আঠারো শতাব্দীর শেষ সময়, বান্দরবানের কালো পাহাড় দখল করে চলেছে অনাহুত এক শত্রু। যাকে স্বয়ং দেবতা মান্য করে সেখানকার আদিবাসীরা। কিন্তু মারমা তুর্কি উশা এসব বিশ্বাস করতে নারাজ। সাথে তার পাঁচ সঙ্গীদের একই বিশ্বাস। কেউ চাইছে তাদের উৎখাত করে এই কালো পাহাড় নিজেদের আয়ত্তে নিতে। কিন্ত কে আর কেন? একদিকে বার্মিজ রাজার শাসন, অন্যদিকে বাঙালির লোলুভ অত্যাচার, সাথে যুক্ত হয়েছে সুবিধাবাদী মৌজা প্রধান। চারদিক থেকে কোণঠাসা উশা ও তার সঙ্গীরা এবং পুরো মারমা জনগোষ্ঠী। কী করে তারা নিজেদের উদ্ধার করবে সাথে কালো পাহাড়কে এ অপচ্ছায়া হতে বাঁচাবে? দিনশেষে জয় কাদের সঙ্গ দিবে?
জানতে হলে ঢুঁ মারতে হবে রিয়াজ মোরশেদ সায়েমের লেখা ‘কালো পাহাড়’র চলমান অন্তর্দ্বন্দ্বের ঘূর্ণিপাকে।
ছোটোবেলা থেকেই গল্প শুনতে শুনতে একসময় গল্প বলার ভাষাটা রপ্ত করে নিলাম। স্কুলে পড়ার সময় ব্যাংকার হতে চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম অঢেল সম্পদের মালিক হতে, কিন্তু না। হয়ে গেলাম কথার মালিক। জীবনের বাঁকে বাঁকে লক্ষ্য পাল্টে গিয়েছে। শেষমেশ সব পেশার মানুষকে আমার দিকে টেনে এনেছি, গল্প শোনাবো বলে। এই যে, আপনাকে যেভাবে আনলাম। আমার জন্ম দ্বীপ এলাকায়, যেখানে সমুদ্রের জোয়ার এসে আমাকে ছুঁয়ে দেয়। আবার ভাঁটায় গন্তব্য হারাই। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলায় ১৯৯৭ সালের ২০ জানুয়ারি রাতের মাঝামাঝি সময়ে জন্মগ্রহণ করি। বাবা ব্যবসায়ী, মায়ের পেশার শেষ নেই। কখনো ডাক্তার, কখনো ইঞ্জিনিয়ার, কখনো শিক্ষক, কখনো দরজি, কখনো গৃহিণী...। শুধু শখের জন্য লেখালেখি করি না। পেশার জন্য লিখি। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়ছি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। থ্রিলার আমার পছন্দের জনরা। সে জনরায় কাজ করছি, চেষ্টা করছি পাঠকদের ভালো কিছু দিতে। কবিতার পথ ধরে হাঁটা শুরু করলেও থ্রিলার আমাকে তার পথে হাঁটতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে অনুবাদ আমার প্যাশন।
আমার প্রকাশিত অন্যান্য বই-
মৌলিক : জলজ্যোৎস্নার মাখামাখি - ২০১৯ ( কবিতা ), পদ্মজলের সিঁড়ি - ২০২০ ( কবিতা ), মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বাঙ্গালী কিশোর জীবনী - ২০২০ ( জীবনীগ্রন্থ ), চার একটি যৌগিক সংখ্যা, ২য় মুদ্রণ - ২০২১ ( থ্রিলার উপন্যাস ), বিশেষ দ্রষ্টব্য -২০২২ ( থ্রিলার উপন্যাস )।
শিশুতোষ : ১০ খন্ডে ছোটোদের নবি রাসূল - ২০২২ ( গল্পে গল্পে নবিদের জীবনী ) ৫ম মুদ্রণ, ৬ খন্ডে ছোটোদের মহানবী - ২০২২ ( গল্পে গল্পে মহানবীর জীবন )।
অনুবাদ : স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট, মূল - অস্টিন ক্লেওন (২০২২, মোটিভেশনাল) ; ম্যান'স সার্চ ফর মিনিং, মূল - ভিক্টর ই.ফ্রাঙ্কল (২০২৩, মোটিভেশনাল) ; মুরাকামির হাফ ডজন গল্প, মূল - হারুকি মুরাকামি (২০২২, গল্পগ্রন্থ), হাউ টু লাভ, মূল - থিক নাথ হান (২০২২, মোটিভেশনাল), হাউ টু ওয়াক, মূল - থিক নাথ হান (২০২৩, মননশীল), দ্য আলমানাক অব নাভাল রাভিকান্ত, মূল - এরিক জর্জেনসন (২০২৩, উদ্যোক্তা উন্নয়ন)।
বই লেখার ক্ষেত্রে একজন লেখকের প্লট নির্বাচন যেমন গুরুত্বপুর্ণ, তেমনই সেই প্লটের সঠিক উপস্থাপনও বেশ জরুরি। নাহলে দারুণ কোনো গল্প অঙ্কুরেই বিনাশ হয়।
“কালো পাহাড়” বইটার পটভূমি বেশ ভালো। পাহাড়িদের উপর বাঙালিদের অত্যাচারের এক নিদর্শন প্রতিষ্ঠা করেছে। তখন ইংরেজ শাসন চলছে। এই শাসনামলে নিজ ভূখণ্ড স্বাধীন রাখার জন্য বিভিন্ন প্রান্তে লড়াই চলেছে। সন্দ্বীপের মতো একটি দ্বীপকে স্বাধীন রাখার প্রাণান্ত প্রয়াস ছিল। কিন্তু নিজের লোভ, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে যখন কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করে, তখন লড়াইটা একপেশে হয়ে যায়।
সালেহ বেইমানি করেছিল নিজ স্বজাতির সাথে। বিশ্বাসঘাতক কোথাও সুযোগ পায় না। যে ইংরেজদের জন্য তার এই বিশ্বাসঘাতকতা, তারাও পর্যন্ত তাকে খুঁজছে। হয়তো কোনো শাস্তি দিবে। তাকে খুঁজছে স্বজাতি সন্দ্বীপের বাসিন্দারাও। জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বেড়ানো সালেহ থিতু হলো পাহাড়ে। নিজের অপকর্ম সেখানেও ছড়িয়ে দিয়েছে।
পাহাড়িদের উপর অত্যাচার বার্মা রাজাদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। কখনও বিদ্রোহ হয়, ইংরেজরা সাহায্য করে। কিন্তু নিজ জাতি যখন অত্যাচারী হয়, তখন কিছু করা যায় না। পাহাড়ের হেডম্যান এবং তার সহায়তায় সালেহ পাহাড়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে। চুন থেকে পান খসলেই অত্যাচার, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, নারীদের সম্ভ্রমহানি।
যে পাহাড় পাহাড়িদের গর্ব, সেই কালো পাহাড় নাকি এক বাঙালির জন্য আশীর্বাদপুষ্ট। এ কি সম্ভব? পাহাড়ে বাঙালির অত্যাচার, নিপীড়নের পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। আর কতটা সহ্য করা যায়? তাই উশার নেতৃত্বে তরুণ তরুণীদের নিয়ে পাহাড় রক্ষার চেষ্টা চলে। কিন্তু সরষের মধ্যে ভূত থাকলে কতটা কী করা যায়? কেউ নিজেকে বিকিয়ে স্বেচ্ছায়। কেউ বা নিজ প্রয়োজনে। তবুও বন্ধুদের সাথে যে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তার শেষ পরিণতি সুখকর হয় না।
ছোট্ট উপন্যাসিকা “কালো পাহাড়” যে প্লটের উপর ভিত্তি করে রচিত, সেই বিষয়টা সিরিয়াস। পাহাড়িদের উপর অত্যাচারের এক খণ্ডচিত্র লেখক তুলে ধরেছেন। তাদের নিজেদের লড়াই, পাহাড়ে অনুপ্রবেশ রোধ ও ভালো মতো বেঁচে থাকার চেষ্টা এখানে মূল আকর্ষণ।
এই সিরিয়াস বিষয়ের উপর এমন একটি বইয়ের কলেবরে বিস্তৃতির প্রয়োজন ছিল। কিন্তু লেখক খুব সংক্ষিপ্ত পরিসরে যেভাবে গল্পটা সাজিয়েছেন, সেখানে অনেক কিছুই ফুটে ওঠেনি। শুরু থেকেই তাড়াহুড়োর ছাপ স্পষ্ট ছিল। প্রতিটি ঘটনা ভাসা ভাসা বর্ণনা করেছেন, ফলে ঠিকঠাক অনুভব করাও সম্ভব হয়নি।
যেভাবে লেখক ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনা করেছেন, একটি ঘটনা থেকে আরেক ঘটনার দৃশ্যপটে লাফিয়ে প্রবেশ করা মাথার উপর বেশ চাপ সৃষ্টি করেছে। কোনো ঘটনাই ঠিকঠাক ধরতে পারছিলাম না। যেকোনো লেখা লেখার ক্ষেত্রে লেখকের হাতে লাগাম থাকা খুব জরুরি। কখন এই লাগাম ছাড়তে হবে, কখন ধরে রাখতে হবে— এই বিষয়গুলো বোঝা প্রয়োজন। নাহলে লাগামহীন গল্পের স্রোতে ভেসে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
শুরুর গাঠনিক ভিত্তিও এখানে দুর্বল। খুব দ্রুত কোনো মতে ধারণা দিয়ে মূল গল্পে প্রবেশ করেছেন লেখক। এখানে ইংরেজদের নিয়ে ঐতিহাসিক পটভূমি রচনা করা যেত। মাঝের ঘটনাপ্রবাহে ইতিহাসের প্রবেশে আরো মুখরোচক গল্পের ভিত লেখক দিতে পারতেন।
চরিত্র নিয়েও খুব একটা কাজ করেননি লেখক। অসংখ্য চরিত্রের আনাগোনা ছোট্ট এই বইতে ছিল। কিন্তু কোনো চরিত্রই তেমন ফুটে উঠতে পারেনি। তারা গল্পের প্রয়োজন মিটিয়েছে কেবল। মূল চরিত্রগুলোও হালকার উপর দিয়ে লেখক আলোকপাত করেছেন। বরং চরিত্রগুলো নিয়ে বেশ আলোচনা করলে আরো ভালো হতো। অবশ্য লাগামহীন গল্পের স্রোতে হয়তো সে সুযোগ লেখক পাননি। সবকিছুতে তাড়াহুড়ো আসলে প্রয়োজন নেই। তাড়াহুড়োর কারণে ও খুব দ্রুত শেষ করার তাড়নায় হয়তো বইটার যে পরিমাণ নিবেদন হওয়া দরকার ছিল, সেটা হয়নি।
পরিশেষে, একজন মানুষের জন্য জাতিগত বিদ্বেষ খুব বেশি পরিমাণে পরিলক্ষিত হয়। এই যেমন এখানে একটি চরিত্রের রুদ্রমূর্তির কারণে বাঙালিরা পাহাড়িদের কাছে বিভীষিকা, অপছন্দের কারণ। অথচ পাহাড়ে বাঙালিকে প্রবেশের সুযোগ দিয়েছে তাদের মতোই পাহাড়ি। তাদের লোভও এখানে মুখ্য ছিল। শুধু বাঙালিদের দোষ দিয়ে আসলে লাভ হয় না। খারাপ মানুষ সবদিকেই থাকে। সেটা যে জাতিসত্তার হোক না কেন। এমনকি বেইমানি যে করেছে, সে-ও কিন্তু পাহাড়ি। ফলে দোষী ওই নির্দিষ্ট ব্যক্তিই। কোনো জাতিকে এর দায় দেওয়া ভুল। কিংবা বোকামি।
২০২৫ রিভিউ বিষয়ঃ বই রিভিউ ০১ বইয়ের নামঃ কালো পাহাড় লেখকঃ রিয়াজ মোরশেদ সায়েম
প্রায় দু শ’ বছর আগের সময়। গল্পের সময়কাল ইংলিশ শাসনামল। আবার অন্যদিকে বার্মিজদের দৌরাত্ম। একটা যুদ্ধের, একটা বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনার পর, পাহাড়ে আসে সালেহ নামের এক বাঙ্গালী। নিজের কূট বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে সে হয়ে যায় মারমাদের সর্বে সর্বা। অন্যদিকে কালো পাহাড়ে সবার প্রবেশ নিষেধ। সেই পাহাড় কাউকে দেয় আশীর্বাদ, কাউকে অভিশাপ। উশা আর তার দল, নিজেদের যুগ যুগ ধরে বাস করে আসা গ্রামকে রক্ষা করতে চাইছে অপশক্তির হাত থেকে। গ্রামে ঘটে একের পর এক পাশবিক নির্যাতন আর হত্যাকান্ড। কারো ঘর পোড়ে, কোন নারীর সর্বনাশ হয়, কারো তামাক ক্ষেত হয় ছাই। উশা পরিকল্পনা করে, কালো পাহাড় দখলের কিংবা সেখান থেকে আশীর্বাদ আনার। কিন্তু কেউ একজন তার পরিকল্পনা বানচাল করে দিতে প্রস্তুত। কে সে? বা কারা? সালেহ কীভাবে বাঙ্গালী হয়ে দখল করে ফেলল কালো পাহাড়? এর পেছনে আছে কে বা কারা? অনেক প্রশ্ন, অনেক রহস্য।
বইটা ছোটখাটো। অনেকগুলো ঘটনা আছে এর মধ্যে। ছোটছোট বাক্য আর পরিচ্ছদে লেখা। কাহিনী বেশ সাস্পেন্স জাগানো হলেও কোথাও গিয়ে একটা খামতি আছে। খুব দ্রুত একেকটা ঘটনাক্রম শুরু আর শেষ হয়ে গেছে। যার জন্য আগের অংশে কী হল সেটা বোঝার আগেই মাথায় নতুন কিছু চলে এসেছে। বইটা দ্রুততার সাথে শেষ না করে আরো সময় নেয়া যেত। কিছু ক্ষেত্রে ইতিহাস ঢোকানো যেত চাইলে, সেটা লেখক করেননি। এই ব্যাপারটা ভালো, অনর্থক কিছুই নেই। শেষ অংশ সুন্দর ছিল, অতি নাটুকেপনা বাদ দিয়ে কাহিনী এগিয়েছে। তবে ওই যে প্রথম দিক থেকে কিছুটা ধীর গতিতে গল্প এগোলে সেটা ভালো লাগত। অনেকগুলো চরিত্র সময়ের প্রয়োজনে এসেছে, চলে গেছে। এইখানে লেখক চরিত্রগুলোকে বেশ ভালোই পূর্ণতা দিয়েছে। যারা থ্রিলার পছন্দ করেন, বা শুরু করতে চাচ্ছেন পড়ে ফেলতে পারেন।
বিঃদ্রঃ কিছু বর্ণনা আছে, যা সবার ভালো লাগবে না, কিছু ক্ষেত্রে আমার ও লাগেনি।
"কালো পাহাড়" উপন্যাসটি মূলত ঐতিহাসিক থ্রিলার ধরনের একটি উপন্যাস। উপন্যাসটি বাংলায় ইংরেজ শাসনামলের প্রেক্ষাপটে রচিত। রহস্যময় কালো পাহাড়কে কেন্দ্র করে রচিত এই কাহিনিতে লেখক ঐতিহাসিক সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক চিত্র অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
কাহিনী সংক্ষেপ: উপন্যাসের মূল চরিত্র উশা ও তার পাঁচ সঙ্গী অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করে, যে পাহাড়টি দখল করে তারা পাহাড়িদের উচ্ছেদ করতে চায়। আর সেই অজানা শত্রু সালেহ নামক এক বাঙালিকে ব্যবহার করে পাহাড়িদের ওপর চালায় অকথ্য নির্যাতন ও বর্বরতা। ইংরেজদের শাসনামলে বার্মিজ রাজার বেআইনি শাসন, গ্রাম্য প্রধান এবং স্থানীয় হেডম্যানের ষড়যন্ত্র ও কূটনৈতিক চক্রান্তের জট খুলতে গিয়ে এই তরুণ বিপ্লবীদের নানা সংঘাতের সম্মুখীন হতে হয়।
ব্যক্তিগত অভিমত: লেখক অত্যন্ত সহজ এবং সাবলীল ভাষায় গল্পটি ফুটিয়ে তুলেছেন যা পাঠকদের মনকে গল্পের প্রতি আকৃষ্ট করে রাখতে সক্ষম। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও স্থানীয় সংস্কৃতির উপস্থাপন গল্পটিকে আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে। বইয়ের শেষের টুইস্টটি গল্পটিকে আরো চমকপ্রদ করে তুলেছে। জানি না, বইটির দ্বিতীয় পর্ব আসবে কিনা, কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে বইটির পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
যারা রহস্য ও ইতিহাসপ্রেমী পাঠক আছেন, তারা চাইলে এই আকর্ষণীয় ও ব্যতিক্রমী উপন্যাসটি পড়তে পারেন।
খুবই আলাদা ধরনের একটা বই পড়ে শেষ করলাম। বইটার নাম দেখেই কিছুটা আন্দাজ করা যায় বইটা কি নিয়ে হতে পারে। পাহাড় আমাকে বেশ টানে। পাহাড়ি আদিবাসীদের নিয়েও জানার আমার খুব ইচ্ছে । এই বইটার মধ্যে লেখক খুব সুন্দর ভাবে পাহাড় আর পাহাড়ি মানুষদের জীবনের আরেকটা দিক তুলে ধরেছেন। খুবই ছোট একটা বই,এক বসায় পড়ে উঠা যায় তেমন। শেষটার জন্য বইটা খুব একটা ভালো লাগলো না। পুরো কাহিনীটাই বেশ ভালো লাগছিলো তবে শেষে এসে লেখক যেনো পুরো বইটাই অমীমাংসিত রেখে দিলো।