একই মলাটে দু’টি প্রেমের উপন্যাস। প্রথম উপন্যাস আমি তোমার বন্ধু রেডিয়ো-জকি আদৃতার গল্প শোনায়। যেখানে বন্ধুতার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে প্রেম আর প্রেমের চাইতেও বড় হয়ে ওঠে বিশ্বাস। মৌর্যর গার্লফ্রেন্ড আদৃতা কীভাবে দীপঙ্করের মুখোমুখি হয় আর কলেজ-পলিটিক্স কেমন করে হেরে যায় তারুণ্যের স্বতঃস্ফূর্ততার কাছে, তারই প্রাণবন্ত কাহিনি।দ্বিতীয় উপন্যাস ফুল ফুটুক না ফুটুক। সৌমাল্য আর কাঞ্চি, পরিচিতা আর কৌস্তভ, সোমনাথ আর আয়না প্রত্যেকেই নিজেদের পায়ের তলার সেই মাটি পেতে চায় যার উপর দাঁড়িয়ে ছোঁয়া যাবে আকাশটাকে। প্রত্যেকেই নিজের নিজের স্বপ্ন সত্যি করবে বলে ছুটছে কিন্তু একই সঙ্গে ওরা নিজের স্বপ্নের মানুষটার পাশে দাঁড়াতেও চায়। আজকের প্রজন্মের স্বপ্নে ভিজে আছে আখ্যানদু’টি।
বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম কলকাতায়। বাবা খ্যাতনামা সংস্কৃত পণ্ডিত, স্বর্গীয় পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়; মা গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃকুল নিঃসম্বল উদ্বাস্তু, মাতৃকুল মলুটির রাজপরিবার। প্রথম কবিতা প্রকাশ পায় সাউথ পয়েন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। প্রথম গল্প ‘উনিশ-কুড়ি’ পত্রিকায়। প্রথম উপন্যাস, শারদীয় ‘দেশ’ পত্রিকায়, ২০০৭ সালে। লিখেছেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ। কবিতার জন্য পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার, বাংলা আকাদেমি শক্তি চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার, ভাষানগর পুরস্কার ইত্যাদি। গদ্যের জন্য পেয়েছেন শর্মিলা ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার। লিখতে ভালবাসেন এমন লেখা যা আমরা পড়তে চাইলেও লেখার সাহস পাই না। আইওয়া আন্তর্জাতিক লেখক শিবিরে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ২০১৪ সালে। ঠাকুর শ্রীশ্রী দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেবের শিষ্য। শখ: নতুন বই, পুরনো গান।