কীভাবে এলাম লিখতে? কেনই বা এলাম? বাবা-দাদা লেখক হলেই লিখতে হবে? আমি যদি না লিখতাম, বাংলা সাহিত্যের কিচ্ছু এসে যেত? এখন মনে হয়, বাড়ির পরিবেশটাই ভিতরে জেদ চাপিয়ে দিয়েছিল।… লিখি তো ছাইপাঁশ! তবু কেউ কেউ বলেন, বইমেলা ছাড়ুন, আরও বেশি করে লিখুন। তাঁদের কী করে বোঝাই, বইমেলার সঙ্গে না থাকলে কি বাংলা ভাষার শীর্ষ শিল্পী-সাহিত্যিকদের এত কাছাকাছি আসতে পারতাম, তাঁদের জীবনের অজানা সব গল্প কি জানতে পারতাম, ঘুরতে কি পারতাম দেশ বিদেশ, মানুষ দেখার চোখ কি তৈরি হতো? না, হতো না।… লেখালিখির গল্প তো শুধু নিজের চলার পথের অভিজ্ঞতা নয়, আমার প্রণম্য ও প্রিয়জনদের কথাও। প্রিয় বন্ধুদের ভালো লাগলে খুশি হব।
কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এসসি। শিশু কিশোর ও প্রাপ্তমনস্ক সাহিত্যের ইতিহাস, বিজ্ঞান, রহস্য, হাসিমজা...নানা শাখায় বিচরণ। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রচুর লেখালিখি। প্রকাশিত ও সম্পাদিত বইয়ের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। জনপ্রিয় চরিত্র বিজ্ঞানী জগুমামা ও টুকলু। ১৯৯৫ থেকে কিশোর ভারতী পত্রিকার সম্পাদক। ২০০৭ সালে পেয়েছেন শিশু সাহিত্যে রাষ্ট্রপতি সম্মান। শিশু-কিশোর সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিদ্যাসাগর স্মৃতি পুরস্কারে সম্মানিত। মধ্যবর্তী সময়ে পেয়েছেন রোটারি বঙ্গরত্ন, অতুল্য ঘোষ স্মৃতি সম্মান, প্রথম আলো সম্মান ও নানা পুরস্কার