কলম্বিয়ায় চলতে থাকা রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন করে চাগিয়ে তুলেছে ভয়ংকর জাতিদাঙ্গার আশঙ্কা। যুযুধান পক্ষেরা শান দিচ্ছে তাদের অস্ত্রে। যে কোনও মুহূর্তে আরম্ভ হতে পারে রক্তের উৎসব। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে খবরের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঘটতে থাকা আরও কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা। দেশের দক্ষিণ পশ্চিমে অ্যামাজনের গভীর রেইনফরেস্টে চলছে অদ্ভুত হত্যালীলা। উজাড় হয়ে যাচ্ছে একের পর এক আদিবাসীদের গ্রাম। আতঙ্কিত মানুষগুলো কেন জঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে এসে আশ্রয় নিচ্ছে শরণার্থী শিবিরে? এর পিছনে কি রয়েছে অপদেবতার অভিশাপ? নাকি আরও ভয়াবহ কোনও সম্ভাবনা উঁকি মারছে উঁচু উঁচু মেহগনি, এবনি এবং আগবা গাছের বিপদসংকুল ছায়ার আড়ালে? বন্ধু এবং পরিবেশ বিজ্ঞানী এভা মার্শালের আমন্ত্রণে কলম্বিয়ায় জঙ্গল হাইকিংয়ে এসে ভাগ্যের ফেরে রহস্য উন্মোচনের চক্রজালে জড়িয়ে পড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন মেজর। সে কি আদৌ পৌঁছাতে পারবে রহস্যের মূলে? তার ঘুম না আসা শ্রান্ত চোখদুটো একবারও কি পাবে শান্তির পরশ?
পড়ুন রুদ্র চৌধুরী সিরিজের প্রথম উপন্যাস “আলফা ব্লু”।
জন্ম দক্ষিণ কলকাতায়। স্কুলজীবনের পড়াশোনা যথাক্রমে নাকতলা হাই স্কুল এবং যোধপুর পার্ক বয়েজে। ইলেকট্রিক্যাল নিয়ে বি.টেক পাশ করেন জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে। বর্তমানে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে স্ত্রী, পুত্র, কন্যাসহ বসবাস করলেও ওর মন রয়ে গেছে বাংলার ছায়া-ঘেরা অলিতে-গলিতে। স্কুল কলেজের পরে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে লেখালেখির জগতে প্রবেশ। একাধিক শারদীয়া পত্রিকা, সংকলন ও অরণ্যমন-এর ‘বৃশ্চিক’ সিরিজে প্রকাশিত হয়েছে তার কল্পবিজ্ঞান এবং থ্রিলারধর্মী গল্প।
কলম্বিয়ার জঙ্গলে দেখা দিয়েছে এক ভয়ানক বিপদ। তার ছোঁয়ায় উজাড় হয়ে যাচ্ছে গ্রামকে গ্রাম। ইতোমধ্যে বৃহৎ পুঁজি আর কায়েমি স্বার্থ সে-দেশে তৈরি করেছে এক ভয়াবহ রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এমনই পটভূমিতে সাংবাদিক বন্ধুনির ডাকে সাড়া দিয়ে জঙ্গলের মধ্য দিয়ে হাইকিঙের উদ্দেশ্য নিয়ে কলম্বিয়ায় এসে পৌঁছোল প্রাক্তন সৈন্য রুদ্র। আর আসার কিছুদিনের মধ্যেই সে বুঝতে পারল, সে যা দেখছে বা শুনছে, আর বাস্তবে যা ঘটছে, তাদের মধ্যে বিস্তর ফারাক। কেন? আসলে কী ঘটছে এখানে? এর থেকে কি মুক্তি পাবে সে ও তার বন্ধুরা? এই রুদ্ধশ্বাস বায়োথ্রিলারটি পড়া শুরু করে একেবারে শেষ করেই ছাড়তে হল। বইটা শেষ হয়েছে কিছুক্ষণ হল, তবে তার ঘটনাগুলো— আরও বেশি করে চরিত্রেরা— আমার পিছু ছাড়ছে না। তবু চেষ্টা করি নিজের মুগ্ধতার কারণগুলো গুছিয়ে লিখতে। প্রথমত, রুদ্রের মতো একটি চরিত্রের বড্ড বেশিরকম প্রয়োজন ছিল আমাদের। দক্ষ ও গুণী এই মানুষটি নিজের অতীতের অন্ধকার আর ক্ষতস্থানগুলো থেকে পালিয়ে বেড়াতে চায়; কিন্তু তারা তাকে মুক্তি দেয় না কিছুতেই। আর এই করতে-করতেই তার চারপাশে জমে ওঠে ঝরে পড়া শুকনো গোলাপের মতো স্মৃতি আর মৃত্যুর স্তূপ। তবু সে পথচলা থামায় না। দ্বিতীয়ত, কলম্বিয়া দেশটা তার অপার সৌন্দর্য, উষ্ণ মানুষজন, আর অপরাধ নিয়ে একেবারে জীবন্ত হয়ে উঠেছে এই বইয়ে। বাংলা উপন্যাসে এই দেশটিকে আগে কখনও, অন্তত এতটা নিবিড়ভাবে, পেয়েছি বলে তো মনে হয় না। এহেন পটভূমিতে লেখক অ্যাকশন ও রোমান্সের ঘনঘটা দেখিয়ে বই পড়ার অভিজ্ঞতাটাকে অনেক বেশি সিনেমাটিক করে তুলেছেন। তৃতীয়ত (এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ), বাংলায় ভালো বায়োথ্রিলার কোটিতে গুটিক। সেই ধারায় এই উপন্যাস এক অত্যুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল। এর বিজ্ঞানের জায়গাটা নিয়ে চাপ আছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি রাজনীতি, কর্পোরেট লোভ, আর অজ্ঞতাজনিত দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে যে কীভাবে শক্তিমানের হাতে ক্রীড়নক হয়ে ওঠে মানুষ, পরিবেশ, এমনকি সৃষ্টি— তার সুস্পষ্ট নিদর্শন ধরা পড়েছে এতে। লেখককে অকুণ্ঠ অভিনন্দন জানাই এমন একটি গতিময় ও চিন্তা-উদ্রেককারী, রুচিশীল, প্রাপ্তমনস্ক থ্রিলার উপহার দেওয়ার জন্য। ভরসা রাখি যে আগামী দিনেও তিনি এমন করে রুদ্রকে আবার আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনবেন। বইটির মুদ্রণ শুদ্ধ ও বানান মোটের ওপর পরিপাটি। বেশ কিছু অলংকরণ লেখাটিকে সমৃদ্ধতর করেছে। সব মিলিয়ে বলব, যদি ব্যতিক্রমী অথচ একেবারে আনপুটডাউনেবল একটি থ্রিলার পড়তে চান, তাহলে এটিকে উপেক্ষা করবেন না।
সমালোচকের দৃষ্টি বা cynical দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এই বই পড়লে প্রচুর ত্রুটি বিচ্যুতি চোখে পড়বে কিন্তু অবাক করে লেখকের লেখনীর গতি। আমরা গোগ্রাসে হলিউডের Extraction, John Wick গিলি Taken দেখে হাততালি দিয়ে উঠি কিন্তু নিজেদের ভাষায় এমনকি নিজেদের দেশে এরকম একটা দুটি কাজ হলেই সেগুলিকে "ঝাপা কনসেপ্ট", "গাঁজাখুরি" এরকম বাছা বাছা বিশেষণে ভূষিত করি। এই উপন্যাস একাধারে Pulpy, Massy আবার একাধারে বাস্তবের যথেষ্ট কাছাকাছি। গল্পের প্রেক্ষাপট লেখক যেখানে প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং মূল গল্প যেভাবে এগোয় তাতে লেখকের পড়াশোনা ও চর্চা ভালো ভাবেই প্রকাশ পায়। এককথায় এই লেখা unputdownable! কিভাবে ১৫০ পৃষ্ঠার বই শেষ হয়ে যাবে আপনি বুঝতেই পারবেন না। লেখকের থেকে এরকম আরো লেখার অপেক্ষাতে থাকবো বিশেষ করে লেখক যদি এই চরিত্রটিকে আরো কিছু লেখায় ফিরিয়ে আনেন তাহলে এই মূর্খ পাঠকের খুশির অন্ত থাকবে না।
আমার পড়া বাংলার প্রথম বায়ো থ্রিলার কাহিনী আমার এক্সপেক্টেশনকে সম্পূর্ণ ভাবে ম্যাচ করতে সক্ষম হয়েছে এবং বরাবরের মতন সিদ্ধার্থ বাবু এবারেও আমায় নিরাশ করেন নি। স্টোরি বিল্ডিং থেকে শুরু করে চরিত্র গঠন থেকে শুরু করে জিও পলিটিক্যাল ইস্যু থেকে শুরু করে একশন, এডভেঞ্চার, প্রেম, সংঘাত মিলিয়ে এক দুর্ধর্ষ কাহিনী পড়ে শেষ করলাম যা শেষ করার পরেও তার রেশ রাখতে সক্ষম হয়েছে। বাকি আরও detailed review নিয়ে আসবো আমার চ্যানেল BM Book Review তে।
Alpha Blue is a kind of book that you can't put down once you start reading it. I will call it a near future science fiction (going by the rate of progress of AI) with right mix of action, adventure and emotions. The backdrop of amazon rain forest and a strong protagonist makes it a compelling chilling read.
Dont remember when (/ whether) I had last read such a thrilling science fiction in bengali. I was awe struck by the amount of research done for each main or sub plots. The ending might have been done in a different way, but thats just a readers thought. In one word - unputdownable.
বইটা পড়ে আমি যত-না মুগ্ধ, তার চেয়েও বেশি অবাক। একজন বাঙালি লেখক এই উচ্চতায় চিন্তাভাবনা করছেন!
সম্প্রতি অনেকের মুখেই পত্রপাঠ প্রকাশিত 'রুদ্র সিরিজ'-এর বইগুলির প্রশংসা শুনছিলাম। নববর্ষের দিন কিনে ফেলেছিলাম দু-খানা বই-ই। প্রথমটা পড়া শেষ হতে বুঝলাম কেন এত চর্চা চলছে সিরিজটি নিয়ে।
আফ্রিকার জঙ্গলে অভিযানের অনেক কাহিনি আমরা পড়েছি। তুলনায় অ্যামাজনের জঙ্গল বাংলা সাহিত্যে কম এসেছে। আর এই কাহিনির প্রেক্ষাপট তুলনায় আরো কম আলোচিত অ্যামাজনের অংশ- কলম্বিয়া।
কলম্বিয়ার নাম ড্রাগ-লর্ড পাবলো এসকোবারের দৌলতে বিখ্যাত। নেটফ্লিক্সের 'নার্কোস' সিরিজের সৌজন্যে সে-দেশের বোগতা, মেদলিন, কালি- ইত্যাদি শহরকে আমরা দেখে ফেলেছি। কিন্তু তার বাইরে কলম্বিয়ার কিছু ছোটো শহর, সর্বোপরি অ্যামাজনের জঙ্গল এই কাহিনির ক্যানভাস। গল্প নিয়ে বেশি কিছু লিখব না, কিন্তু এ-টুকু বলব তার পদে পদে রোমাঞ্চ, মোচড়, অনিশ্চয়তা আর উত্তেজনা।
গল্পে একদিকে যেমন অসাধু ব্যবসায়ী, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসবাদ, অন্যদিকে তেমনই প্রেম আর কবিতা। পরতে পরতে মিশে থাকা সায়েন্স-ফিকশন। অ্যাকশনের দৃশ্যগুলির বর্ণনা এতই জীবন্ত, যেন মনে হয় চোখের সামনে ঘটছে। গল্পের আরেকটি চমক হল, তা উত্তর পুরুষে লেখা। কেউ যেন আপনাকে সামনে বসে তার জীবনের গল্প শোনাচ্ছে। এর ফলে ঘটনাগুলো আরো বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে। শেষ করেকটি পাতায় লেখক তো এমন শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা সৃষ্টি করেছেন যে, প্রায় পঁচিশটি পাতা এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেলতে হয়েছে।
এইসবের সাথে সাথে কলম্বিয়ার ইতিহাস, জনবিন্যাস, গ্রামীণ জীবনযাত্রা চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। সে-সব চরিত্রগুলির কথাবার্তার মাধ্যমে উঠে আসায় কখনোই মনে হয় তথ্যের ভার অসহ্য হয়ে উঠছে।
আরেকটা কথা বলি, সাম্প্রতিককালের বিভিন্ন বইতে প্রচুর মুদ্রণ-প্রমাদ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন বইয়ের গ্রুপে এই নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। এই অপারেশন আলফা ব্লু- তে কিন্তু কোনো মুদ্রণ প্রমাদ চোখে পড়েনি। ঝকঝকে ছাপা, পাতার মান খুবই ভালো। ফন্টের আকার চোখের পক্ষে আরামদায়ক। অলংকরণ সুন্দর। খুব যত্ন নিয়ে কাজটা করা হয়েছে।
Fasten your seatbelt, because Siddhartha Pal's "Alfa Blue" is a heart-pounding thriller that will whisk you away on a rollercoaster ride of suspense. Siddhartha, a fresh voice in the genre, establishes himself with a distinct style that's both meticulously detailed and utterly captivating.
The book delves deep, offering a rich tapestry that keeps you guessing until the very end. Siddhartha's characters are not one-dimensional archetypes, but rather, vibrant and relatable individuals you'll find yourself invested in. Their journeys unfold with a captivating energy that keeps the pages turning.
What truly elevates "Alfa Blue" is Siddhartha's masterful storytelling. His prose is crisp and clean, drawing you into the narrative with an undeniable pull. The story unfolds with an addictive quality, making it nearly impossible to put the book down.
Here's what makes "Alfa Blue" a must-read:
A Gripping Plot: Siddhartha weaves a meticulously crafted thriller that will keep you on the edge of your seat. A Distinct Voice: The author brings a fresh perspective to the genre, with a writing style that's both detailed and captivating. Relatable Characters: You'll find yourself invested in the journeys of the characters, each one vividly brought to life by Siddhartha's skillful writing. A Page-Turner: The book's addictive quality makes it difficult to put down, leaving you eager to discover the next twist. Whether you're a seasoned thriller reader or just discovering the genre, "Alfa Blue" is a must-add to your bookshelf. Siddhartha Pal is a talent to watch, and his this novel is a testament to his exceptional storytelling skills.
Alpha Blue is a pageturner fiction. I am generally a slow reader, taking days to finish a book as I go through every place and reference, search them over the internet, and try to learn more. However, I finished this book off in two nights. This book has all the right flavors: SpyGame, geopolitics, and Science Fiction. To get them all together in one story and presenting this way is highly commendable. Where the writer excels are,
- The choice of scenic locations in the Amazon forest and their descriptions, will surely transport the reader to that place. - The way the writer describes an OT scene reflects how well-read and researched this work is. - The character development in pageturner friction is difficult as it may slow down the pace. However, the writer skillfully added the Character Arcs between the events So that the reader can connect with the characters and still not lose track of the story.
The last time I read such an "unputdownable" book was Dan Brown's Digital Fortress. Alpha Blue gave the same thrills after a long long time. All the Best to The writer Siddhartha Pal.
বাংলায় এই ধরনের বায়ো-টেকনো-থ্রিলার আগে পড়েছি বলে মনে নেই।
সিনেম্যাটিক লেখা, এবং তার সাথে টেকনিক্যালিটি নিয়েও লেখক যথেষ্ট সচেতন। যেভাবে গল্পের পরিবেশ প্রেক্ষাপটের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা লেখকের গবেষণার সাক্ষ্য বহন করে, তবে অযথা ইনফো-ডাম্পিং নেই কোথাও। কলম্বিয়া দেশটি নিয়ে অনেক কিছুই জানতাম না, এই বইটির সুবাদে সেই শূন্যস্থান কিছুটা পূরণ হলো। এই গল্প নিয়ে বেশ ভালো সিনেমা বা ওয়েব-সিরিজ বানানো যায় (হয়তো পশ্চিমে তাই হতো, কিন্তু এখানে গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না) ।
রুদ্র চৌধুরীর পরবর্তী এডভেঞ্চারের অপেক্ষায় রইলাম...
পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছিল কোনও ওয়েব সিরিজের এপিসোড দেখছি। পদে পদে নতুন এডভেঞ্চার এখানে, ঘটনা ঘটছে সুদূর কলম্বিয়ার গহীন জঙ্গলে। সেখানে এক আদিম অপদেবতার হাতে একে একে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে বিভিন্ন জনজাতি। কিন্তু প্রভাবশালী ও যুদ্ধন্মাদ কর্পোরেট লোভের হাতে পরে সেইসব খবর আর বাইরে আসেনা। সেখানে এই পরিস্থিতিতে উপস্থিত হয় এক বাঙালি, ভারতীয়, রুদ্র, সেই আমাদের গল্পের নায়ক। সে সহজেই বন্ধুত্ব পাতায় ওই দেশের প্রভাবশালী মহলের একজনের সাথে। ঘটনাচক্রে তাকে অংশগ্রহণ করতে হয় এক অ্যাডভেঞ্চার সফরে যেখানে সে মুখোমুখি হয়ে আমাজনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা এক বিভীষিকা যা তৈরি হয়েছে গোপন ল্যাবে। কিন্তু কি কারণে ছাড়া পেয়ে এখন জঙ্গলের সর্বোত্তম শিকারীতে। এরপর অনেক দুর্ঘটনার মধ্যে তারা সেই প্রাণী গুলিকে মারতে সক্ষম হয়, কিন্তু তাতে প্রাণ হারায় আমাদের নায়ক বাদে প্রায় সবাই।
এখানে একটি স্পাই থ্রিলারের আমেজ থাকলেও আমার এটা একটি অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস হিসাবেই ভালো লেগেছে। অনেক দৃশ্যকল্পই সিনেমাটিক। এটা নিয়ে একটা বাঙলা সিনেমা হলে বেশ জনপ্রিয় হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমার মনে হয়। প্রসঙ্গত এখন এটি একটি নতুন প্রচ্ছদে এসেছে। যদিও শিল্পীর নামের পাশে কাল্পনিক লেখা আছে, তবুও আগেরটির তুলনায় বেশ ভালো। এর মধ্যে রুদ্র পরের অ্যাডভেঞ্চারে বেরিয়ে পড়েছে যদিও তা এখনও আমার পড়া হয়নি।