Moti Nandi was a sports journalist and worked as a sports editor in Anandabazar Patrika. He was awarded the Lifetime Achievement award (2008) at a glittering ceremony to mark the grand finale of the maiden edition of the Excellence in Journalism Awards.
In his novels, he is noted for his depiction of sporting events and many of his protagonists are sports-persons. His first short story was published in Desh weekly on 1957. His story for Pujabarshiki was in Parichoy Magazine on 1985.
Follow up Follow up note 2023: এই দেখো, দেখে যাও, গল্পের দরকারেই যদি কিশোরসাহিত্যে কোনো সমবয়সী নারী চরিত্র চলে আসে, তাহলে কোনো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় না। বুদ্ধগুহই শুধু নয়, মতি নন্দীর কাঠখোট্টা ময়দানিয়া গল্পেও আসতে পারে, ষষ্ঠীপদর আষাঢ়ে রাবিশেও আসতে পারে, ঈভেন ... ঈভেন অদ্ভুতুড়েতেও আসতে পারে - কিন্তু ......
ব্যাপারটা হলো, চিন্তাভাবনা স্বাভাবিক হওয়া চাই। নারীচরিত্র মানেই প্রেম, নারীচরিত্র মানেই সেক্স, নারীচরিত্র মানেই অপসংস্কৃতি? কেন? নারীচরিত্র শুধুই গল্পের এক চরিত্র নয় কেন? জাস্ট আ হিউমান বিয়িং।
---------------------- Follow-up note 2020: সাংঘাতিক ইচ্ছে করছে 'জীবন অনন্ত' আবার পড়তে। অনন্ত সেন, জীবন, ভ্রমরা , দেশরাজ আনোখা, ফিরোজ নওরোজী কামবাট্টা, উসমানী .... চরিত্রগুলো মাথায় গেঁথে রয়েছে। পাবো কোথায় বইটা ? কোনো collection- এ আছে? ---------------------- 2017:
This is the book that made me a fan of Mati Nandi.
অতিরিক্ত ভালো একখানা বই। আসলে মতি নন্দীর লেখা এমনই যে, পড়ার পর অন্যরকম এক প্রশান্তিতে মন ভরে ওঠে। এর আগে তাঁর 'স্ট্রাইকার' পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। আর এই বই তো আমাকে রীতিমতো তাঁর লেখার ভক্ত বানিয়ে দিলো; আর সেই সাথে তাঁর আরো লেখা পড়ার ইচ্ছেটাও চাঙ্গা করে দিলো।
মতি নন্দি স্পোর্টস ফিকশনে অনন্য এই ব্যাপারটাতে কোনো সন্দেহ নেই। জীবন-অনন্ত বইটাও সেই ধারা বজায় রেখেছে। দুইজন বন্ধু জীবন ও অনন্ত এর গল্প এটা। যাদের স্বপ্ন ভারতীয় দলের হয়ে টেস্ট খেলা। কিন্তু একজনের জীবনে চলে আসা বাঁধা, অপরজন কি টেস্ট খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে?
কিছুটা ফ্যামিলি ড্রামা, হালকা প্রেম, আর ম্যাচের বিবরণ নিয়েই এই বই। তবে এটাতে ম্যাচের বিবরণ একটু বেশিই ছিল বলে মাঝখানে ঝুলে যায় গল্প। তবে শেষে মিস্টার নন্দী এমনই মোড় আনলেন গল্পে, সব ঝুলে যাওয়া দিক টানটান হয়ে গেল। শেষের নাটকীয়তাটা অতিমানবীয় হলেও দারুণ। বরাবরের মতোই এই গল্পের মেসেজও জীবনে আর যা-ই হোক, হার মানা যাবে না। আরেকটা ভালো বই পড়লাম স্পোর্টস ফিকশনে। তবে আপাতত স্পোর্টস ফিকশন পড়াতে বিরতি নিবো। একটানা পড়লে একঘেয়ে লাগে একটু।
পূজাবার্ষিকী আনন্দমেলায় এই উপন্যাস যখন পড়েছিলাম, তখন ভারতীয় ক্রিকেটের এক গভীর দুঃসময় চলছে| আর বাংলার ক্রিকেট? ঘুড়ায় হাসব! সেই অন্ধকারে মতি নন্দী তাঁর শাণিত কলম দিয়ে আমাদের সব্বাইকে উপহার দিয়েছিলেন এমন এক লেখা যার বিভিন্ন অধ্যায়, সংলাপ, এমনকি চরিত্রদের হাবভাব অবধি আমার আজও মনে আছে! আর শেষের ওই অনুচ্ছেদগুলো? ভাবলে গায়ে কাঁটা দেয়|
যদি এই লেখাটি আগে না পড়ে থাকেন, তবে দয়া করে পড়ুন| ক্রিকেট ভালো না বাসলেও চলবে, কারণ এই লেখা অনন্ত জীবনের, যেখানে শুরুর মাঝেই থাকে শেষের সম্ভাবনা, আর শেষের মাঝেই থাকে নতুন শুরুর মাথা-তোলা|
Thrilling story of a fast bowler from Bengal and his journey to make it to the India team... in the 1980s. Cricket still hadn't exploded as a moneys-spinner and the Board was at loggerheads with players over logo contracts, column writing and other money-making endeavours. Local cricket was hostage to powerful officials, regional biases and poor infrastructure. The story - for its sheer emotional power - works even today. Even with multi-million dollar contracts and better infra, sports is still about emotion and fulfilling promises to people you owe your life to.
মূলত ক্রীড়া সাংবাদিক হলেও মতি নন্দী যে অসাধারণ উপন্যাসও লেখেন সেটা প্রথম জানতে পারি তাঁর লেখা ‘ সাদা খাম' উপন্যাসটি পড়ার সময়। ঝরঝরে ভাষায় ছোট্ট পরিসরে লেখা উপন্যাসটা তখনই উঠে গিয়েছে প্রিয় বইয়ের তালিকায়। আর কিছুদিন আগে যখন জানলাম ক্রীড়া সাংবাদিক সাহেব খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে বেশকিছু উপন্যাসও লিখেছেন তখনই গুডরিডসে ‘টু রিড' এর তালিকায় ঢুকিয়েছিলাম বইগুলো। কোনি আর স্টপারের পর পড়া হলো তৃতীয় এই তৃতীয় উপন্যাসটি।
জীবন আর অনন্ত দুই বন্ধু। দুজনই খুব ভালো ক্রিকেট খেলে, স্বপ্ন দেখে ভারতের হয়ে টেস্ট খেলার। সম্ভবনাময় তরুণ হিসেবে দুজন বেশ নামও করেছে। প্রায় প্রতিটা টুর্নামেন্টে ব্যাটে জীবন আর বলে অনন্ত ঝড় তোলে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে তাতে অচিরেই পূরণ হবে তাদের স্বপ্ন। এমনই এক সময় অনন্তের এক ভুলের কারনে ক্রিকেট থেকে সারাজীবনের জন্য দূরে চলে যেতে হয় জীবনকে। কিন্তু স্বপ্ন তো মরে না, তাইতো জীবন অনন্তের মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সচ্চার হয় আর অনন্ত বাড়তি পরিশ্রম করতে শুরু করে বন্ধুর ( তার নিজেরও) স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে প্রায়শ্চিত্ত করতে। কিন্তু যখন জাতীয় দলে বাঙালীরা ব্রাত্য, স্বজনপ্রীতি চলে সর্বত্র তখন অনন্তের পথ হয়ে দাঁড়ায় কন্টকাকীর্ণ। পারবে কি অনন্ত, নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করতে?
খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে লেখা বইগুলোর বাড়তি একটা মজা আছে। উপন্যাস পড়ার সাথে সাথে খেলার জগতের অনেক অজানা তথ্য জানা যায় বই থেকে, অনেক বিষয়কে নতুনভাবে দেখা শেখা যায়। এই বইটা ঠিক তেমনি। বইটা একদিকে যেমন ক্রিকেট এবং একে নিয়ে চলা রাজনীতির কথা তুলে ধরেছে ঠিক তেমনি বন্ধুত্ব, প্রেম আর অনুপ্রেরণার কথাও বলেছে। জীবন আর অনন্তের এক অসাধারণ বন্ধুত্বের কথা এসেছে যারা দুটি দেহ হলেও আদতে এক প্রাণ। অনন্তের বাবা চরিত্রটা ভীষণ অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল; যেভাবে তিনি সন্তানকে গড়ে তুলেছেন, তাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন, জীবনযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছেন তা থেকে সব অভিভাবকের শেখার অনেক কিছু আছে। অনন্ত আর ভ্রমরার ব্যাপারটা লেখক ততটা খোলাসা না করলেও, দুজনের কেমিস্ট্রিটা বেশ উপভোগ্য ছিল।
আর অন্যদিকে লেখক তুলে ধরেছেন ক্রিকেট নিয়ে রাজনীতির কথা। খেলোয়াড়-বোর্ডের দ্বন্দ্ব এবং কিছু কিছু খেলোয়াড়ের টাকার প্রতি লোভের কথা দারুণভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। দ্বন্দ্বটা আমাকে বারবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের সাথে খেলোয়াড়দের দ্বন্দ্বের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল, লোভ মনে করাচ্ছিল অনেক ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক বাদ দিয়ে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট খেলার হিড়িকের কথা। স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে দল নির্বাচন বা অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বঞ্চিত করার দিকটাও লেখক সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কাম্বাট্টার মতো অসংখ্য খেলোয়াড় যে সুযোগের অভাবে হারিয়ে যায় লেখক সেটা স্পষ্ট করেছেন। এছাড়া ভার্দের চাঞ্চল্যকর খবর দিয়ে বই হিট করানোর ধান্দাও বেশ সচরাচর-ই দেখা যায় ক্রীড়াজগতে। এভাবে দুইটা জগতকে লেখক দারুণভাবে সমন্বয় করে উপস্থাপন করেছেন।
নেগেটিভ দিক বলতে গেলে প্রথমেই আসবে বিভিন্ন ম্যাচের স্কোরের বিস্তারিত বর্ণনা। পাতার পর পাতা খরচ করেছেন লেখক এ কাজে যা বেশ বিরক্তির সৃষ্টি করেছে। আর শেষটা লেখক খুব বেশি নাটকীয় করে ফেলেছেন মনে হয়েছে; আরেকটু বাস্তব করা যেত। দু-এক জায়গায় কিছু তথ্যের ওলট-পালটও চোখে পড়েছে।
ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে বেশ ভালো একটা উপন্যাস ফেঁদেছেন লেখক। যদিও লেখকের কোনি বা স্টপারের মতো ততটা মুগ্ধ করতে পারে নি বইটা, তবুও দারুণ একটা সময় কেটেছে বইটার সাথে তা স্বীকার করতেই হবে।
First ever sports fiction read. It's a well written book and a great read especially for cricket lovers. Me not being a cricket fan, still enjoyed the story.
In India 🇮🇳, Cricket 🏏 = Religion আর এই ক্রিকেট নিয়েই এই গল্প,যা আমার মন ছুঁয়ে গেছে । মতি নন্দীর স্পোর্টস ফিকশন আমার বরাবরের প্রিয়। ক্রীড়া সাংবাদিক হওয়ায় তাঁর এই ধরনের লেখার মধ্যে authenctity ব্যাপারটা প্রবল, তাই পড়ার সময় আলাদাই উত্তেজনা ফিল হয়, মনে হবে you’re actually on the field.
জীবন অনন্ত দুই বন্ধুর গল্প বলে , জীবন ও অনন্ত দুই বন্ধু , দুজনেই দারুণ ক্রিকেট খেলে, আগামী দিনে টেস্ট খেলার ইচ্ছা । জীবন (৫’৩”) ব্যাটসম্যান আর অনন্ত ফাস্ট বোলার (৬’৩”) । জীবন দারুণ সম্ভাবনা ময় একজন ব্যাটসম্যান, ওর থেকে অনন্ত বেশি করে চায় ও টেস্ট খেলুক । কিন্তু life তো আর সবসময় প্ল্যান মতো চলে না, right? বেশি কিছু বললে গল্পের মজা নষ্ট হয়ে যাবে । শুধু এটুকুই বলবো আপনার ক্রিকেট ভালো লাগুক বা না লাগুক জীবনে একবার অন্তত এই বই পড়ুন ও অন্যদের পড়তে বলুন ।
কেন পড়বে? ✔️জীবন ও অনন্তের বন্ধুত্ব দারুণ ভাবে দেখিয়েছেন লেখক, their bond will make you smile & cry। ✔️অনন্তর বাবা – একটা walking inspiration। এমন লোক থাকলে জীবনটাই পালটে যায়। ✔️হার-জিতের বাইরে গিয়ে, this story teaches you how to bounce back from failure. ✔️এটি শুধু একটি কিশোর উপন্যাসই নয়, বড়দের মনে সমান প্রভাব ফেলতে বাধ্য । ✔️শেষ টা একটু ওভার ড্রামাটিক হলেও চোখের কোনা চিকচিক করবেই । আরে ক্রিকেট এ কখন কী হয় কেউ বলতে পারে না ।
🍁শেষ করব এই বই এর একটা উক্তি দিয়ে - “দেহের থেকেও মন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনের পূর্ণতা দেহের অপূর্ণতাকে ঢেকে দেয় ।”
🔸Read it. Feel it. Share it. 🏏Because “জীবন অনন্ত” is not just a story, it’s an emotion.
রমজানের দীর্ঘ এক মাস বিরতির পর চাঁদ রাতে হাতে তুলে নিলাম মতি নন্দির স্পোর্টস ফিকশন *জীবন অনন্ত*। এই জনরার গল্পের আমি বিশেষ ভক্ত নই , তাছাড়া জুলাই আন্দোলনে ক্রিকেটারদের নিরব থাকার ঘটনার পর থেকে ক্রিকেট কে তালাক দিয়েছি। তাই শুরুর ২০-২৫ পৃষ্ঠায় গল্পের সাথে নিজেকে যুক্ত করতে একটু বাধা পেয়েছি। কিন্তু আপনি যদি ক্রিকেটপ্রেমী হন, তাহলে বাকি অংশটা মনে হবে মতি নন্দির নান্দনিক ধারাভাষ্য শুনছেন! এই বইটা হাতে নিয়েছি জীবনের এমন এক দমবন্ধ সময়ে যখন—পরিবারের চাপ, ডাক্তারির উচ্চতর ডিগ্রির চ্যালেঞ্জ, সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল যেন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বইটা যখন শেষ করি তখন মাথায় কেবলই চন্দ্রবিন্দুর সেই অমর গানের লাইনটা ঘুরছিল— *"এভাবেও ফিরে আসা যায়"*। ৪.৭৫/৫ ৩০/০৩/২৫;১১:০১।
অন্যতম প্রিয় উপন্যাস হিসেবে আমার মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে এই বইটি । কি অপূর্ব লেখনী... কি দারুন চরিত্রায়ন । এর পরেও আরো অনেকবার পড়বো এই বইটি ।
I remember having read the novel in a Poojaabaarshiki Anondomela in teenage. Those were stored in the bookshelf & taken out in later years by those in the family ,who missed reading them in the year it came out. The book is standard sports drama. 13 years old me loved it way more. I'd give this a 4*, but saw that it has somehow a 3* average here!!! & That cannot be allowed to happen... Forever Moti Nandy fan here! Translation is spot on - 5/5 for translation!
it's a one kind of motivational novel.writer praised the hero, which is common among the bengali writers. Few sentence touched my sensitive heart.Jibons and ananto's friendship and some motivational sentences are the mainn strength of this novel