বাংলা সাহিত্যে গোয়েন্দা গল্পের ধারায় প্রায়ই প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তু, প্রাচীন মূর্তি বা পুঁথির মতো উপাদান চোখে পড়ে। সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট ফেলুদার অনেক কাহিনিতেই প্রাচীন মূর্তি, পুঁথি বা ঐতিহাসিক নিদর্শন কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাকাবাবু প্রত্নতাত্ত্বিক বস্তুর সন্ধানে বেশি আগ্রহী তবে আমার মতে তিনি ঐতিহ্যবাহী গোয়েন্দা নন, বরং একজন অভিযাত্রী। তাই কাকাবাবু এই আলোচনায় পুরোপুরি খাপ খায় না।
সে যাই হোক, কোনান ডয়েলের শার্লক হোমসও আতস কাচ নিয়ে তদন্তে নামেন, যা বাংলা গোয়েন্দা গল্পেও প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় সৃষ্ট দীপঙ্কর বাগচী এদের সবাইকে ছাড়িয়ে এক ধাপ এগিয়ে। তিনি শুধু আতস কাচ নয়, বাইনোকুলার, ফিতা নিয়ে তদন্তে নামেন। তবে দুঃখের বিষয়, দীপঙ্কর বাগচীর প্রথম তদন্তের গল্পটি লাইট রিড হিসেবেও গড়পড়তার নিচে মনে হয়।