বহুল ব্যবহৃত ক্যাভালরি হ্যাট ফেলে ভবঘুরের বেশে অ্যারিজোনার উদ্দেশে রওনা দিল মেজর জন ক্যালকিন। উপরঅলার নির্দেশঃ সাবেক সার্জেন্ট কার্ল রিডলকে খুঁজে বের করো, তারপর পায়ে লোহার বেড়ি পড়িয়ে তাকে হাজির করবে আর্মি পোস্টে। রিডলের অপরাধঃ চার বছর আগে, গৃহযুদ্ধের শুরুতে ফোর্ট লারামি থেকে সেনাবাহিনীর কয়েক মাসের বেতন নিয়ে আসছিল সে, কিন্তু সহকর্মীদের নৃশংসভাবে খুন করে চল্লিশ হাজার ডলার নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায় সে। বলা যতটা সহজ, কাজটা কিন্তু ঠিক ততটাই কঠিন। কারণ নিজেই একটা শহর গড়ে তুলেছে কার্ল রিডল। তার অধীনে আছে বহু বেপরোয়া দুর্ধর্ষ লোক। স্বয়ং আর্মিকে ঠেকিয়ে দিতে সক্ষম এরা। অথচ জনকে কাজটা করতে হবে একা...
যুদ্ধ শুরুর আগের ঘটনা (চার বছর আগে), মেজর জন ক্যালকিন যখন রেঞ্জার ছিল, সাউথ পাসের মাইনিং কাম্পের গোলমাল সামাল দিচ্ছিল ফোর্ট লারমির সৈনিকেরা। ঝামেলার কারনে কয়েকমাসের বেতন আবকি পড়ে যায় তাদের। অবস্থা বেগতিক দেখে কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট জ্যাক ভর্ডন, এসকর্টে ছিল সার্জেন্ট টার্ক ওয়াইম্যান আর ৮ জন ট্রুপার। টাকা নিয়ে আসার পথে আম্বুশের শিকার হয় তাদের দল। ওয়াইম্যান ছাড়া সবাই নিহত হয়। লুট করে ৪০হাজার ডলার ওয়াইম্যান সহযোদ্ধাদের খুন করে।
ঠিক চার বছর পর এক কর্পোরেলের চিঠি থেকে জানা যায়, বেনিং নামক এক মাইনিং ক্যাম্পে সার্জেন্ট ওয়াইম্যানকে দেখেছে সে। এলাকার প্রভাবশালী র্যাঞ্চার হয়ে গিয়েছে সে এবং বলা যায় শহরের মালিক সে। কঠিন কিছু মানুষের পাহাড়ায় থাকে সে। কার্ল রিডল নাম ধারন করেছে এখন সে। তার তথ্যের ভিত্তিতে সৈন্য পাঠিয়েও লাভ হয়নি। আগে থেকেই খবর পেয়ে সে সীমান্ত পেরীয়ে মেক্সিকোতে চলে যায়। সৈন্য চলে যাবার পরে পূনরায় আবার ফিরে আসে সে শহরে।
ক্যালকিনের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল হেনরি গারফিল্ড ক্যালকিনকে স্পেশাল মিশনে পাঠাল বেনিং এ। রিডলকে ধরে নিয়ে আসতে হবে জীবিত। কিন্তু কাজটি তাকে করতে হবে আন্ডার কভারে। যাতে রিডল টের না পায় ক্যালকিন সেনাবাহিনীর লোক। বেনিং শহরে এসেই সে ঝামেলায় জড়িয়ে গেল রিডলের সেলুনে। আসতে না আসতেই ঝামেলায় জড়িয়ে গেল সে। ক্যালকিন কি পারবে বুদ্ধি খাটিয়ে এত গুলো হার্ডকেসের মধ্যে থেকে রিডলকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যেতে?