বিভূতির নিজের লেখা বা তাঁকে নিয়ে লেখা যা-ই হোক না কেন, পড়ে যে অপার মুগ্ধতা আর শান্তি পাই তার কোন তুলনা হয় না। জানা ঘটনাও পড়তে ভালো লাগে আবার। পুত্রের চোখে পিতার দর্শনটা জেনে ভালো লাগল। তারাদাস নিজেও অত্যন্ত সুলেখক এবং প্রজ্ঞাবান। তাই তাঁর কলমে বিভূতিভূষণের স্মৃতি অতি প্রাঞ্জল হবে এ আর আশ্চর্য কী। পথের কবি আর কাছে থেকে দেখা পড়া থাকলে ঘটনা হিসেবে তেমন নতুন কিছু না জানা গেলেও তারাদাসের বিভূতি-বিশ্লেষণটাই এই বইয়ের বিশেষ প্রাপ্তি।