"হংসেশ্বরী" শুধুমাত্র বাঁশবেড়িয়ার হংসেশ্বরী মন্দির প্রতিষ্ঠার কাহিনী নয়, হংসেশ্বরী অষ্টাদশ শতকের প্রেক্ষাপটে এক তেজস্বিনী নারী রানী শঙ্করীদেবীর জীবন সংগ্রামের কাহিনী। বাঁশবেড়িয়ার হংসেশ্বরী মন্দির রাজা নৃসিংহদেবের দ্বিতীয়া পত্নী শঙ্করী এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। কাব্যতীর্থ মহাশয়, রাজা নৃসিংহদেব, নৃসিংহদেবের মাতা হংসেশ্বরী দেবী, রাজমহিষী মহামায়া নিজ মহিমায় এখানে বিদ্যমান। স্বামী-সুখ, সন্তান-সুখ বঞ্চিতা রানি শঙ্করী নিজ কর্তব্যে অটল থেকেছেন জীবনের অন্তিম লগ্ন পর্যন্ত। প্রেম, কর্তব্য, উপেক্ষা এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে বিধৃত।