আরিজোনার স্বপ্নময় ন্যাশনাল পার্ক অর্গান পাইপ ক্যাকটাস মনুমেন্টে বেড়াতে গেল গোয়েন্দা কিশোর, মুসা ও রবিন। কিন্তু মরুভূমিতে পৌঁছাতে না পৌঁছাতে তীক্ষ মোড় নিল পরিস্থিতি, ভয়াবহ বিপদের দিকে ধাবিত হলো ওরা। অতি মূল্যবান, দুষ্প্রাপ্য ক্যাকটাস গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে রহস্যময়ভাবে। এরপর যোগ হলো আরও কিছু অদ্ভুত রহস্য। চোখের সামনে এতসব ঘটতে দেখেও চুপ করে থাকার বান্দা নয় বেপরোয়া তিন কিশোর গোয়েন্দা। শত্রুর পিস্তলের গুলি, মারাত্মক বিষাক্ত র্যাটলস্নেক, মরুর ভয়ংকর সূর্য, হিংস্র কায়োট, কোনো কিছুরই পরোয়া না করে রাতের আঁধারে মরুভূমির বুনো অঞ্চলে সমাপ্তি ঘটাল এক রহস্যময় রোমাঞ্চ নাটকের।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
This book was okay but not comparable with the ones in original series. The humor, plot twists, witty remarks were hugely missing. I also miss the beautiful descriptive of different places which were in the main books. As a hard core fan of main "তিন গোয়েন্দা" series, this felt kind of lifeless to me.