জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে একটা ভাল চাকরি করবে আর মাকে নিয়ে কোথাও ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকবে—এম.এ. পাশ জয়দীপ এই সামান্য স্বপ্ন দেখেছিল। আবার কোনও কিছু পাওয়ার জন্যে নিজের সততা ও মানবিক সম্পদগুলোকে ধুলোয় লুটিয়ে দিতেও বেকার জয়দীপ রাজি নয়। নিজের এই অসম্মানিত জীবন থেকে মুক্তির নানা পথ খুঁজছিল জয়দীপ। এমন একটা ক্রান্তিমুহূর্তে তার জন্মশহরেই আলাপ হয়ে যায় দুই নারীর সঙ্গে—পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা। দুই বোন। জনৈক বিজয় গুপ্তর অবৈধ সন্তান ধারণের তীব্র সংকটে ভুগছে স্বাতীলেখা। স্বাতীলেখার জীবনের জট ছাড়াতে জয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরিতে নামে। আর তখনই এই সৎ তরুণটির সামনে উন্মোচিত হতে থাকে এক অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা। কী সে? তারই কথা সমরেশ মজুমদারের এই অন্যস্বাদের উপন্যাসে।
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".
সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
সমরেশ মমজুমদার-এর বই আমার পড়া মাত্র দুই তিনটা! পড়া হয় না, তা না । আমি এড়ায় যাই, ভাল্লাগেনা ।
এইটা পড়ে ফেললাম :) প্রথমদিকে জয়দ্বীপকে ভীষন বিরক্ত লাগসিল।! নীতিবাগীশ তবে ভেড়া টাইপ।! তবে পরে এসে চরিত্রটা যথেষ্ট ডেভেলপ করল :)
স্বাতীলেখা-টা একেবারেই গাধী মেরুদন্ডহীন বাঙালি নারীর প্রতিমা লাগসে :/
আর, পত্রলেখা চরিত্র টা খাপছাড়া লাগল।! আধুনিকা মানেই কেন নারী চরিত্রকে 'উচ্ছৃঙ্খল ' এর হাল্কা আভাস দেখায়ে দিতে হবে - এই ছোটলোকি টা লেখকদের আমি বুঝি না :/
জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে একটা ভালো চাকরি করবে আর মাকে নিয়ে কোথাও ফ্লাট ভাড়া করে থাকবে এমএ পাস জয়দ্বীপ এই সামান্য স্বপ্ন দেখেছিল। আবার কোন কিছু পাওয়ার জন্য নিজের সততা ও মানবিক সম্পদগুলোকে ধুলোয় লুটিয়ে দিতেও বেকার জয়দীপ রাজি নয়। নিজের এই অসম্মানিত জীবন থেকে মুক্তির নানা পথ ছিল খুজছিল জয়দীপ। এমন একটা ক্রান্তি মুহূর্তে তার জন্মশহর জামশেদপুরে আলাপ হয়ে যায় দুই নারীর সঙ্গে- পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা। দুই বোন। জনৈক বিজয় গুপ্তর অবৈধ সন্তান ধারণের তীব্র সংকটে ভুগছে স্বাতীলেখা। জীবনের জট ছাড়াতে ৫০০০ টাকার চুক্তিতে জ্বয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরিতে নামে। আর তখনই এই সৎ তরুণটির সামনে উন্মোচিত হতে থাকে অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা। প্রথম কাজটিতে ভাগ্য সহায় হওয়ায় সফল হয় সে। পরবর্তীতে আবেগের বশে ১ লক্ষ টাকার লোভে পত্রলেখার নিখোঁজ স্বামীকে খোঁজার কাজ নিলেও স্বাতীলেখাকে নিয়ে দিল্লী থেকে কলকাতা পালিয়ে আসে। স্বাতীলেখার এবরশনে সহায়তা করে এবং ভাগ্য যেন তাকে স্বাতীলেখার কূলে তরী ভেড়ানোর জন্যই এত আয়োজন করে।
জামশেদপুর থেকে কলকাতায় এসে একটা ভাল চাকরি করবে আর মাকে নিয়ে কোথাও ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকবে, এম.এ.পাশ জয়দীপ এই সামান্য স্বপ্ন দেখেছিল। তার বাবা মারা যাওয়ার পর, মামার বাড়ি থেকে সে মানুষ হয়েছে। বাবার টাকায় এতদিন পড়ালেখা করেছে তাও ফুরিয়ে এসেছে। আবার কোন কিছু পাওয়ার জন্যে নিজের সততা ও মানবিক সম্পদগুলোকে লুটিয়ে দিতে ও বেকার জয়দীপ রাজী নয়।
নিজের এই অসম্মানিত জীবন থেকে মুক্তির নানা পথ খুঁজছিল জয়দীপ। এমন একটা ক্রান্তিলগ্নে তার জন্মশহরেই আলাপ হয়ে যায় দুই নারী সঙ্গে, পত্রলেখা ও স্বাতীলেখা। দুই বোন। জনৈক বিজয় গুপ্তের অবৈধ সন্তান ধারণের তীব্র সংকটে ভুগছে স্বাতীলেখা। একদিনের ভুলের মাশুল দিতে সে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে বিজয় গুপ্ত ওরফে অজয় বার্মা। যে কি না একজন সুনাম ধনয এমপির ছেলে। স্বাতীলেখার জীবনের জট ছাড়াতে জয়দীপ শখের গোয়েন্দাগিরিতে নামে। আর তখনই এই সৎ তরুণটির সামনে উন্মোচিত হতে থাকে এক অনাবিষ্কৃত পৃথিবীর পর্দা। জীবনের একেক ধাপে দেখতে থাকে, জীবনের খেলা।
দুঃখ আমাদের ধরে না, আমরা মানুষরা দুঃখকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাই।
অসাধারণ একটি বই।একটু ও বিরক্ত হওয়ার অবকাশ দিবে না। জয়দীপের জীবনের খোলা বই, আমাদের সবার জীবন যেন একে দিয়েছেন সমরেশ মজুমদার।
At first, the book appears to be just another well written story centered around a righteous young man who has recently graduated and is struggling with unemployment, family pressure and financial problems. In the 2nd half, the story takes a completely unfamiliar turn. It gradually becomes unpredictable and fuels readers’ minds with just enough curiosity. However, the way everything unfolds at the end doesn’t quite do justice to the otherwise flawless buildup of several intriguing plotlines, such as Amitabh’s disappearance, the dynamics between Amitabh and Shatilekha and the mysteries surrounding Patralekha. The chemistry between Shatilekha and Joydeep felt underdeveloped throughout the book thus their union at the end seemed sudden and incapable of attracting the readers. Overall, it’s a good read if you have the time. Much of the second half will keep your eyes glued to the pages.
গল্পটা শিক্ষিত বেকার তরুণের হতে পারতো।কিন্তু গল্পটা আমার কাছে বাস্তবতার মনে আছে।জয়দীপ এম.এ পাশ করেও চাকরির বাজারে চরকির মতো ঘুরছে। প্রবল আত্মসম্মানবোধ থাকা জয়দীপের মাথায় কখনো লোক ঠকানোর চিন্তা আসেনি। না খেয়ে মরবে তবু অসৎ পথে সে পা বাড়াবেনা। অন্যদিকে গল্প মোড় নেয় ভাগ্যবদলের পরিক্রমায়,যখন একটা সামান্য মিথ্যার অদলবদলে জয়দীপের দেখা মিলে দুই বোনের,যারা হন্য হয়ে এক লোককে খুঁজছে-যে তাদের একজনের অনাগত অবৈধ সন্তানের বাবা।
এক রহস্য উন্মোচনের জন্য পা বাড়িয়েই জয়দীপ বুঝতে পারে এই বোনেরা রহস্য দিয়ে নিজেদের আঁকড়ে আছে।কিন্তু কেন? যদিও স্বাতীলেখার মন বুঝা কঠিন কিন্তু পত্রলেখা মানুষটাই যেন ভীষণ কঠিন।
অলিখিত এই রহস্য খুঁজতে গিয়ে জয়দীপ দেখতে পায় জীবনের লুকানো অনেক সত্য,যা দিনের লোকচক্ষুতে আমরা নাক ছিঁটকাই কিন্তু রাতের আঁধারে হাত মিলাই। জয়দীপ কি শেষ অব্দি তার নিজের নীতিবোধে অটল থাকতে পারবে?
"দুঃখ আমাদের ধরে না, আমরা মানুষরা দুঃখকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাই।"
গল্পটা শিক্ষিত বেকার তরুণের হতে পারতো।কিন্তু গল্পটা আমার কাছে বাস্তবতার মনে আছে।জয়দীপ এম.এ পাশ করেও চাকরির বাজারে চরকির মতো ঘুরছে। প্রবল আত্মসম্মানবোধ থাকা জয়দীপের মাথায় কখনো লোক ঠকানোর চিন্তা আসেনি। অলিখিত এক রহস্য খুঁজতে গিয়ে জয়দীপ দেখতে পায় জীবনের লুকানো অনেক সত্য,যা দিনের লোকচক্ষুতে আমরা নাক ছিঁটকাই কিন্তু রাতের আঁধারে হাত মিলাই। জয়দীপ কি শেষ অব্দি তার নিজের নীতিবোধে অটল থাকতে পারবে?