উত্তর কলকাতার বনেদি বাড়ি ‘ব্রজধাম।’ সেখানেই ভোরবেলায় আত্মহত্যা করলেন ইতিহাসের অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ব্রজমোহন চক্রবর্তী। সন্দেহ এটা আত্মহত্যা নয়, খুন। খুনের মোটিভ কী? নির্বিবাদী ব্রজমোহনকে কে বা কারা খুন করবে? তাঁর ঘর ভর্তি মিশরীয় দুর্লভ জিনিস, কীভাবে এলো এসব জিনিস? খুনের পরেও সে ঘর থেকে চুরি গেল না কিছুই।
রবীন্দ্রনাথ…শান্তিনিকেতন… সোনাঝুরি, বাঙালির নস্টালজিয়া। সেই রাঙামাটিতে কি মিশে যাবে কারোর রক্ত? লগ্নজিতা কোপাইয়ের ধারে সূর্যাস্ত দেখতে গিয়েও কিসের ছায়া দেখল? একটা রহস্যময় ডায়েরি যার হদিস কারোর কাছে নেই, তবুও সে ডায়েরি আছে। কী আছে ওই ডায়েরিতে? কোন ভাষায় লেখা সেই ডায়েরি?
জন্ম নবদ্বীপের কাছে সমুদ্রগড়। কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। তারপর চাইল্ড ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টে চাকরি পান। স্কুল ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশিত হলেও লেখালিখির সূচনা ২০১৬ সালের শেষের দিকে। ফেসবুকে নিজস্ব পেজ 'Arpita Sarkar'-এ নিয়মিত লেখালিখি করেন। এই পেজের অনুসরণকারীর সংখ্যা চার লক্ষের অধিক। প্রথম বই প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের বইমেলায়। প্রতিটা বইই পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সামাজিক, প্রেম এবং রহস্য তিনটি ধারায় লেখিকা সমান সাবলীল। ছোটগল্প সংকলন ও উপন্যাস সমানভাবে পাঠক মহলে সমাদৃত। প্রথম শ্রেণীর শারদীয়া সংখ্যায় স্থান পায় লেখিকার লেখা। লেখিকার গল্প নিয়ে হয়েছে বেশ কিছু শর্ট মুভি। তিনটে গল্প নির্বাচিত হয়েছে ফিচারের জন্য। ভারত সরকারের (পূর্বাঞ্চলীয় শাখা) সংস্কৃতি মন্ত্রক কর্তৃক পুরস্কার প্রাপ্ত- ২০২১ সালের সাহিত্য সম্মান পান। জোশটকের মঞ্চ থেকে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পরিচিত মুখ লেখিকা অর্পিতা সরকার।