স্পেসশীপ ইউভির অভিযাত্রীরা ভিনগ্রহে প্রাণীর অনুসন্ধান করতে যেয়ে ‘‘কিটো” নামের নতুন একটি গ্রহের অবতরণ করে। অনুসন্ধান কার্যক্রমের শুরুতে তারা ‘জিটু’ নামের একটি উন্নত মাত্রার রোবটকে কিটোর উপরিপৃষ্ঠে নামিয়ে দেয় । কিন্তু জিটু আর ইউভিতে ফিরে আসতে পারে না। কিটো গ্রহের অদৃশ্য আর সহস্যময় প্রাণীরা ধ্বংস করে ফেলে জিটুকে। । জিটুর দেহাবশেষ উদ্ধারের চেষ্টা করতে যেয়ে নির্মম মৃত্যু ঘটে প্রিয় কুকুর টিমির। শেষ পর্যন্ত উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণকারী সবাই স্পেসশীপে ফিরে আসতে পারলেও তারা বুঝঝে পারে কিটো গ্রহের হিংস্র ,ভয়ংকর আর ধূর্ত প্রাণীরা তাদের স্পেসশীপ ইউভিকে আক্রমণের পরিকল্পনা করেছে। চারদিকে তীব্র অসহনীয় ক্রি.ক্রি ক্রি. ...শব্দ। অবশেষে জীবন বাঁচাতে তারা কিটো গ্রহ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু ততক্ষণে যে অনেক দেরী হয়ে গেছে, একে একে বিকল হয়ে যেতে শুরু করেছে স্পেসশীপ ইউভির ইঞ্জিনগুলো
শেষ পর্যন্ত কি কিটো গ্রহের অদৃশ্য আর রহস্যময় প্রাণীদের আক্রমণ থেকে নিজেদেরকে রক্ষা পেয়েছিলেন ইউভির অভিযাত্রীরা? (সূত্র: বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা থেকে)
মোশতাক আহমেদ (English: Mustak Ahmed) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৭৫ সালে ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী ডিপার্টমেন্ট হতে এম ফার্ম ডিগ্রী অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ হতে এমবিএ এবং ইংল্যান্ডের লেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ক্রিমিনোলোজিতে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন। কর্ম জীবনে তিনি একজন চাকুরীজীবি। তাঁর লেখালেখির শুরু ছাত্রজীবন থেকে। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে তিনি অধিক আগ্রহী হলেও গোয়েন্দা এবং ভৌতিক ক্ষেত্রেও যথেষ্ট পারদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে- রোবটিজম, ক্লিটি ভাইরাস, নিহির ভালভাসা,অতৃপ্ত আত্না, নীল মৃত্যু, লাল শৈবাল, জকি, মীম, প্রেতাত্মা, রোবো, পাইথিন, শিশিলিন ইত্যাদি। সায়েন্স ফিকশন সিরিজ- রিবিট, কালোমানুষ, রিবিট এবং ওরা, রিবিটের দুঃখ, শান্তিতে রিবিট, হিমালয়ে রিবিট। প্যারাসাইকোলজি- মায়াবী জোছনার বসন্তে, জোছনা রাতরে জোনাকি ইত্যাদি। ভ্রমণ উপন্যাস- বসন্ত বর্ষার দিগন্ত, লাল ডায়েরি, জকি। স্মৃতিকথা- এক ঝলক কিংবদন্তী হুমায়ূন আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধ- নক্ষত্রের রাজারবাগ, মুক্তিযোদ্ধা রতন। তিনি কালি কলম সাহিত্য পুরস্কার ২০১৩, ছোটদের মেলা সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪, কৃষ্ণকলি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৪ পুরস্কার পেয়েছেন।