Jump to ratings and reviews
Rate this book

টাপুরদি-মিতুল #1

টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি

Rate this book
টাপুরদি, ভালো নাম সঙ্ঘমিত্রা ব্যানার্জি, পেশায় প্রাইভেট ডিটেকটিভ। ক্ষুরধার বুদ্ধি আর যুক্তির জাল বুনে টাপুরদি কবজা করে ফেলে দুদে অপরাধীদের। মিতুলকে সঙ্গী করে নির্দ্বিধায় ঝাঁপ দেয় বিপদের মাঝে। কার্শিয়াং-এর চা-বাগানে ষড়যন্ত্রের পরদা উন্মোচন হোক বা প্রাচীন পাঁচালির ধাঁধার রহস্যভেদ, কিংবা খোদ কলকাতার বুকে নিরুদ্দিষ্ট ব্যবসায়ীর সন্ধান হোক বা রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীর রহস্যমৃত্যু, সবেতেই টাপুরদি নিজের তীক্ষ্ণ বুদ্ধির সাক্ষর রাখে। গোয়েন্দা টাপুরদি মিতুলের কাছে একাধারে স্নেহময়ী দিদি ও বন্ধু। কলকাতা পুলিশের তরুণ অফিসার অর্জুনের সঙ্গে টাপুরদির সম্পর্কের রসায়ন কাহিনিগুলিকে আলাদা মাত্রা দেয়। আর ঠিক সেখানেই চিরায়ত। গোয়েন্দা গল্পের ‘ফর্মকে অতিক্রম করে টাপুরদির কাহিনিগুলির উত্তরণ ঘটে নতুন আঙ্গিকে।

260 pages, Hardcover

Published April 2, 2025

1 person is currently reading
27 people want to read

About the author

Somaja Das

17 books7 followers
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (23%)
4 stars
10 (47%)
3 stars
5 (23%)
2 stars
1 (4%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 39 books1,870 followers
December 26, 2020
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই হা-হুতাশ দেখা যায় যে বাংলা সাহিত্যে তন্ত্র, পিশাচ এবং সামগ্রিকভাবে ভূতের নেত্যর ফলে খাঁটি রহস্যভেদ তথা মগজাস্ত্রের প্রয়োগ ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। অভিযোগটি অনেকাংশে সত্যি। কিন্তু এও সত্যি যে এই বছরই আমি অতুলনীয় কিছু রহস্য-গল্পের সংকলন পড়েছি। তাদের কোনোটিতে রহস্যভেদী হয়েছেন কোনো পুলিশ অফিসার (রাজর্ষি দাস ভৌমিক-এর কানাইচরণের কেসফাইল 'কলকাতা নুয়া' এবং ঋতুপর্ণা রুদ্র'র 'গোয়েন্দা গড়াই')। কোথাও পেয়েছি অফিসারের স্ত্রীকে 'গোয়েন্দি' রূপে (অনিরুদ্ধ সাউ-এর 'অর্জুন বধের নেপথ্যে')। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ (কৌশিক রায়-এর 'ভূতনাথ') এবং প্রাক্তন ইনটেলিজেন্স অফিসার (কৌশিক রায়-এর 'চক্রব্যূহে প্রখর রুদ্র')-ও এই ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তাই, অজস্র আগাছার মধ্যেও যে গোলাপ ফুটতে পারে— এমন একটা আশা বাংলা রহস্য-রোমাঞ্চের ক্ষেত্রে পোষণ করাই চলে।
সেই ধারাতেই এবার এল সোমজা দাস-এর 'টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি'।
সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় সংঘমিত্রা ব্যানার্জি (প্রজ্ঞাপারমিতা-র সঙ্গে সাদৃশ্য টু বি নোটেড, মি লর্ড) ওরফে টাপুরদি'র পাঁচটি বড়োগল্প আছে এই সংকলনে। 'কৃতজ্ঞতা স্বীকার' এবং অতি-সংক্ষিপ্ত 'ভূমিকা'-র পর তারা একে-একে এসেছে আমাদের সামনে। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার কী জানেন? এই পাঁচটি গল্পেই সোমজা বাংলা রহস্যগল্পের বেশ ক'টি প্রধান ধারার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করেছেন অত্যন্ত স্মার্ট ও স্বচ্ছন্দ লেখনীতে। গল্পগুলো মৌলিক, কিন্তু তাতে এই বিভিন্ন ধারাকে ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা আমার ভারি চমৎকার লেগেছে। এই কাহিনিরা হল~
১) উত্তরবঙ্গে টাপুরদি— মুখ আর মুখোশের খেলা, তারই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের সৌন্দর্য আর চা! এ কাহিনি যথার্থ ফার্স্ট ফ্লাশ।
২) মৃত্যুর গন্ধ— ওল্ড সিনস্‌ কাস্ট লং শ্যাডোজ। প্রাপ্তমনস্ক ও গভীর গল্প।
৩) পাঁচালির ধাঁধা— ইতিহাস আর শব্দের খেলা মিশে গেছে সম্ভাব্যতা আর রহস্যে। ফেলুদা'র ধারায় চমৎকার লেখা।
৪) ঈশ্বরের হাত— এই বইয়ের সবচেয়ে শরদিন্দু-ধর্মী লেখা। আমার দুর্দান্ত লেগেছে এটি।
৫) রিপুর আবর্তে— আমাদের মতো পোড়খাওয়া রহস্যপিপাসু ব্যাপারটা আগেই বুঝে ফেলবে। গল্পটাতে কিছু অসম্ভাব্য অংশ বাদ দিয়ে সেটাকে আরেকটু কম্প্যাক্ট করাও যেত। তবে বড়োদের গল্প হিসেবে যথেষ্ট উপভোগ্য।
বইটার একমাত্র দুর্বল দিক হল এর বানান। এত চমৎকার লে-আউট নিয়েও বইটা মার খেয়ে গেছে, কারণ প্রুফ দেখাই হয়নি। ফলে শেষ গল্পে অরুণ (পুরো গল্পে অরুন লেখা হয়েছে!) যে কখন অজয় হয়ে গেছে 'ধরতে পারবেন না!' এছাড়া প্রায় প্রতিটি ক্রিয়ার শেষে ও-কারান্ত এবং 'সাথে'-র ঢালাও ব্যবহার যথেষ্ট দৃষ্টিকটু লেগেছে।
এ-বাদে বইটা ফার্স্ট ক্লাস। আমার পড়া স্মরণীয় রহস্য-গল্প সংকলনের তালিকায় এটি যথেষ্ট উপরদিকে উঠে এল।
সোমজাকে ধন্যবাদ জানাই। ভরসা রাখি যে বইয়ের শেষে দেওয়া প্রতিশ্রুতি (টাপুরদি আবার ফিরবে!) তিনি নতুন বছরে পূরণ করবেন।
বইটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। পড়লে আপনাদেরও মন্দ লাগবে না বলেই আমার বিশ্বাস।
Profile Image for Sourav Das.
70 reviews5 followers
April 29, 2021
টাপুরদির অ্যাডভেঞ্চার সত্যিই অসাধারণ। এই বইয়ের চারটি বড় গল্পের মধ্যে আমার সেরা লেগেছে - ঈশ্বরের হাত, উত্তরবঙ্গে টাপুরদি। তার যোগ্য সহকারী হলো মিতুল। গল্পের প্লট, উত্তেজনা কোথাও একটুও কমেনি।গল্পের বাধন, রহস্যের জট ছাড়ানো। খুবই সাবলীল লেখা।

প্রায় সব গল্পই লেখিকা বিভিন্ন কেসের উল্লেখ করেছে। সেগুলি ব্যাপারে পড়ার আগ্রহ জন্মেছে।

খোয়াই পাবলিকেশন এর পেজ কোয়ালিটি আর বাইন্ডিং বেশ ভালো। তবে শেষ গল্পে অরুণ রক্ষিত কখন অজয় রক্ষিত হওয়া গেছে বোঝা যায়নি। এটা নতুন সংস্করণে পাল্টে নিলেই ভালো। সোমজা দিদির কাছে একটাই অনুরোধ টাপুরদি কে যেনো খুব তাড়াতাড়ি ফেরত আনে।
Profile Image for Sruti Misra.
18 reviews3 followers
December 8, 2021



#পাঠ_প্রতিক্রিয়া

বই: টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি
লেখিকা: সোমজা দাস
প্রকাশনী: খোয়াই পাবলিশিং হাউস
মুদ্রিত মূল্য: ২৫০/-

গোয়েন্দা গল্পের ওপর দুর্বলতা কম বেশি আমাদের সকলেরই রয়েছে। কিছুদিন আগে আমি "কৃষ্ণ গহ্বর" নামে একটি বইয়ের ব্যাপারে জানতে পারি। মেয়ে গোয়েন্দা বা গোয়েন্দি টাপুরদির নামের সাথে তখনই পরিচয় হয়। মিতিন মাসি এবং গার্গীর পর এই দলে আরও একজন যুক্ত হল ভেবেই বেশ ভালো লাগছিলো। বইয়ের পাতায় টাপুরদির প্রথম আগমন ঘটে "টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি" এর হাত ধরে। তাই আর দেরি না করে এই বই দিয়েই শুরু করলাম টাপুরদির সঙ্গে গোয়েন্দাযাত্রা। একইসাথে এই প্রথম সোমজাদির লেখা পড়ারও সুযোগ পেলাম। টাপুরদি ছাড়াও মুখ্য চরিত্র হিসেবে রয়েছে আরও দুজন - প্রথম জন হলেন মিতুল, একইসাথে অফিসে কর্মরতা, টাপুরদির অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং টাপুরদির বোনের বান্ধবী। অপর জন হলেন অর্জুন, টাপুরদির মনের মানুষ, দুজনের কর্মসূত্রেই আলাপ, অর্জুন আই পি এস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বর্তমানে হায়দ্রাবাদে ট্রেনিং এ রয়েছে। এই বইটিতে মূলতঃ পাঁচটি গল্প রয়েছে। মিতুলের মাধ্যমেই সকল চরিত্রের সাথে পাঠক মহলের পরিচয় ঘটেছে প্রতিটা গল্পে।

১) উত্তরবঙ্গে টাপুরদি: দীনেন্দ্রনাথ চৌধুরীর নামী ব্র্যান্ডের চায়ের ব্যবসায় ঘটে এক গোলযোগ। এতদিন ধরে খাঁটি মানের চা দেশ বিদেশে পাঠানো হত, কোনো অভিযোগ আসেনি। কিন্তু বেশ কিছু দিন আগে তাদের চায়ের মধ্যেই মিশে থাকতে পাওয়া যায় কিছু পরিমাণ নিম্ন মানের চা। এত যত্ন করে গড়ে তোলা ব্যাবসা যার সাথে তার মান সম্মানও জড়িয়ে রয়েছে। কে তার এত বড় ক্ষতি করেছে? সে কি কোনো ব্যবসায়িক শত্রু নাকি নিজের পরিবারেই দুধ কলা দিয়ে তিনি কাউকে পুষছেন? এই রহস্য সমাধানের জন্যে টাপুরদির সাথে যোগাযোগ করেন তিনি। গোয়েন্দা গল্প হিসেবে পড়তে গিয়ে যতটা আশাহত হয়েছি, দার্জিলিং চায়ের সম্পর্কে প্রচুর অজানা তথ্য জানতে পেরে ঠিক ততটাই ভালো লেগেছে। টাপুরদি কখন কোথায় কিভাবে তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিলেন তা বোঝা দায়। পুলিশই প্রায় ৯৫ শতাংশের বেশি কেস সমাধান করেছেন।

২) মৃত্যুর গন্ধ: বিখ্যাত পাঁচ তারা রেস্তোরাঁ চেনের মালিক অম্বরীশ রায়চৌধুরী তার মৃত্যু আসন্ন জেনে টাপুরদির কাছে এসে অগ্রিম চেক ধরিয়ে দিয়ে যান এবং বলেন তার মৃত্যুর পর তদন্ত চালাতে। এর কিছুদিন পর তিনি মারাও যান। এ কি স্বাভাবিক মৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি খুন? সেই রহস্যের সমাধান হয় এই গল্পে। ব্যোমকেশ বক্সীর গল্পের সাথে খুব সহজেই মিল খুঁজে পাওয়া যাবে। একই ধাঁচের বাক্য বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা হয়েছে। গল্প শেষ হওয়ার পর মনে হয়েছে, এ আমাদের জানা গল্প। শুধু একটু অন্যরকম ভাবে পরিবেশন করা হয়েছে। তবে প্রথম গল্পের তুলনায় একটু ভালো।

৩) পাঁচালির ধাঁধা: মুর্শিদাবাদের এক জমিদার বাড়িতে রাস উৎসব চলাকালীন পুজোর শেষে বাড়ির কর্তা তাদের পূর্বপুরুষের লেখা এক নির্দিষ্ট পাঁচালি পাঠ করেন। পাঠ শেষ হওয়ার পর সেই পাঁচালি আবার এক বছরের জন্য ঠাকুরঘরের সিন্দুকে বন্দী হয়ে পড়ে। বছরের পর বছর এভাবেই চলে আসছে। এটা কি শুধুই কোনো সাধারণ পাঁচালি নাকি এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে কোনো গুপ্তধনের খোঁজ? কেনই বা এই পাঁ���ালি পাওয়ার জন্যে এক বিদেশি নাছোড়বান্দা হয়ে উঠেছেন? রহস্য সমাধানের লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধাপে ধাপে চোখের সামনে ফুটে উঠেছে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজের পাশে থাকা বিশ্বস্ত সেনাপতি মোহনলালের কাহিনী, ইতিহাসের পাতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া লুৎফউন্নিসা বেগম ও হীরার বেদনা ও ত্যাগের কাহিনী। গল্পের বুনন প্রথম দিকে ভালো হলেও শেষে প্রচণ্ড ফিল্মি লেগেছে। এই গল্পের এক চরিত্র আলোকের উল্লেখ রয়েছে অনেকটা এইভাবে - "আলোকের সাথে আমাদের পরিচয় হয় মীরপুরে অর্জুনদার বাড়িতে। 'মীরপুরের বালগোপাল' কাহিনিতে সেই ঘটনার বিবরণ আছে।" গল্পের মাঝে এরকম উদ্ভট রেফারেন্স দেওয়া একদমই মানানসই নয়।

৪) ঈশ্বরের হাত: বিনোদবাবু এক মস্ত ধনী ব্যাবসায়ী, ফোন এবং চিঠির মাধ্যমে খুনের হুমকি পাওয়ায় টাপুরদির সাথে দেখা করেন। দ্বিতীয় গল্পের মতোই এই গল্পেও কিছুদিন পর তার মৃত্যু হয়। শরীরে পাওয়া যায় বিষ। তার মৃত্যুর জন্যে কে দায়ী, এই রহস্যের উদঘাটন হয় এই গল্পে। আবারও ব্যোমকেশের প্রভাব খুব ভালো ভাবে ফুটে ওঠে। গল্পের বুনন প্রথম থেকে শেষ অব্দি বেশ ভালো হলেও গল্পে যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনভাবে একটা চরিত্রের সাথেও কানেক্ট করতে পারিনি। চরিত্রের গঠন আর একটু সময় নিয়ে করলে মনে হয় ভালো হত। তবে গোয়েন্দা গল্প হিসেবে খুব একটা মন্দ লাগেনি।

৫) রিপুর আবর্তে: সৌরভী চট্টরাজ, ধনী ব্যাবসায়ী বিজন চট্টরাজের স্ত্রী, স্বামী চারদিন ধরে নিখোঁজ থাকায় টাপুরদির কাছে এসেছেন। তার সন্দেহ, তার স্বামী কোনো বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত রয়েছে। কিছুদিন পরেই পুলিশ খুঁজে পায় একটা ট্রলি ব্যাগ, যার ভেতর রয়েছে মুখ থেঁতলে দেওয়া, পূর্ণাঙ্গ শরীর কাটা অবস্থায় একটা লাশ। বিজনবাবুকে কে এত নৃশংসভাবে খুন করলো? তার উদ্দেশ্যই বা কি? বইয়ের পাঁচটি গল্পের মধ্যে পঞ্চম গল্পটিই আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে। শেষের টুইস্টটা একদম আশা করিনি। ওই যে কথায় আছে, যার শেষ ভালো, তার সব ভালো। তবে এই গল্পে মুখ্য চরিত্রে থাকা অরুণ রক্ষিতের নাম গল্পের মাঝে মাঝে হঠাৎ পরিবর্তন হয়ে অজয় রক্ষিত হয়ে পড়ছিলো। এই ধরনের ভুল খুব চোখে লাগে।

প্রথম তিনটি গল্পে বারংবার অর্জুনের নামে একই শব্দ ব্যবহার করে একই রকমভাবে ভুয়সী প্রশংসা করা হয়েছে, যেমন - অর্জুনদা পড়াশোনায় খুব ভালো, আই পি এস পরীক্ষা দিয়ে হায়দ্রাবাদে ট্রেনিং করছে, এই কথাগুলো বারবার লেখার কোনো যুক্তি খুঁজে পাইনি আমি। মিতুল টাপুরদির বোনের বান্ধবী, কিন্তু তাদের এরকম ঘনিষ্ঠ পরিচয় কিভাবে হলো তার ব্যাখ্যা কোনো গল্পেই পেলাম না। এই বইতে 'রেবতী হত্যা কান্ড' এবং 'শর্বরী বসু অন্তর্ধান কেস' এর উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু নামের চেয়ে বেশি আর কিছু তথ্য দেওয়া নেই।

আপনারা যদি টাপুরদি মিতুল অর্জুনের সাথে আলাপ পরিচয় পর্ব সেরে নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাদের অভিজ্ঞতা জানাতে ভুলবেন না। এই বইয়ের কোন গল্প আপনাদের সবচেয়ে ভালো লেগেছে, অবশ্যই জানাবেন।

প্রচুর ভালো বই পড়ুন এবং সাবধানে থাকুন।

ধন্যবাদ ❤️
Profile Image for Anirban.
305 reviews21 followers
November 11, 2020
একটি ক্রাইম কাহিনী পড়তে বসে আমি কি খুঁজি? এক, ভালো প্লট;
দুই, ভালো স্পীড;
তিন, ভালো টুইস্ট।
বলতে দ্বিধা নেই লেখিকা তিনটি ক্ষেত্রেই সফল ভাবে উতরে গেছেন। বইটিতে ৫টি গল্প আছে, বড় গল্প। এবং উনি প্রত্যেকটি গপ্পকে প্রায় সমান আয়তনে রেখেছেন। তাই বইটি পড়ার ফ্লো তে কোনোও ঘাটতি হয় না। আর গল্প হলেও উনি তাতে চ্যাপ্টার ভাগ করেছেন। আর বলতে হবে চ্যাপ্টার ভাগটিও বেশ ভালোই হয়েছে।
গোয়েন্দা কাহিনী, তাই মাত্রাধিক বর্ণনা গল্পের স্পীডকে অযথা কমিয়ে দেয়। আবার খুব কম লিখলেও ক্যারেকটার ডেভেলপ হয় না। সেদিম থেকে গল্পগুলির মধ্যমণি যিনি,মানে ভিক্টিম, তাকে প্রতিটা ক্ষেত্রেই গল্পের মাধ্যমে উনি চিনিয়েছেন ভালো করে। অচেনা লোক খুন হচ্ছে, এরমটি মনে হয় না কখনওই।
তৃতীয় গল্পে ইতিহাসের খুব সুন্দর ব্যাবহার করেছেন লেখিকা। কিন্ত যে গল্পটি আমার জন্য, যাকে বলে টেকস দ্য কেক, সেটি হল গিয়ে পঞ্চম গল্পটি। পাক্কা গোয়েন্দাকাহিনী লেখিকার মতন শেষ অবধি জানতে দেননি কি হচ্ছে। উলটে খানিকটা উল্টো পথেই নিয়ে গেছেন পাঠককে। তার জন্য সাধুবাদ জানাই।
০.৫ নম্বর কাটা যাবে শেষ গল্পে একটি প্রফের ভুলের জন্য। আর শেষে একটি টুপি পরে ভদ্রমহিলার ছবি দেওয়া। সেটিকে আর যাই হোক টাপুরের সাথে মিল খাওয়ানো গেল না। জানি না সেটা কার আইডিয়া। আর ব্যাক্তিগত মত, প্রচ্ছদটা একটু বেশি লাউড। বইএর বাধাই বা পাতার কোয়ালিটি বেশ ভালো।

গল্পগুলির নাম:
১. উত্তরবঙ্গে টাপুরদি - শুরুটা বেশ ফেলুদা মার্কা। সুন্দর উত্তরবঙ্গ কে প্রেক্ষাপট করে, চা বাগান কে ঘিরে একটি রহস্য। ৪/৫
২. মৃত্যুর গন্ধ - চায়না টাউনের রেস্তরাঁর মালিক খুনের তদন্ত। ভিক্টিম কে বেশ ভালো রকম ডেভেলপ করেছেন। কাল্প্রিট কেও ভালো রকম লুকিয়ে রেখেছেন শেষ অবধি। ৫/৫
৩. পাঁচালির ধাঁধা - ঐতিহাসিক কন্সপিরেসি থ্রিলার। কবিতাগুলি লেখিকার নিজের লেখা। যার মধ্যে লুকিয়ে আছে সূত্র। ৪/৫
৪. ঈশ্বরের হাত - অনেকটা সেকেন্ড গল্পের মতন। কিন্ত শেষের টুইস্টটি লোভনীয়। ৫/৫
৫. রিপুর আবর্তে - বেস্ট। ৬/৫
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
72 reviews
January 25, 2026
Tapurdir Goyendagiri introduces us with Tapurdi aka Sanghamitra banerjee and Mitul aka maithli sen
Very good stories Last story of Ripur Aborte is awesome, also uttarbange Tapurdi is good, and Mrityur honcho is very good. SOMAJA DAS MAAM HATS off
Profile Image for DIPANJAN MUKHERJEE.
72 reviews
January 26, 2026
Tapurdir Goyendagiri introduces us with Tapurdi aka Sanghamitra banerjee and Mitul aka maithli sen
Very good stories Last story of Ripur Aborte is awesome, also uttarbange Tapurdi is good, and Mrityur Gondho is very good. SOMAJA DAS MAAM HATS off
Profile Image for Snehasis Das.
57 reviews1 follower
February 6, 2022
All five stories are exquisite to read with Tapurdi and mitul with Arjun.

মৃত্যুর গন্ধ and ঈশ্বরের হাত had similar method of killing of poisoning and also depict the shades with complexity of family relationships.

পাঁচালির ধাঁধা involves of historical mystery but kind of imbalance reigned as history revelation was more egregious than the mystery!

উত্তরবঙ্গে টাপুরদি appointed for investigating a crime in tea businesses but that turned up to a decoy at last. Decoy of what? If you wanna know..enjoy the ride with tapurdi and blue moon tea mystery.
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.