ট্যাঙ্গোর সুর পুরো বইটাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। পুরো বইটা পড়ার সময়েই যেন মনে হয় কানে সত্যি সত্যি ট্যাঙ্গোর সুর বাজছে। ফ্যাসিবাদের সাথে কমিউনিজম, ফ্যাসিবাদের বর্বরতা পুঁজিবাদ ঘৃণা ইত্যাদির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বুলগেরিয়ার কৃষক সমাজে কিভাবে কমিউনিজম মুক্তির উপায় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল, কিভাবে একটা যুদ্ধ শুধু দুইটা দলকেই না, বরং আশেপাশের দেশের মাঝেও কিভাবে প্রভাব বিস্তার করে তা ভালই ফুটে উঠেছে। নাৎসীবাদ আর কমিউনিজম মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিল ইস্টার্ন ফ্রন্ট আক্রমণের সময়, তার নেপথ্যে ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে কমিউনিজমের এক দ্বান্দ্বিক কাহিনী এই ট্যাঙ্গো।
"... ওর ডোরাকাটা জেলের প্যান্টের পকেটে বরিস একটা বড় সেফটিপিন পেল। সেটা পেয়ে ও এত খুশি হয়ে গেল কেন সে জানে না। মনে হল ওটা যেন তাকে মুক্তির পথ দেখিয়ে দেবে, কিন্তু এই তুচ্ছ জিনিসটি ওর কী কাজে লাগতে পারে?..."
গড়পরতা ... লেখকের এজেন্ডা বেশ স্পষ্ট, তবু ভালো বলতে গেলে।