কাহিনী সংক্ষেপ: একজন প্রফেসরকে জীবন্ত অবস্থায় লোবোটমি করা হয়েছে। এটা হলো নিষিদ্ধ এক বীভৎস নিউরোসার্জারি। গোয়েন্দা কর্মকর্তা জামি অনুমান করে ঘটনার পেছনে তার বাল্যবন্ধু মাসুদের হাত আছে। কিন্তু মাসুদ তো মৃত। এর মধ্যেই আরেকটা খুন। খুনীকে ধরতে গিয়েও ধরা যায় না। পরের খুনটা কি আটকাতে পারবে জামি, নাকি হারিয়ে যাবে মৃত বন্ধু মাসুদের বানানো গোলকধাঁধায়?
প্রচন্ডরকম খাপছাড়া আর অ্যামেচার লেখা। লেখক কলেজপড়ুয়া এবং মনে হচ্ছিল সখের বশে একটা মার্ডার মিস্ট্রি লিখে ফেলছে। পুলিশ প্রসিডিউরাল আর তাদের এটিটিউড কেমন হয় সে সম্পর্কে খুব বেশি ধারণাও নেই তার। তাছাড়া একের পর এক ঘটনার ফ্লাট বর্ণনা পড়তে পড়তে তো হাপিয়ে যাওয়ার যোগাড়। বাতিঘর থেকে এরকম কাঁচা হাতের লেখা এই প্রথম পেলাম।