Jump to ratings and reviews
Rate this book

আঁধার রাতের অতিথি

Rate this book
প্রচ্ছদ ও অলঙ্করণ - অনুপ রায়

113 pages, Paperback

First published April 1, 1983

1 person is currently reading
52 people want to read

About the author

Sunil Gangopadhyay

738 books979 followers
Sunil Gangopadhyay (Bengali: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়) was a famous Indian poet and novelist. Born in Faridpur, Bangladesh, Gangopadhyay obtained his Master's degree in Bengali from the University of Calcutta, In 1953 he started a Bengali poetry magazine Krittibas. Later he wrote for many different publications.

Ganguly created the Bengali fictional character Kakababu and wrote a series of novels on this character which became significant in Indian children's literature. He received Sahitya Academy award in 1985 for his novel Those Days (সেই সময়). Gangopadhyay used the pen names Nil Lohit, Sanatan Pathak, and Nil Upadhyay.

Works:
Author of well over 200 books, Sunil was a prolific writer who has excelled in different genres but declares poetry to be his "first love". His Nikhilesh and Neera series of poems (some of which have been translated as For You, Neera and Murmur in the Woods) have been extremely popular.

As in poetry, Sunil was known for his unique style in prose. His first novel was Atmaprakash (আত্মপ্রকাশ) and it was also the first writing from a new comer in literature published in the prestigious magazine- Desh (1965).The novel had inspiration from ' On the road' by Jack Kerouac. His historical fiction Sei Somoy (translated into English by Aruna Chakravorty as Those Days) received the Indian Sahitya Academy award in 1985. Shei Somoy continues to be a best seller more than two decade after its first publication. The same is true for Prothom Alo (প্রথম আলো, also translated recently by Aruna Chakravorty as First Light), another best selling historical fiction and Purbo-Paschim (পূর্ব-পশ্চিম, translated as East-West) a raw depiction of the partition and its aftermath seen through the eyes of three generations of Bengalis in West Bengal, Bangladesh and elsewhere. He is also the winner of the Bankim Puraskar (1982), and the Ananda Puraskar (twice, in 1972 and 1989).

Sunil wrote in many other genres including travelogues, children's fiction, short stories, features, and essays. Though he wrote all types of children's fiction, one character created by him that stands out above the rest, was Kakababu, the crippled adventurer, accompanied by his Teenager nephew Santu, and his friend Jojo. Since 1974, Sunil Gangopadhyay wrote over 35 novels of this wildly popular series.

Death:
Sunil Gangopadhyay died at 2:05 AM on 23 October 2012 at his South Kolkata residence, following a heart attack. He was suffering from prostate cancer for some time and went to Mumbai for treatment. Gangopadhyay's body was cremated on 25 October at Keoratola crematorium, Kolkata.

Awards & Honours:
He was honored with Ananda Award (1972, 1979) and Sahitya Academy Award (1984).

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
12 (11%)
4 stars
41 (38%)
3 stars
35 (33%)
2 stars
13 (12%)
1 star
5 (4%)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
Profile Image for Shadin Pranto.
1,484 reviews565 followers
November 20, 2023
বাংলায় হার্মাদদের অত্যাচার, সাধারণ মানুষের কষ্ট ও মোগলদের সাহায্য বিশু ঠাকুরের কীর্তি নিয়ে 'আঁধার রাতের অতিথি'।

কিশোর উপন্যাস হিসেবে একবসায় পড়া চলে। তবে, এই লেখায় সুনীলবাবু তার নামের সদ্ব্যবহার করতে অসফল হয়েছেন। নিম্নমাঝারি মানের লেখা৷ কিশোর পাঠকদের ভালো লাগতে পারে। কিন্তু বুড়ো যুবাদের মন মজাবে না 'আঁধার রাতের অতিথি'।
Profile Image for Sazid Shahriar.
51 reviews1 follower
September 5, 2024
রাতে ডিনার শেষে এক বসায় শেষ করলাম। সুনীলবাবুর উইকেস্ট কিছু বইয়ের মধ্যে একটা। শুরুটা দারুণ ছিলো, শেষটাও নেহাত মন্দ না, কিন্তু মধ্যভাগ একদমই ছাইপাশ।
Profile Image for শুভাগত দীপ.
282 reviews43 followers
November 29, 2017
|| রিভিউ ||

বই : আঁধার রাতের অতিথি
লেখক : সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
প্রকাশক : আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা
প্রকাশকাল : ১লা বৈশাখ, ১৩৯০ বঙ্গাব্দ
ঘরানা : হরর/ফ্যান্টাসি
পৃষ্ঠা : ৭৯
প্রচ্ছদ : সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়
মুদ্রিত মূল্য : ১২ রুপি

বিশ্বেশ্বর ঠাকুর ওরফে বিশু ঠাকুর একজন শাক্ত (শিবের অনুসারী) ব্রাহ্মণ। পেশায় শিব মন্দিরের পূজারি। এমন একজন মানুষ 'নিরামিষ' হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিশু ঠাকুর আর দশজন সাধারণ পূজারি ব্রাহ্মণের মতো নন। অত্যন্ত সাহসী এই মানুষটার রয়েছে অনেক বীরত্বপূর্ণ ঘটনার ইতিহাস। ফিরিঙ্গিদের শেকল ছিঁড়ে ও তাদের অনেক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে বেরিয়ে এসেছিলেন তিনি। এবং সেই সাথে প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন আরো অনেক মানুষের। এমনই দুজন মানুষ কালু শেখ ও নিতাই তাঁর বিশ্বস্ত সহচর।

সেই সময়ে বিশু ঠাকুরের নিজের ও আশেপাশের গ্রামগুলোতে ডাকাত, লুটেরা ও বোম্বেটের খুব উৎপাত ছিলো। তাই সমমনা কয়েকজনকে নিয়ে তিনি এসব দুরাচারীদের বিরুদ্ধে গড়ে তোলেন দারুন এক প্রতিরোধ। আশেপাশের দশ এলাকায় বিশু ঠাকুর ও তাঁর দলের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। চোর-ডাকাতরাও তাঁর নাম শুনলে থরহরিকম্প হয়ে যেতো।

কিন্তু মল্লিকপুরের হাট থেকে ফেরার পথে বিশু ঠাকুরের সাথে যে ঘটনা ঘটেছিলো, সেটা যে তাঁকে শেষমেষ অনেকদূর পরিচালিত করবে তা কে জানতো! 'আউলো ভূত'-এর পিছু পিছু যখন জনমানবশূন্য মাঠে হাজির হলো অতৃপ্ত আত্মারা, তখন আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলোনা। মানুষ নিয়ে যার সমস্ত কারবার, সেই বিশু ঠাকুরও এসব দেখেশুনে তাজ্জব হয়ে গেলেন।

আকাশজুড়ে উড়ে বেড়াচ্ছে অদ্ভুত পাখিরা। ফিরে এসেছেন কুখ্যাত জমিদার মহাপ্রবৃট সেন ও তাঁর সহচরেরা। অনেক অনেক বছর আগে ঘটে যাওয়া এক নৃশংস ঘটনার জের যেন আজও চলছে। অতিপ্রাকৃত সব ঘটনার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে চললেন দুঃসাহসী বিশু ঠাকুর।

ব্যক্তিগত মতামত : সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখনী নিয়ে নতুন করে বলার মতো কিছু নেই। 'প্রথম আলো', 'পূর্ব-পশ্চিম', 'রাণু ও ভানু'-এর মতো অনেক কালজয়ী উপন্যাসের স্রষ্টা এই লেখকের 'সন্তু-কাকাবাবু সিরিজ' আমার অতি প্রিয়। স্কুল ও কলেজ জীবনের অনেকটা আমার কেটেছে এই অনবদ্য অ্যাডভেঞ্চার কাহিনিগুলো পড়ে।

'আঁধার রাতের অতিথি' বইটা রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজের হলেও কাহিনিটা অনেকাংশেই শিশুতোষ বলে মনে হয়েছে আমার কাছে। বইয়ের প্রধান চরিত্র বিশ্বেশ্বর ঠাকুর ওরফে বিশু ঠাকুরের শক্তিশালী ভূমিকা ভালো লেগেছে। ফেলে আসা পুরোনো সময়ের ঐতিহাসিক বর্ণনাভঙ্গি ভালো লেগেছে। তারপরেও বইটা যতোটা আশা নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম, ততোটা ভালো লাগেনি। সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রচ্ছদ ভালো ছিলো।

রেটিং : ৩/৫

© শুভাগত দীপ
Profile Image for বর্ণালী.
4 reviews7 followers
February 16, 2021
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্যান্য লেখার তুলনায় এই বইটি খুব একটা ভালো হয়নি। খুব জলদি শেষ করলেও মনের মাঝে দাগ কাটতে পারেনি। যারা নতুন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখনীর সাথে পরিচিত হবেন তাদের জন্য ঠিক আছে কিন্তু পুরনো পাঠকদের জন্য এটি নয়।
Profile Image for Rafiul Alam.
11 reviews1 follower
April 4, 2020
ইতিহাসনির্ভর লেখায় এত সুচারুভাবে যে রোমাঞ্চ মেশানো যায়, এই উপন্যাসে (নাকি বড়গল্পে!) হাত না দিলে বুঝতে পারতাম না।

পুরোটুকু এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। শিশু-কিশোরদের জন্য সহজ ভাষার প্রয়োগে উঠে এসেছে আওরঙ্গজেব আর শাহ সুজার দ্বন্দ, ফিরিঙ্গিদের দস্যুপ্রবৃত্তি, জমিদার আর কৈবর্তদের লড়াই...

পড়তে পড়তে প্রাণভরে উপভোগ করেছি সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়ের ইলাস্ট্রেশন। বিশে ঠাকুরের সুঠাম দেহ, বাঘের হিংস্র মূর্তি, আর লড়াই দৃশ্যগুলো আমার চোখে জীবন্ত হয়ে ধরা পড়েছে...

একে ৫/৫ দিলেও কম দেওয়া হয়...
Profile Image for Tashin Abdullah .
139 reviews1 follower
September 1, 2025
কাহিনির পটভূমি সপ্তাদশ শতাব্দীর বাংলা। দিল্লির সিংহাসনে তখন মোঘল বাদশা আওরঙ্গজেব। একটা সময়ে রাজধানী কেন্দ্রিক রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য বিশাল ভারতবর্ষের সব কোনে তিনি সমানভাবে নজর দিতে পারছিলেন না। বাংলায় তখন পর্তুগিজ জলদস্যুদের ভীষণ উৎপাত। এই জলদস্যুদের হাতেই একবার বন্দী হয়েছিলেন এই গল্পের নায়ক বিশু থাকুর। কিন্তু নিজ বুদ্ধি আর শক্তিবলে তিনি জলদস্যুদের কবল থেকে রক্ষা পান এবং জলদস্যু সর্দার সিবাস্তিয়ান গঞ্জালেসকে মোঘল সেনাপতি তথা বাংলার তৎকালীন সুবাদার শায়েস্তা খাঁর হাতে ধরিয়ে দেন। বিশু ঠাকুর পূজারি ব্রাহ্মণ, শিবের পূজা করেন। কিন্তু যখন সে জলদস্যুদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে নিজ গ্রামে ফিরে আসে তখন গ্রামের কুসংস্কারাচ্ছন্ন লোকেরা তাকে একঘরে করে দেয়, কারণ সে বন্দী থাকা অবস্থায় স্লেচ্ছদের অন্ন গ্রহণ করেছিলো। কিন্তু এতেও বিশু ঠাকুর দমে যায় না এবং জলদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধারকৃত অনন্য বন্দীদের সাথে নিয়ে সে গ্রামের মন্দিরেই থাকা শুরু করে এবং একটা পালোয়ানের দল খোলে। কোথাও কোনো বিপদ আপদ হলে তারা দল বল নিয়ে সাহায্য করতে যেত। এভাবেই চলছিলো তাদের জীবন। কিন্তু একদিন হঠাৎ হাট থেকে ফেরার পথে রাতে সঙ্গী সমেত বিশু ঠাকুর আলেয়া দেখতে পায়, এই আলেয়ার আলো দেখা এবং এই নিয়েই কিম্ভূত ভূতুড়ে কান্ডকারখানার সাথে কাহিনি এগোতে থাকে।

এই বইয়ের শুরুটা চমৎকার লেগেছিলো কিন্তু তারপর থেকে কেমন যেন একটু ছন্দপতন ভাব। আমি ভেবেছিলাম যেহেতু ঐতিহাসিক পটভূমির উপর রচিত এবং কিছু রিয়েল লাইফ ক্যারেক্টারের কথা উল্লেখ আছে, হয়ত লেখক এই আলেয়া বা ভূত প্রেতের একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এই গল্পে উল্লেখ করবেন। বাস্তবিক আলেয়া এক ধরনের বায়ুমণ্ডলীয় ভৌতিক আলো যা রাতের অন্ধকারে জলাভূমিতে বা খোলা প্রান্তরে দেখা যায়। মাটি থেকে একটু উঁচুতে আগুনের শিখা জ্বলতে থাকে। ইংরেজি এবং মার্কিন লোককাহিনীতে একে will-o'-the-wisp বলে। আলেয়া সৃষ্টি নিয়ে নানা মত রয়েছে। লোককথায় একে ভৌতিক আখ্যা দেওয়া হলেও বিজ্ঞানীরা মনে করেন গাছপালা পচনের ফলে যে মার্শ গ্যাসের সৃষ্টি হয় তা থেকে আলেয়ার উৎপত্তি। কিন্তু না এই বইটি আলেয়ার ভৌতিকত্বের উপর ভিত্তি করেই গল্পের মাঝখানের কাহিনীটুকু ঐ শিশুতোষ ভৌতিক উপন্যাস হয়ে রইলো।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখার সমালোচনার করার মত যোগ্যতা আমার মতো ক্ষুদ্র পাঠকের নেই। কিন্তু চাইলে তিনি এই কাহিনীটাকে আরো বাস্তবসম্মত করে তুলতে পারতেন। তবে যাই হোক লেখার বর্ণনা চমৎকার। পড়ার সময় বেশ একটা আরাম বোধ হয়। তৎকালীন সুন্দরবন সংলগ্ন বাংলা অঞ্চলের একটা সুন্দর পরিবেশ আর জীবনধারার চিত্র পাওয়া যায় এই গল্পে। গল্পটি এক বৈঠকে পড়ে ওঠার মত। এই বইটির সাথে লেখকের আরেকটি উপন্যাস "জলদস্যুর"যোগসূত্র আছে। অদ্ভুতুড়ে ধাঁচের গল্প যারা পছন্দ করেন, তাদের এই বইটি খারাপ লাগবে না।
Profile Image for Zubair Shoaib.
52 reviews3 followers
January 1, 2022
একটু আগে শেষ করলাম সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের আঁধার রাতের অতিথি।
বইয়ের প্রধান চরিত্র বিশু ঠাকুর,যে কিনা পর্তুগিজ জলদস্যুদের বন্দী করে মুঘল সেনাপতির হাতে তুলে দেন।চোর ডাকাতের উপদ্রব থেকে বাঘ তাড়ানো
ভয়ংকর সব বিপদে এলাকাবাসীর ডাক পরে বিশু ঠাকুরের কাছে। যার সাহসের নাম ডাক দু দশ গাঁ পর্যন্ত।
একদিন সন্ধ্যাবেলা মল্লিকপুরের হাট থেকে ফিরছিলো বিশু ঠাকুর আর তার সঙ্গী নিতাই ও কালু শেখ পথিমধ্যে তারা কিছু দূরে একটা আলো দেখতে পায় যা সবাই আলেয়া ডাকিনী বলে ভাবে,যা কিনা মানুষের রক্ত চুষে খায়। তবে বিশু ঠাকুরের ওসব গল্প বিশ্বাস হয় না তাই তিনি কাছাকাছি চলে যান আসলেও কিছু হয় কিনা দেখতে।
তবে সে রাতে তেমন কিছু না হলেও তারপর থেকে তার সাথেও অদ্ভূত সব ঘটনা ঘটে।
আলেয়া ডাকিনী কে, কেনই বা তার সাথে আশ্চর্য সব ঘটে তা জানতে হলে পড়তে হবে উপন্যাসেটি।

বইয়ের নাম আর প্রচ্ছদ দেখে ভেবেছিলাম ডাকাত কাহিনী নির্ভর কোনো উপন্যাস হয়তো।
বইটা অনেক এস্পেক্টেশন নিয়ে শুরু করেছিলাম।
তবে আহামরি কিছু লাগেনি।
খুবই বাচ্ছা সুলভ কাহিনী মনে হয়েছে,কিশোরদের কাছেও রহস্য রোমাঞ্চ না হয়ে ঠাকুমার ঝুলির মত রুপকথা মনে হবে।
শুধুমাত্র সুনীল বাবুর লেখনীর কল্যাণে বইটা শেষ করেছি।
বইয়ের প্লট এর জন্য ২, লেখনী +প্রচ্ছদ এর জন্য ১
ওভার অল ৩/৫

জুবায়ের শোয়াইব
১.১.২০২২ , শনিবার
Profile Image for Nuhash.
225 reviews6 followers
October 25, 2021
ভূত প্রেত নিয়ে আমাদের ফ্যান্টাসি অনেক বেশি। ভূতের গল্প মানে লোমহর্ষক সব বিবরণ আর চোখ বড় বড় হয়ে যাওয়া। বাঙালির তো রীতিমতো ফ্যান্টাসি কাজ করে ভূত নিয়ে। আমরা ভয় পেলেও চোখ, কান বন্ধ করে হলেও দেখি কিংবা কোন কাহিনী শুনি। আগের দিনে দাদু কিংবা নানুর পুকুর পাড়ে ভূত আর পোড়াবাড়ি ভূত রীতিমত আমাদের ভয় পাইয়ে দিত অনেক বেশি। আবার যদি কেউ বলে ভূত দেখেছে তাহলে কোন কথায় নেই কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়া আমাদের তখন কতব্য হয়ে পড়ে। বিভীষিকা ময় এক রাত যেন সেই রাত। যেকোন শব্দে ভয় লাগে, দরজায় হালকা শব্দ থরথর করে কাঁপিয়ে দিয়ে যায়। দাঁতের সাথে দাঁতের তুমুল সংঘর্ষ হয়। সুনীল ও এমন বিভিন্ন দিতে চেয়েছে এই বইতে তবে ভিন্ন ভাবে।

বইটি বিশু চরিত্রকে নিয়ে ঘরে উঠেছে। মানুষের পাশে থাকা, মানুষকে সাহায্য করা বিশুর কাজ। রাতের বেলা নিজের ছায়া তো খুব ভয়ংকর লাগে আমাদের আর যদি রাতের বেলা স্বয়ং ভূত চলে আসে তাহলে তো কোন কথায় নেই। সোনায় সোহাগা হওয়ার মত হয়ে পড়ে। ভারতীদের মাঝে পূর্ণজন্ম কিংবা আত্মা মুক্তি বলে বহু কথা প্রচলন আছে। এই বইতে ও তাই। তবে এভারেজ বর্ণনা খএব মন কাড়ে নি। সুনীল সর্বদা প্রফুল্লচিত্তে ছুটে যান তার গল্পে তবে এতে তার যেন কোথা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছেই।
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
July 22, 2023
এ বইটা মূলত রহস্য উদঘাটন মূলক বই। কাহনী মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর সময়ের। বিশু ঠাকুরকে ফিরিঙ্গিরা ধরে নিয়ে যায়,তিনি সেই ফিরিঙ্গিদের খতম করে গ্রামে ফিরে আসে,কিন্তু গ্রামের মানুষ তাকে ঘরকোণে করে রাখতে চাই যার কারণ হলো সে বন্ধি থাকা অবস্থায় ফিরিঙ্গিদের অন্ন খেয়েছে বলে।

আর বিশু ঠাকুর ছিলেন ব্রাহ্মণ্ জাতের, তার কারণে সে পুজা আরাধানা করত৷তাই সে একটা মন্দিরের বসবাস শুরু করে। এমন আর অনেক লোক যারা ফিরিঙ্গিদের হাত থেকে বেচে এসেছে তার কাছে আশ্রয় নেয় এবং তাদের নিয়ে বড় একটা দল ঘটন করে।
গ্রামের কোথাও ডাকাত আসলে তাদের খবর দেওয়া হয়, তারা গিয়ে বিদায় করে এবং নানান উপকারী কাজ করে।

একদিন রাতে সে এবং তার সঙ্গী নিতাই, কালু শেখ, বিশাল বড় মাঠ দিয়ে আসার সময়, সাদা আলো দেখতে পায়। নিতাই এবং কালু শেখ চিনতে পারে, এটা হলো আলেয়া ভুত। তারপর বিশু ঠাকুর আলেয়ার কাছে যাই তাদের বাধা ডিঙিয়েও...
তারপর বিশু ঠাকুরের কি হয়?
.
পড়তে পারেন ভালো লাগবে, আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখার ধরণ অসাধারণ ❤
Profile Image for Sushanto Kumar Saha.
93 reviews9 followers
April 16, 2020
গল্প বেশ তাড়াতাড়ি পড়ে ফেললেও প্লট ভালো লাগেনি।
Profile Image for Ishtiaque Alam Russel.
104 reviews
May 28, 2020
সুনীলের কিশোর রোমাঞ্চ গল্প জলদস্যু বইটার মুখ্য চরিত্র দুঃসাহসী বিশ্বেশ্বর 'বিশু' ঠাকুরের দ্বিতীয় গল্প আঁধার রাতের অতিথি। বেশ চমৎকার ও উপভোগ্য কাহিনী।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
476 reviews16 followers
August 21, 2020
গল্পের প্লট খুব একটা ভালো লাগেনি।
Profile Image for Monisha Mohtarema.
86 reviews2 followers
November 10, 2022
যেভাবে গল্পটা শুরু হয়েছিলো ভেবেছিলাম খুব থ্রিলিং কিছু পাবো;কিন্তু গল্প যত এগুলো থ্রিলিং ভাবটাও কেটে গেলো!আশাহত হলাম! :')
Displaying 1 - 15 of 15 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.