহ করেছিলেন জসীম উদদীন। তা দেখে বৃদ্ধ দীনেশচন্দ্র সেন ভীষণ আনন্দিত হয়ে পড়লেন। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জসীম উদদীনকে তখনকার সত্তর টাকা মাইনেতে পুঁথি সংগ্রাহকের কাজে নিযুক্ত করেছিলেন।

ফরিদপুর ফিরে এসে সবাইকে এই সুসংবাদ দিলেন জসীম উদদীন। কিন্তু কেউ তা বিশ্বাস করতে চাইল না। সবচেয়ে বেশি অবিশ্বাস করেছিলেন কবির পিতা। ফরিদপুর সারদাসুন্দরী কলেজের এক সাহিত্যসেবী অধ্যাপক উপরন্তু বলেছিলেন দীনেশবাবু জসীম উদদীনকে ঠকিয়ে পুঁথিগুলো হাত করতে চান! মাসের শেষে নগদ সত্তর টাকা হাতে পাওয়ার পর সকলের সন্দেহ দূর হলো।

দশম শ্রেণির ছাত্রকে পুঁথি সংগ্রাহক হিসেবে মূল্যায়ন করলেও কবি বলে স্বীকার করতে তখনো রাজি ছিলেন না দীনেশচন্দ্র। নিজের কবিতার খাতা তাঁকে দেখাতে গিয়ে বরং 'ধমক' খেয়ে ফিরে এসেছিলেন।

দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত 'কল্লোল' পত্রিকার ফরিদপুর এজেন্ট ছিলেন জসীম উদদীন। ঐ অঞ্চলে পত্রিকাটির বিক্রি-বাট্টা তিনি দেখাশোনা করতেন। তাই 'কল্লোল' পত্রিকার কর্তৃপক্ষের সাথে তার হৃদ্যতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল৷ সম্ভবত সেই হৃদ্যতাকে স্মরণ করে কবিযশোপ্রার্থী জসীম উদদীন একটি দীর্ঘ কবিতা লিখে পাঠান 'কল্লোল' পত্রিকায়। এই ঘটনার কমপক্ষে ছ'মাস পর পত্রিকার শেষ পাতায় ছোট্ট ছোট্ট হরফে 'কবর' কবিতাটি ছাপা হয়৷ এই কবিতা প্রকাশের পর জসীম উদদীনকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে চিরস্থায়ী একটি আসন প্রাপ্তি মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জসীম উদদীনের 'কবর' কবিতা আলোড়ন তুলেছিল। যে দীনেশচন্দ্র জসীম উদদীনের কাব্যশক্তিকে উপলব্ধি করতে পারেননি, সেই দীনেশবাবু জসীম উদদীনের কাব্যপ্রতিভার কথা শতমুখে প্রচার করতে চাইলেন৷ 'এ ইয়াং মোহামেডান পোয়েট' শিরোনামে দীর্ঘ একটি প্রবন্ধ রচনা করে জসীম উদদীনকে বাংলা সাহিত্য মহলে পরিচিত করার মহান দায়িত্বটি পালন করেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন।

জসীম উদদীনের বড়ো হিতাকাঙ্ক্ষী ছিলেন দীনেশচন্দ্র। তাঁর পরিবারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জসীম উদদীন লিখেছেন। বর্ণনা করেছেন পূর্ববঙ্গের মানিকগঞ্জে জন্ম নেওয়া ড. দীনেশচন্দ্রের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সংগ্রাম।

'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদদীনের শ্রেষ্ঠকর্ম। কিন্তু প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই তা পাঠকপ্রিয়তা পায়নি। আদৃত হয়নি সমালোচকদের কাছে। ড. দীনেশচন্দ্র সেন লেখালিখি করে 'নক্সী কাঁথার মাঠ'কে পাঠকের চোখের সামলে মেলে ধরেন। সমালোচকদের উদ্বুদ্ধ করেন আলোচনায়।

'সোজন বাঁদিয়ার ঘাট' জসীম উদদীনের অন্যতম কীর্তি। এই কাহিনিকাব্যে মুসলমান নায়ক ও হিন্দু নায়িকার মিলনকাহিনি বিবৃত হয়েছে অনবদ্য ভঙ্গিতে। কিন্তু সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতো ভাষাতাত্ত্বিক জসীম উদদীনের এই সাহিত্যকীর্তি না পড়েই সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। নবনীতা দেবসেনের পিতা নরেন্দ্র দেবের মতো ব্যাক্তিরা জসীম উদদীনকে 'সাম্প্রদায়িক' আখ্যা দেন। জসীম উদদীন তখন চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, যদি এই বইয়ের কোনো পাতায় সাম্প্রদায়িকতার প্রমাণ করতে পারে। তবে তিনি সেইসব পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলে দেবেন। তথাকথিত 'অসাম্প্রদায়িক' এসব গুণী-জ্ঞানীদের ভণ্ডামি দেখে বিতৃষ্ণায় মন বিষিয়ে ওঠে। ভাবতে ইচ্ছে করে সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধিসম্পন্ন এসব কীটকে কী অসাধারণ মানুষ হিসেবেই না এতদিন দেখে এসেছি!

খোদ রবীন্দ্রনাথ 'সোজন বাঁদিয়ার ঘাট'-এর রিভিউ লিখে গ্রন্থটিকে সাম্প্রদায়িকতার মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত করেন।

ড. দীনেশচন্দ্র সেনকে কখনো সইতে পারেননি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় গং। কারণে-অকারণে তাঁকে অপদস্ত করা এদের নেশায় পরিণত হয়েছিল। 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'-এর মতো গ্রন্থকে এরা মূল্যায়ন করেনি। বৃদ্ধ বয়সে অপরিমেয় পরিশ্রম করে লেখা 'বৃহৎবঙ্গ' গ্রন্থের রস এই সুনীতিকুমার গং আস্বাদন করেনি। তারা দলবেঁধে দীনেশচন্দ্র সেনের শিকারে বেরিয়েছিল৷ 'বৃহৎবঙ্গে' কিছু ভুল ছিল। যা হয়তো পরবর্তী সংস্করণে দীনেশচন্দ্র সংশোধন করতেন। কিন্তু সেই সুযোগ না দিয়ে 'শনিবারের চিঠি'র দাঁড়কাক সজনীকান্ত লিখেছিল, দীনেশচন্দ্রের মাথার ওপর সুপারি রেখে তা হাতুড়ি দিয়ে ভাঙা উচিত!

জসীম উদদীন অকৃত্রিম সুহৃদ ড. দীনেশচন্দ্র সেনকে স্মরণ করে লেখা এই গ্রন্থ শুধু দীনেশবাবুর মতো অসাম্প্রদায়িক ও মহান ব্যক্তিত্বের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় না ; জসীম উদদীনের কবি হয়ে ওঠার পটভূমি শোনায়। অসাম্প্রদায়িকতার বেশে চরম সাম্প্রদায়িক ও কুটিল বুদ্ধির একদল মানুষের স্বরূপও উন্মোচিত করে।

জসীম উদদীনের গদ্য সবসময় পল্লির মধুমাখা। তাই পড়তে অন্যরকম আনন্দ পাওয়া যায়।
Profile Image for Rubell.
197 reviews23 followers
April 10, 2023
জসীম উদদীনের কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পেছনে যার সবচেয়ে বড় অবদান, তিনি দীনেশচন্দ্র সেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া পল্লীকবি জসীম উদদীন হয়তো নাম না জানা শত শত কবির মত হারিয়ে যেতেন। কথাগুলো আমার মতামত নয়, স্বয়ং লেখকই এমনটা প্রকাশ করেছেন "স্মরণের সরণী বাহি" গ্রন্থে। কবি শ্রদ্ধায় ভালোবাসায় স্মরণ করেছেন পিতৃপ্রতিম দীনেশচন্দ্র সেনকে।

'পিতৃপ্রতিম' শব্দটা সচেতনভাবেই ব্যবহার করেছি। শুরুতে লোকসংগীত সংগ্রহের কাজ দিয়ে কবিকে একটা উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছিলেন ডক্টর সেন। তারপর জসীম উদদীনকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। নক্সী কাঁথার মাঠের ইতিবাচক সমালোচনা লিখে কবি হিসেবে জসীম উদদীনকে লাইমলাইটে এনেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। উপযাচক হয়ে মানুষের উপকার করার গুণ ছিল ডক্টর সেনের। এমন পরোপকারী মানুষের প্রচুর শত্রু দাঁড়িয়ে যায়, তাঁরও দাঁড়িয়েছিল।

দীনেশচন্দ্র সেনের প্রীতিভাজন হবার কারণে কিছু লোকের রোষানলের শিকারও হয়েছিলেন জসীম উদদীন। তাঁদের মধ্যে আছেন বিখ্যাত ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সুনীতিকুমার ছিলেন দীনেশচন্দ্রের রাইভাল গ্রুপের প্রধান ব্যক্তি।
"সোজন বাদিয়ার ঘাট" কাব্যে মুসলিম-হিন্দু নরনারীর প্রেম দেখানো হয়েছে, একদল বললেন এই কাব্য হিন্দু মুসলিমের সম্প্রীতি দেখিয়েছে; তবে কেউ একজন এই কাব্যের বিপক্ষে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ দিলেন, সুনীতিকুমার কাব্যটি না পড়েই অভিযোগ সমর্থন করলেন।

শেষজীবনে বিরোধী পক্ষের লোকেরা দীনেশচন্দ্রকে আঘাতে অপমানে জর্জরিত করেছিল। "বৃহৎ বঙ্গ" নামে এক সুবিশাল ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করলেন দীনেশচন্দ্র সেন। পজিটিভ রিভিউ তিনি পেলেন না। সেই গ্রন্থের ইতিবাচক দিকগুলো এড়িয়ে গিয়ে তার দোষত্রুটিগুলোতে ফোকাস করে কড়া ভাষায় সমালোচনা করা হলো, এমনকি অপমানজনক ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণও করা হলো। নিজের চোখের সামনে এই সম্মানিত বৃদ্ধ লোকটাকে কষ্ট পেতে দেখলেন জসীম উদদীন।

কবি জসীম উদদীন নিজে যেমন ছিলেন পরোপকারী মানুষ, তেমনি সান্নিধ্যেও পেয়েছিলেন পরোপকারী কিছু অসাধারণ মানুষের। আর তাঁর স্মৃতিকথায় সবসময়ই আলোচনা-তর্ক-বিতর্ক করার মত কিছু কড়া উপাদান পাওয়া যায়। এজন্য তাঁর স্মৃতিকথাগুলো সবসময় উপভোগ্য।
Profile Image for Ahmed Aziz.
405 reviews72 followers
July 20, 2025
ড: দীনেশচন্দ্র সেনকে নিয়ে জসীমউদ্দিনের সহজ ভাষায় লেখা অসাধারণ স্মৃতিকথা। সাথে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মত তথাকথিত জ্ঞানী মানুষদের সাম্প্রদায়িক চরিত্র আর নীচ মানসিকতার কথাও তুলে ধরেছেন লেখক। সবমিলিয়ে পড়তে পড়তে সেই যুগে হারিয়ে যাওয়া যায়।
Profile Image for Zihad Saem.
127 reviews10 followers
July 9, 2024
বইঃ স্মরণের স্মরণী বাহি
লেখকঃ জসীম উদ্দিন
প্রকাশনীঃ পলাশ প্রকাশন
মূল্যঃ ১০০ টাকা

গ্রামজনপদ, ভ্রুবিলাসহীন নারীকুল, গ্রাম, নিসর্গ, পল্লীর কথা নিয়ে বাংলা সাহিত্যে এক নূতন ধারা যিনি সৃষ্টি করেছিলেন, তিনি হলেন-- পল্লী কবি জসীম উদ্দিন। বালুচর,নক্সীকাঁথার মাঠ,সোজন বাদিয়ার ঘাট, ধানক্ষেত,বোবাকাহিনী,বাঙালির হাসির গল্প --- সেই সমস্ত শ্যামলতায়- ভরপুর স্নিগ্ধ গ্রাম্য কাহিনী গুলো এখনো পাঠকদের নাগরিক কলরব পরিত্যাগ করিয়ে ছায়াশীতল পল্লীর প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়। 'স্মরণে স্মরণী বাহি' পল্লীর কথা নয়,পল্লী কবি হয়ে ওঠার স্মৃতিচারণা।
'স্মরণের স্মরণী বাহি' পল্লীকবি জসীম উদ্দিনের স্মৃতি গদ্যের বই।একজন কবি জসীম উদ্দিন হয়ে উঠার পেছনের কাহিনীই এই বইতে বিবৃত হয়েছে।
কবি জসীম উদ্দিনের কবি হয়ে উঠার পেছনে সবচেয়ে বড় যার অবদান, তিনি হলেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন।দীনেশচন্দ্র সেনের স্নেহ, প্রেরনা আর সাহায্যই কবি জসীম উদ্দিন সাহিত্য জগৎ ডালপালা ছড়িয়ে বিশাল বৃক্ষে পরিণত হয়েছিলেন।সাথে তো তার প্রতিভা ছিলোই।
তাছাড়া এই বইয়ে উঠে এসেছে 'ময়মনসিংহ গীতিকার' সংগ্রহের বিভিন্ন ঘটনা। এছাড়া সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়,ড.এনামুল হক, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ সহ বেশ কিছু বিখ্যাতর কথাও উঠে এসেছে। তবে পুরো বই জুড়ে দীনেশচন্দ্র সেনই বেশিরভাগ ছিলেন। 'স্মরণের স্মরণী বাহি' বইটি দীনেশচন্দ্র সেনকে কেন্দ্র করে জসিম উদ্দিন স্মৃতির টুকরো কথাগুলো কোথাও অশ্রুসজল, কোথাও বিস্ময়মুগ্ধ প্রসন্নতা সৃষ্টি করতে পেরেছে।সরল সাধু ভাষায় লেখা এই স্মৃতিকথায় জসিম উদ্দিন যে মমতা ও বেদনার সঙ্গে দীনেশচন্দ্রের চিত্রগুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তা স্মৃতিচারণামূলক বাংলা সাহিত্যে অভিনব।রচনাটি আকারে বৃহৎ না, কিন্তু আবেগে ও বেদনায় বৃহৎ।
লেখাটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, লেখকের আরো অনেক কিছু বলবার ছিলো। কিন্তু মৃত্যু এসে ছেদরেখা টেনে দিলো।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews