Rizia Rahman was an Indian-born Bangladeshi novelist. She had a number of novels and short stories to her credit. Her works cut across all genres.
She wrote in various genres since the late sixties: novels, short stories, essays, literary criticism, belles-lettres, and juvenile fiction. Beginning with straight forward narratives, she moved on to magic realism and multilayered structures. She explored important human issues in a sympathetic and engaging manner.
'একাল চিরকাল' উপন্যাসটি রিজিয়া রহমান লিখেছেন সাঁওতালদের জীবন যুদ্ধ নিয়ে। সাঁওতালদের তিনি দেখেছেন খুবই কাছ থেকে। রিজিয়া রহমানের স্বামী ছিলেন মাইন জিওলজিস্ট।পেট্রোবাংলায় কাজ করতেন। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি বিষয়েই তিনি সেখানকার গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করেছিলেন। তখন প্রায়ই রিজিয়া রহমান যেতেন খনি এলাকায়। সে সময়ই এই উপন্যাস লেখেন রিজিয়া রহমান। রিজিয়া রহমান একাল চিরকাল সম্পর্কে বলেন– "আমাকে এক সাঁওতাল নারী প্রশ্ন করেছিলো তোমাদের এই খনি থেকে কি উঠবে? তাতে ভাত উঠবে? এই প্রশ্নটা আমাকে তীরের মতো বিদ্ধ করেছিলো। সাঁওতালরা যথেষ্ট সরল এবং বঞ্চিত ছিল।এই আদিবাসীদের জীবন তাদের বঞ্চনা এবং তাদের জীবনে ভাতই যে প্রধান বিষয় ও চাহিদা। এ ধারণা থেকেই উপন্যাসটি লেখার প্রেরণা পাই। "
'একাল চিরকাল' উপন্যাসে অন্ত্যজ মানুষের জীবনের চিত্র আঁকতে গিয়ে রিজিয়া রহমান দেখিয়েছেন বিবর্তন। এই মানুষ গুলো বারবার বদলেছে তাদের পেশা। শিকারি থেকে কৃষক, কৃষক থেকে খনি শ্রমিক এই বিবর্তনের সঙ্গে সাঁওতালদের সংশয়, কুসংস্কার, হিংসা, রক্তারক্তি, সংস্কৃতি, কঠিন সংগ্রামের ইতিহাস যা মূলত মানুষের বেঁচে থাকারই ইতিহাস সেটাই তুলে এনেছেন গভীর নিরীক্ষার মাধ্যমে।
রিজিয়া রহমানের লেখা পড়ে বারবার বিস্মিত হতে হয়। কত অসাধারণ সব কাজ করে গেছেন তিনি। কিন্তু তা এখনো অনেক খানি লোকচক্ষুর অন্তরালেই রয়ে গেছে। যতখানি বের হয়ে এসে মানুষের চোখ ধাঁধিয়ে দেয়া কথা ছিলো, ততটুকুন এখনো হয়ে উঠলো না।