Stories, works of noted British writer, scientist, and underwater explorer Sir Arthur Charles Clarke, include 2001: A Space Odyssey (1968).
This most important and influential figure in 20th century fiction spent the first half of his life in England and served in World War II as a radar operator before migrating to Ceylon in 1956. He co-created his best known novel and movie with the assistance of Stanley Kubrick.
Clarke, a graduate of King's College, London, obtained first class honours in physics and mathematics. He served as past chairman of the interplanetary society and as a member of the academy of astronautics, the royal astronomical society, and many other organizations.
He authored more than fifty books and won his numerous awards: the Kalinga prize of 1961, the American association for the advancement Westinghouse prize, the Bradford Washburn award, and the John W. Campbell award for his novel Rendezvous with Rama. Clarke also won the nebula award of the fiction of America in 1972, 1974 and 1979, the Hugo award of the world fiction convention in 1974 and 1980. In 1986, he stood as grand master of the fiction of America. The queen knighted him as the commander of the British Empire in 1989.
কিংবদন্তি কল্পবিজ্ঞান রচনাকার আর্থার সি ক্লার্ক-এর সাহিত্য-জীবনের একেবারে শুরুর দিকের আঠাশটি গল্প অনুমোদিত আকারে অনূদিত হয়েছে এই সংকলনে। অনুবাদক হিসেবে কাজ করেছেন এপার বাংলার এই সময়ের সেরা কল্পবিজ্ঞান কাহিনিকারেরাই। তাঁদের হাতে সহজ অথচ মূলানুগ বাংলায় আমরা পেয়েছি 'ব্রেকিং স্ট্রেন'-এর মতো শ্বাসরোধী মনস্তাত্ত্বিক গল্প, 'টাইমস্ অ্যারো'-র মতো কালজয়ী আখ্যান, 'দ্য রোড টু দ্য সি'-র মতো আবেগমথিত কাহিনি, আর 'দ্য সেন্টিনেল'-এর মতো লেখা— যা পরে অন্য এক অতুলনীয় রচনার বীজ হয়ে উঠেছিল। অনুবাদকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও শব্দচয়নের ভিত্তিতে গল্পগুলো পড়ার অভিজ্ঞতাও বেশ বৈচিত্র্যপূর্ণ হয়েছে। বইটির প্রোডাকশন আন্তর্জাতিক মানের। প্রকাশকালীন তথ্য থাকার ফলে লেখকের মনোজগতের বিকাশটিও এই গল্পগুলোর মাধ্যমে বোঝা যায়। কল্পবিজ্ঞানের অনুরাগী হলে এই অনুমোদিত অনুবাদটিকে উপেক্ষা করবেন না প্লিজ।
বিদেশি লেখকদের লেখা গল্প উপন্যাস খুবই কম পড়া হয়েছে। কিছু থ্রিলার ও অনুবাদ পড়েছি ম্যাগাজিনে।এই বইটি সংগ্ৰহ করবার কারন প্রথমত বিদেশি কল্পবিজ্ঞান ফিকশন লেখা সম্পর্কে জানাবার ইচ্ছে।কল্পবিজ্ঞান বিষয়ে বিদেশি লেখা অথবা অনুবাদ আমার পড়া খুবই কম।দ্বিতীয়ত প্রকাশনার কাজের উপর ভরসা। আর্থার ক্লার্ক একজন জনপ্রিয় কল্পবিজ্ঞান লেখক। তাঁর লেখা সমস্ত কল্পবিজ্ঞানের গল্প বাংলাতে অনুবাদ করে প্রকাশ করতে চলেছে কল্পবিশ্ব। অবশ্যই কঠিন ও সময়সাপেক্ষ কাজ।
এই খন্ডে মোট ২৮ টি ছোট বড় গল্প আছে।আলাদা আলাদা ভাবে প্রতিটি গল্পের আলোচনা সম্ভব হবে না। তবে প্রায় প্রতিটি গল্পের বিষয়বস্তু একে অপরের থেকে আলাদা। কোন গল্প পাঠক কে পৃথিবীর বাইরে কোন অজানা গ্ৰহ বা গ্যালাক্সি তে নিয়ে যায় আবার কোন গল্পে নিয়ে যায় পৃথিবীর একদম অভ্যন্তরে। কখনো রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে স্থান পরিবর্তন করা কখনও ডাইমেনশন চেঞ্জ কখনও কোনও নক্ষত্রের মৃত্যু অথবা সুপারনোভা। কোথাও পৃথিবীতে আসে অন্য কোন গ্ৰহের প্রাণী।আবার কখনও পৃথিবী থেকেই মানুষ পাড়ি দেয় অন্য গ্ৰহে। কখনো নিয়ে যায় পৃথিবীর এমন কোন শহরে বা অঞ্চলে বা মহাদেশে যা যুদ্ধের ফলে অথবা ভয়ংকর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে অবলুপ্ত অথবা ধ্বংসের পথে।আবার কখনও রেসকিউ টিম গ্ৰহ থেকে গ্ৰহান্তরে ঘুরে বেড়ায় গ্ৰহের বসবাসকারী প্রাণীদের বিপদ থেকে উদ্ধার করতে। কোনো গল্পে দুই গ্ৰহের শাসকদের মধ্যে পারমাণবিক শক্তি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে কূটনৈতিক সংঘাত দেখা যায়।আবার ভবিষ্যতের পৃথিবীর মধ্যেই কোন এক অজানা শহরের সন্ধান পাওয়া যায় যা সম্পূর্ণ ভাবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা দ্বারা পরিচালিত এমনই সব রোমাঞ্চকর ও চিন্তা উদ্রেককারী সৃজনশীল রচনা আছে এই বইতে। ভাবতেও অবাক লেগেছে যে কত বছর আগের লেখা সব গল্প অথচ কত অ্যাডভান্স কনসেপ্ট নিয়ে আসা হয়েছে। এটাই সায়েন্স ফিকশন এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বলেই মনে হয় আমার। বিজ্ঞানভিত্তিক ধারনার উপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক সম্ভাবনা নিয়ে লেখা।জানা ছিলনা যে স্ট্যানলি কুরবিক পরিচালিত '২০০১ আ স্পেস ওডিসি' সিনেমার কাহিনি লেখকের লেখা গল্প সেন্টালিন থেকে নেওয়া হয়েছিল। 'ব্রেকিং স্ট্রেন' গল্পটির বিষয় কল্পবিজ্ঞান হলেও কঠিন সময়ে দুই মহাকাশচারীর একে অপরের প্রতি মনোভাব ও চারিত্রিক দিকগুলি উঠে এসেছে যেটা পাঠকদের ভাবনার খোরাক দেবে বলে মনে হয়।বেশীরভাগ গল্পগুলি পড়তে মোটের উপর ভালোই লেগেছে। তবে ব্যাক্তিগত পছন্দের তালিকায় উপরের দিকে থাকবে 'দ্য লায়ন অব কোনার', 'ট্রাভেল বাই ওয়্যার', 'দি অ্যাওয়েকেনিং', 'দ্য রেসকিউ পার্টি', লুপ হোলস ,দ্য ওয়াল অফ ডার্কনেস ' ,'দ্য ফায়ার উইদিন',টাইমস অ্যারো, ব্রেকিং স্ট্রেন,সেন্টিলেন এই গল্পগুলি।
অনুবাদ কেমন হয়েছে সেই তুলনায় আমি যাচ্ছিনা ।সাধারণ পাঠক হিসেবে আমি এটা বলতে পারি যে গল্পগুলি বুঝতে বা কানেক্ট করতে আমার কোনো অসুবিধা হয়নি। সাবলীল ও সহজ অনুবাদ বেশ মনোগ্ৰাহী লেগেছে পড়তে । কখনো একঘেয়ে মনে হয়নি বরং শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা বেশ কিছু গল্পেই পেয়েছি তবে কিছু গল্পের কয়েকটি অংশ আমাকে একাধিকবার পড়তে হয়েছে সেটা অবশ্য গল্পের মূল বিষয়টা বোঝার জন্য। বইতে অনেক লেখক অনুবাদ করেছেন তাই একই বইতে বিভিন্ন রকমের লেখনীর পরিচয় পাওয়া গেছে।
প্রতিটি গল্প কালক্রমে বইতে রাখা হয়েছে। এবং প্রতিটি গল্পের শুরুতেই কবে ও কোথায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছে ও বেশ কিছু গল্পে লেখকের গল্প সম্পর্কে নিজস্ব কিছু কথা আছে। বইএর শুরুতে লেখকের লেখা কল্পবিজ্ঞান ও তার নিজস্ব লেখালেখি নিয়ে একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। ভুমিকায় সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসি সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকাশনার তরফেও একটি ছোট লেখা রয়েছে যে কেন বিদেশি লেখকদের কল্পবিজ্ঞান নিয়ে লেখা বাংলায় প্রকাশ করবার কাজে উদ্যোগ নিয়েছেন।এর মাধ্যমেই ভালো সম্পাদনার পরিচয় পাওয়া যায় ।প্রচ্ছদ জ্যাকেট কভার ডিজাইন বেশ ভালো ও ইউনিক।ফন্ট সাইজ ও পেজ কোয়ালিটি দারুন।ব্যাক কভারে আঁকা লেখকের ছবিটি আমার ব্যাক্তিগত ভাবে খুব ভালো লেগেছে। দুই একটি জায়গায় বানান ভুল ও মুদ্রণ প্রমাদ দেখতে পেয়েছি। আর ট্রানজিয়েস গল্পে একটি পেজে কয়েকটি লাইন দুবার রিপিট হয়ে গেছে। প্রকাশনাকে অনুরোধ করব এই ব্যাপারটা দেখতে।আর সাজেশন হিসেবে বলতে চাই যে ব্লার্বে যেমন লেখক পরিচিতি দেওয়া হয়েছে সেরকম যদি সমস্ত অনুবাদকদের ও প্রচ্ছদ শিল্পীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি অথবা খুব সংক্ষেপে অনুবাদকদের এই ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল যদি বই এর শেষে দেওয়া যায় আর পরবর্তী খন্ডে গল্পের সঙ্গে কিছু অলংকরণ যদি যোগ করা যায় তাহলে কাজটি সর্বাঙ্গ সুন্দর হয়ে উঠবে বলেই মনে হয়।
ক্লার্ক এর গল্প সমগ্ৰ দ্বিতীয় খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম। নিঃসন্দেহে খুব ভালো কাজ হয়েছে।
আর্থার সি ক্লার্কের গল্প সমগ্র-১ প্রকাশনা- কল্প বিশ্ব মুল্য - 800 টাকা ঝড় বৃষ্টি ও বাদলের ঘনঘটা র মধ্যে লিখতে বসলাম আর্থার সি ক্লার্কের গল্প ��মগ্র ১ কল্পবিশ্বে র প্রকাশনা র আংশিক পাঠপ্রতিক্রিয়া। কল্পবিজ্ঞানের মহান কল্প কারদের একজন আর্থার সি ক্লার্কের সাথে আমার প্রথম পরিচয় কলেজে randezvous with Rama এর space mysterious object দিয়ে। তারপর 2001 স্পেস ওডিসি এর পর একের পর এক উপন্যাসের পর উনার কল্পবিজ্ঞানের গল্প গু��ো পড়তে শুরু করলাম। কল্পবিজ্ঞানের অনুবাদের ক্ষেত্রে বলব আমার পড়া সেরা অনুবাদ গুলোর একটা , কিছু কিছু গল্প আগেও যেমন রিট্রিট ফরম আর্থ গল্পটা আগে পড়লেও , বাঙলা ভাষায় সরল ও সহজ ভাবে জলের মতো করে সোহম গুহের ভাবানুবাদ জাস্ট হ্যাটস অফ।
এই রে কথা বলতে বলতে অনেক দেরী করে ফেললাম , গল্প গুলো নিয়ে বলি ট্রাভেল বাই ওয়ার: যোগাযোগের মাধ্যম নিয়ে মানুষের চিন্তা ভাবনার গবেষণা ক্রমাগত , লেখকের নিজের আবিষ্কারে র পর যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলো না নতুন বিপদ কিছু দেখা গেল সেটার জন্য পড়তে ই হবে। আমার প্রিয় কল্প লেখক দের মধ্যে একজন সুমিত বর্ধনের ভাবানুবাদ ভাবানোর জায়গাতে নিয়ে গেল।
হাউ উই ওয়েন্ট টু মার্স : যারা অঙ্ক নিয়ে খেলা ধুলো করতে ভালোবাসেন তাদের খুব ভালো লাগবে এই গল্পটা আর বিশেষ করে দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য বাবুর ভাবানুবাদ আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছ, এসকেপ ভেলোসিটি এবং ভবিষ্যতের গ্রহ যাত্রার সম্ভাব্য বিপদ গুলো , বিশেষ করে আলোক বর্ষের যাত্রীদের যাত্রাপথের বিপদ ও তার থেকে বেঁচে ফেরার মরণ সংগ্রাম এবং অবশ্য ই বিজ্ঞানীদের পৃথিবীতে ফেরা র পর যা কিছু ঘটেছিল তার কৌতুকতার সাথে পরিবেশন লা জবাব।
দি আওয়াকনিঙ ( জাগরণ) : এক তথাকথিত সিনেমা নায়কের ক্রায়োজেনিক চেম্বার এ র মাধ্যমে অমর হওয়ার গল্প, ..... কিন্তু যখন তিনি সেই শীত ঘুম থেকে উঠলেন আর চারদিকে তাকালেন .... অপরিসীম বিস্ময় তার চোঁখে মুখে এত টা পরিবর্তন। কি সেই পরিবর্তন? ??? জানতে হলে পুরো গল্পটা পড়তে ই হবে যে । ঋজু গাঙ্গুলি র ভাবানুবাদ আর পাঁচটা সাদাসিধে কল্পবিজ্ঞানের গল্প গুলোকে মারকাটারি রূপান্তর করে দেয় , কি আর বলব উনার লেখার প্রতি আমার এক গভীর দূর্বলতা থেকে গেছে ।। মোট আঠাশ টি গল্প রয়েছে , যার মধ্যে ওয়াকি, নাইটফল , টাইমস আরো , সেন্টিনেল, নেমেসিস এর মতো কালজয়ী কল্পবিজ্ঞানের গল্প রয়েছে। সেগুলো র পাঠ প্রতিক্রিয়া নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আসব। ততক্ষণে বই পড়ার পর পাঠকদের প্রতি একটাই অনুরোধ পাঠ প্রতিক্রিয়া গুলো পড়লে অন্তত যারা পাঠ প্রতিক্রিয়া গুলো লেখার চেষ্টা করেন তাঁদের ভালো লাগবে, প্রতিক্রিয়া পেয়ে।
পুরোপুরি ভাবে হার্ড বাউন্ড বই। পাতার কোয়ালিটি খুব ভালো , চোখের আরাম। নেগেটিভ ভাবে বলার মতো কিছু পেলাম না। পাঠকদের থেকে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রইলাম .....