দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া সমরজিত নিজের পঙ্গুত্বের কারনে রাগে, দুঃখে, ঘৃনায় নিজের মৃত্যু কামনা করে। দুর্ঘটনার পর স্ত্রীর অতিরিক্ত কেয়ারিং সমরজিতের মনে ঘৃণার উদ্রেক ঘটায়। আজরফ নামের এক যুবককে একদিন বাড়িতে নিয়ে আসে সমরজিতের স্ত্রী কবিতা। কবিতা আজরফকে পরিচয় করিয়ে দেয় সমরজিতের সাথে। আজরফ কবিতার কলেজ লাইফের ফ্রেন্ড এবং একজন ডাক্তার। সমরজিত কবিতাকে সন্দেহ করে। সমর বুঝতে পারে সে কবিতাকে অনেক ভালোবাসে। সে চায় না কবিতার জীবনে অন্য কেউ আসুক। সমর আসতে দিবে না অন্য কাউকে। কিন্তু কীভাবে? সমর যে পঙ্গু। সমর চিন্তা করে আজরফ কে খুন করার। কিন্তু পরে চিন্তা করে একজন আজরফকে খুন করলে আরো হাজারটা আশরফ ছুটে আসবে কবিতার জীবনে। তাই সমর কবিতাকে নিজের করে রাখার জন্য কবিতাকেই খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়। মোটামোটি ধরনের ছোট গল্প।