মানুষকে সভ্যতার উৎকর্ষে নিয়ে যাওয়ার আদি বুনিয়াদ ছিল কৃষি এবং পশুপালন। বল্লম আবিষ্কারের পর পুরুষসদস্যরা বনেবাদাড়ে খাদ্য অন্বেষণে বােড়িয়ে গেলে, দলের তীক্ষ্ণধি মহিলা সদস্যরা তাদের একমাত্র দায়িত্ব শিশুপালনের পাশাপাশি শুরু করেন কৃষিকাজ এবং বহুল বিচিত্র কুটিরশিল্প। কৃষিকাজের উপযোগী কিছু ছোট ছোট সরঞ্জাম তৈরি থেকে শুরু করে মাটির বাসনকোসন, এমনকি ঘরবাড়ি নির্মাণের কৃতিত্বও আমাদের মায়েদেরই। এসব কাজের যেগুলোতে বিজ্ঞান জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ সেসকল কাজেও তারাই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আবিষ্কারের দাবিদার। আজকের আধুনিক সমাজের বুনিয়াদ সেই কৃষিভিত্তিক সমাজে মায়েরাই বড়, তাদের কাজের ব্যপ্তি, ব্যপকতা এবং বৈজ্ঞানিক কর্মনিপুণতায়। যদিও বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নরকম ক্রমবিকাশ দেখা যায়—নারী সদস্যদের কাজে এবং দেখানো পথ অনুসরণ করে ঘরের কাজে, পশুপালন এবং কৃষিতে স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহন ঘটতে থাকে পুরুষ সদস্যদের। বইটি এক কথায় অসাধারণ! অনেকদিন পড় এক বসায় (৪৫ মিনিট) একটা বই পড়ে শেষ করলাম।