বিবস্বান ভৌমিক, আইপিএস, দিল্লি পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের ডাকসাইটে অফিসার। মধ্যবয়সি, গাঁট্টাগোট্টা, পাঁচ ফুট আট ইঞ্চির আপাত-বিশেষত্বহীন চেহারা, কিন্তু বুদ্ধি ক্ষুরধার। নয়াদিল্লির জয়সিং মার্গের পুলিশ হেডকোয়ার্টারে কথিত আছে যে, বিবস্বানের কেশবিরল মাথার ভেতর নাকি দিল্লি পুলিশের যাবতীয় ক্রাইম রেকর্ড সঞ্চিত থাকে। জুনিয়র অফিসার রোহিত ভার্মা অত্যন্ত শ্রদ্ধা করে এই রসিক, কাজপাগল মানুষটিকে; ভালোও বাসে। দিল্লির অলিগলি থেকে প্রভাবশালী মহল অবধি অপরাধীর সন্ধানে ক্লান্তিহীন সৈনিক তিনি। কে বলবে, এই মানুষটিই আবার আপাদমস্তক সংসারী, রাত জেগে মেয়ের স্কুলের প্রোজেক্ট শেষ করান! মোট ছ’টি কেসডাইরি নিয়ে সংকলিত হল বিবস্বান সিরিজের প্রথম বই ‘বিবস্বান’। নিছক রহস্যোদ্ঘাটনের বর্ণনা নয়, বরং এই বইয়ের প্রতিটি কাহিনিই বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে ভারতবর্ষের রাজধানীর এক-একটি সামাজিক দলিল।
মৃত্যুবাণ যবনিকার অন্তরালে অদ্ভুত আঁধার তৃতীয় রিপু দ্য কনজিউরিং নীল নক্ষত্রের রাত
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।
প্রথম পড়লাম বিবস্বানের গোয়েন্দা গিরি বা পুলিশ কাহিনী। সুন্দর লেখনী, সহজ সরল ভাষা কিন্তু আকর্ষণীয় গল্পের প্লট। রহস্য গল্পের চিরাচরিত নিয়ম মানা সত্ত্বেও বেশ কিছু নতুনত্ব আছে। গল্পের উপাদানেও অভিনবত্ব আছে। ছোট ছোট মুচমুচে রহস্য কাহিনী পড়তে খুবই ভালো লাগল। অতিরিক্ত লিখে পৃষ্ঠা ভরানোর প্রয়াস নেই। বা গাদা গুচ্ছের তথ্য গুঁজে দেওয়া হয় নি বলে বই পড়তে আরও ভালো লাগে। সবার পড়ার মত বই।
EXCELLENT STORIES FIRST FEW STORIES WERE GOOD BUT LAST THREE STORIES তৃতীয়া রিপু টি কংজুরিং নীল নখোতরের রাত WERE OUTSTANDING Bibaswan a very good character never feels he knows everything but deduces through his intelligence and hardwork.