মৃত্তিকা মিত্র আর তার স্বামী পার্থ মিত্র তাদের পূর্ব কলকাতার ফ্ল্যাটে এক সঙ্গে খুন হয়েছে। খুনী হিসেবে অশনি রায়কে লোয়ার কোর্ট দোষী সাব্যস্ত করলেও তাকে বেকসুর খালাস করে দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। কিন্তু শোনা যাচ্ছে পুলিশ নাকি খুব শিগগির ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করবে। তাই অশনি আদিত্য মজুমদারের শরণাপন্ন। অশনি কি মিথ্যে কথা বলছে যে সে মৃত্তিকাকে প্রায় চিনতই না? নাকি অশনির বাবা কার্ডিওলজিস্ট অসীমাভ রায়ের ওপর প্রতিশোধ নেবার জন্য অশনিকে কেউ ফাঁসিয়েছে? যে ড্রাগ-চক্র ইদানীং কলকাতা এবং তার আশেপাশে সক্রিয় হয়েছে তার সঙ্গে কি মৃত্তিকা এবং তার স্বামী পার্থ খুন হবার কোনও সম্পর্ক আছে? পড়তি পাঁউরুটি কম্পানি সেন বেকারির সঙ্গে?
এই বইটা ধরার সময়ই ভাবছিলাম দাদার বাংলাদেশ নিয়ে পশ্চাদ্দেশের চুলকানি এবার কোন লাইনে বেরোবে। বেরোল এক্কেবারে শেষে এসে, যখন জানা গেল সেন্ট্রাল আমেরিকার কোন দেশ থেকে মাদকের চালান নিউইয়র্ক ঘুরে বাংলাদেশে ঢুকে সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকছে। বলি দাদা, ওরা কি আপনার মত মেয়াদোত্তীর্ণ গাঁজা খাচ্ছে যে, নিউ ইয়র্ক থেকে এত ঝামেলা করে বাংলাদেশ ঘুরিয়ে আপনার পশ্চাদ্দেশে মাদক প্রবেশ করাবে? আসলে ভুল বললাম, মেয়াদোত্তীর্ণ গাঁজার সাথে পচে যাওয়া গোবর আর গোমূত্র মিশিয়ে কষে টান না দিলে এমন উর্বর আইডিয়া কারো মাথায় আসবে না। যে জায়গা দিয়ে দাদা এই বোম্বাস্টিক মিক্সচারখানা সেবন করেন, সে জায়গা দিয়েই কিঞ্চিৎ খুজলি-পাঁচড়ার মলম আর ফিতাকৃমির ওষুধ প্রবিষ্ট করালে তার এই চুলকুনি খানিক কমতে পারতো। কেউ কি দাদাকে ওষুধগুলো দয়া করে পৌঁছে দেবেন?